admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল, ২০২১ ২:৫৯ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে হতাশার অন্ধকারে আশার আলো ডিএনসিসি হাসপাতাল। আবারও আস্ফালন শুরু করেছে করোনাভাইরাস। সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়ে সংক্রমণ কিছুটা স্থির হলেও মৃত্যু প্রতিদিনই ছাড়িয়ে যাচ্ছে শতক। হাসপাতালগুলোতে আইসিইউর জন্য হাহাকার চলছে। অক্সিজেনের অভাবে চোখের সামনেই মারা যাচ্ছেন অনেকে। এমন হতাশার অন্ধকারে আশার আলো নিয়ে এসেছে ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতাল। গত রোববার (১৮ এপ্রিল) ১ হাজার শয্যা বিশিষ্ট দেশের সবচেয়ে বড় এই কোভিড হাসপাতাল উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অধীনে থাকা হাসপাতালটি রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত। রাজধানীজুড়ে সব হাসপাতাল মিলিয়ে যেখানে কোভিড আক্রান্তদের জন্য আইসিইউ আছে ২২০টি, সেখানে ডিএনসিসি হাসপাতালের একাই রয়েছে ২১২টি আইসিইউ।
এ যেন ঘোর অন্ধকারে হঠাৎ জ্বলে ওঠা কোনো আলো। একটা আইসিইউ বেডের জন্য কয়েক হাসপাতাল ঘুরে মারা যাওয়ার অনেক দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে গত কয়েকদিনে। এবার ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতালে গেলেই প্রয়োজন অনুসারে আইসিইউ পাওয়া যাচ্ছে। পাওয়া যাচ্ছে সিট ও আলাদা কক্ষ। রোগীর স্বজনরা এমন একটি হাসপাতাল উপহার দেওয়ার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। হাসপাতালটিতে রয়েছে ২৫০টি এইচডিইউ বেড, আইসোলেটেড কক্ষ রয়েছে ৫৩৮টি। রয়েছে ৬ শয্যা ট্রায়াজ বেড ও ৫০ শয্যা বিশিষ্ট জরুরি বিভাগ। সবগুলো বেডের সাথেই রয়েছে অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর ও সিলিন্ডার।
প্রসঙ্গত, এই হাসপাতালটি আগে ছিল মার্কেট। ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম গত বছরের ৯ আগস্ট পরিদর্শনে গিয়ে মহাখালীর এই মার্কেটটিকে ৫০০ শয্যার হাসপাতালে রূপান্তরের ঘোষণা দেন। এর পর থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার ৫৬০ বর্গফুট আয়তনের ফাঁকা এই মার্কেটটি করোনা আইসোলেশন সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। এবার রূপান্তরিত হলো হাসপাতালে। জানা গেছে, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী এটি পরিচালনা করবে। অন্যদিকে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ৫০০ চিকিৎসক, ৭০০ নার্স ও ৭০০ স্টাফ এবং ওষুধ-সরঞ্জাম দিয়ে সহায়তা করবে।