admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল, ২০২১ ১২:২৬ অপরাহ্ণ
রেড্ডিউ নিঙ্গদার, স্টাফ রিপোটার ইন্দোনেশিয়াঃ মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির বলেছেন স্বৈরাচারী আচারণ করছে সরকার। মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মুহাম্মদ করোনা পরিস্থিতিতে দেশটির জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) ন্যাশনাল প্যালেসে (রাজপ্রাসাদ) এ দাবি জানিয়ে তিনি একটি পিটিশন দায়ের করেন বলে খবর জানাগেছে।মাহাথির মুহাম্মদের অভিযোগ, করোনা প্রতিরোধের নামে জরুরি অবস্থা যেভাবে চলছে, তা মালয়েশিয়াকে স্বৈরাচারে পরিণত করবে। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে গত জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিনের পরামর্শে মালয়েশিয়ায় রাজা এ জরুরি অবস্থা জারি করেন। সে সময় পার্লামেন্টও স্থগিত করা হয়।

পরে ক্ষমতাসীন জোটের শরিকরা অভিযোগ করেন, করোনা সংকটে রাজাকে কাজে লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার দুর্বলতা ঢাকতে চাইছেন। জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের পক্ষে ৩৯ হাজার স্বাক্ষর জোগাড় করে কুয়ালালামপুরে রাজপ্রাসাদে জমা দেন মাহাথির। তার এ দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে দেশটির বিরোধী রাজনীতিকরা বলেছেন, জরুরি অবস্থা মালয়েশিয়ার অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে; বহির্বিশ্বে দেশটির গণতান্ত্রিক মর্যাদা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
রাজপ্রাসাদে আবেদন জমা দেওয়ার আগে মাহাথির সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে সতর্ক করে বলেন, ‘এভাবে জরুরি অবস্থা জারি রাখা আইনের শাসনের পরিপন্থী এবং এটি প্রমাণ করে দেশটি চলছে ডিক্রির মাধ্যমে। ১৯৮১ থেকে ২০০৩ এবং ২০১৮ থেকে ২০২০ পর্যন্ত মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকা মাহাথির বলেন, ‘জনগণ সংসদের মাধ্যমে তার গণতান্ত্রিক বক্তব্য দিয়ে থাকে। কিন্তু সংসদই এখন বন্ধ। এমন সরকার ব্যবস্থাকে আমরা একটি নামই দিতে পারি, তাহলো স্বৈরতান্ত্রিক সরকার।
মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মুহাম্মদ করোনা পরিস্থিতিতে দেশটির জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) ন্যাশনাল প্যালেসে (রাজপ্রাসাদ) এ দাবি জানিয়ে তিনি একটি পিটিশন দায়ের করেন বলে খবর দিয়েছে। মাহাথির মুহাম্মদের অভিযোগ, করোনা প্রতিরোধের নামে জরুরি অবস্থা যেভাবে চলছে, তা মালয়েশিয়াকে স্বৈরাচারে পরিণত করবে। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে গত জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিনের পরামর্শে মালয়েশিয়ায় রাজা এ জরুরি অবস্থা জারি করেন। সে সময় পার্লামেন্টও স্থগিত করা হয়।
পরে ক্ষমতাসীন জোটের শরিকরা অভিযোগ করেন, করোনা সংকটে রাজাকে কাজে লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার দুর্বলতা ঢাকতে চাইছেন। জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের পক্ষে ৩৯ হাজার স্বাক্ষর জোগাড় করে কুয়ালালামপুরে রাজপ্রাসাদে জমা দেন মাহাথির। তার এ দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে দেশটির বিরোধী রাজনীতিকরা বলেছেন, জরুরি অবস্থা মালয়েশিয়ার অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে; বহির্বিশ্বে দেশটির গণতান্ত্রিক মর্যাদা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গত জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিনের পরামর্শে রাজা জরুরি অবস্থা জারি করেন।
তিনি আরও বলেন, জরুরি অবস্থার মাধ্যমে দুর্বল সরকার ক্ষমতায় থাকতে চায়। এটিকে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ কোনোভাবেই বলা যাবে না। দেশটির সরকার আগামী ১ আগস্ট পর্যন্ত জরুরি অবস্থা জারি রাখতে চাইছে এবং এর পক্ষে একাংশ রাজনীতিক সমর্থনও করছেন। গত বছরের মার্চে মাহাথিরের সরকার ভেঙে গেলে নির্বাচন ছাড়াই প্রধানমন্ত্রী হন মহিউদ্দিন। এরপর নির্বাচন দেওয়ার কথা থাকলেও করোনা মহামারির কারণে স্থগিত রেখেছেন তিনি।