admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৬ এপ্রিল, ২০২১ ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
বিধিনিষেধ আরো এক সপ্তাহের জন্য বাড়ানো হয়েছে, চলবে না গণপরিবহন। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে চলমান বিধিনিষেধ আরো এক সপ্তাহের জন্য বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৫ মে পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা চলবে। এই সময়ে দোকান ও শপিংমল খোলা থাকলেও চলবে না গণপরিবহন। যদিও গণপরিবহনের মালিকরা আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে গণপরিবহন চালানোর ব্যাপারে আশবাদী ছিলেন। কারণে চলমান লকডাউনের মধ্যেই গতকাল রোববার (২৫ এপ্রিল) থেকে দোকান-পাট ও শপিংমল খোলার অনুমতি দেওয়া হয়।
তবে সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দোকান-পাট ও শপিংমল খোলার অনুমতি দিলেও সংশোধিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে তা সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। আজ সোমবার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এসব তথ্য জানিয়েছেন। নতুন নির্দেশনার বিষয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের সার্বিক সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী চলমান বিধিনিষেধ কন্টিনিউ (অব্যাহত) করতে হচ্ছে। সেই পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার, এ বিষয়ে আগামীকাল (মঙ্গলবার) প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
ফরহাদ হোসেন বলেন, তবে বিধিনিষেধ চলমান থাকলেও দোকান-পাট ও শপিংমল সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। বর্তমানে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকছে, সেটা এক ঘণ্টা কমিয়ে রাত ৮টা করা হবে। মার্কেট খোলা রাখতে হচ্ছে বিভিন্ন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে, কারণ এখানে তাদের (ব্যবসায়ী) বড় ধরনের বিনিয়োগের বিষয় আছে। তবে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেট ও দোকান-পাট খোলা রাখতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে লকডাউনের মধ্যেও স্বাস্থ্যবিধি মানার শর্তে গতকাল রোববার থেকে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দোকান-পাট ও শপিংমল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত জানায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পরে গতকালই ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে দোকান-পাট ও শপিংমল।
দেশে দ্বিতীয় দফায় করোনার সংক্রমণ ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে গত ৫ থেকে ১১ এপ্রিল প্রথমে দেশে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এর পর ১৪ এপ্রিল থেকে বিধিনিষেধ আরো কঠোর করে সর্বাত্মক লকডাউন আরোপ করা হয়। এর অংশ হিসেবে গণপরিবহন, অফিস-আদালত, দোকান-পাট ও শপিংমল এবং সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে বিশেষ বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি মানার শর্তে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক নির্দেশনায় গতকাল রোববার (২৫ এপ্রিল) থেকে দোকান-পাট ও শপিংমল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।