admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৩ জানুয়ারি, ২০২১ ৮:৫৭ পূর্বাহ্ণ
উপজেলা পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিদের জায়গায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) শাসকের ভূমিকা পালন করছেন। ইউএনওদের আমলাতান্ত্রিক মনোভাবে জনপ্রতিনিধিদের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। এমনকি জনপ্রতিনিধিদের দূরে রেখে সামন্তবাদী শাসন কায়েমের ষড়যন্ত্র করছেন কর্মকর্তারা। তাদের আইন পরিপন্থী আচরণ ও কাজের জন্য মাঠ প্রশাসনে সমন্বয়হীনতা চলছে।
শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর–রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ উপজেলা পরিষদ অ্যাসোসিয়েশন। এর ব্যানারে সাংবিধানিক নির্দেশনা ও আইনানুযায়ী প্রতিষ্ঠিত প্রশাসনিক একাংশ নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ কর্তৃত্বহীন, তৃণমূলে জবাবদিহি ও শাসন বিঘ্নিত লেখা ছিল।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনটির সভাপতি হারুন-অর-রশীদ হাওলাদার বলেন, আইন অনুযায়ী ১২টি মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় ১৭টি বিভাগসহ কর্মকর্তা, কর্মচারী ও তাদের কার্যাবলি উপজেলা পরিষদে ন্যস্ত করা হয়েছে। তা আমলে না নিয়ে নানা সময়ে পরিপত্র জারি করছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর। এতে উপজেলা পর্যায়ের নানাবিধ কাজে গঠিত কমিটির ক্ষেত্রে সভাপতি করা হচ্ছে ইউএনওকে, আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তাও ইউএনও। উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুমেতি ছাড়াই সব কাজ নিয়ন্ত্রণ করছেন ইউএনও।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি থাকা সত্ত্বেও তাদের উপেক্ষা করে শাসকের দায়িত্ব পালন করছেন ইউএনওরা। প্রশাসনিক কর্মকর্তারা জনপ্রতিনিধিবিহীন জনপ্রশাসন গড়ার ষড়যন্ত্র করছে। পরিকল্পিত ছকের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি ও জনগণের অংশগ্রহণমূলক শাসনকে নষ্ট করা হচ্ছে।
এসব অভিযোগ তোলা হয় উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের পক্ষ থেকে। একই সঙ্গে বেশ কিছু দাবিও জানানো হয়। এ ছাড়া তাদের পক্ষ থেকে সরকারের বিভিন্ন বিভাগে লিখিতভাবে জানানো এবং তা আমলে না নিয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা তাচ্ছিল্য দেখাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতা এবং বিভিন্ন উপজেলার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।