admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ৭:৪২ পূর্বাহ্ণ
দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি করোনা মহামারিতেও শীর্ষে। মহামারি করোনাভাইরাসের সংকট মোকাবেলা করে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলা গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (এমজিএমসিএল) পাথর উৎপাদন ও বিক্রি সমানভাবে অব্যাহত রয়েছে। গত আট মাসে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানিটি ২২৫ কোটি টাকার উৎপাদিত পাথর বিক্রি করেছে এবং রাষ্ট্রীয় কোষাগারে তিন কোটি টাকা কর জমা দিয়েছে। উত্তর কোরিয়ার একটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির অধীনে ২০০৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উৎপাদন শুরু করা খনিটি দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত পেট্রোবাংলার একটি কোম্পানি। এটিতে ৮০০ জন স্থানীয় ও ৭০ জন রাশিয়ান শ্রমিক কাজ করেন।
জানা গেছে, করোনা মহামারির কারণে গত ২৪ মার্চ থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত সেখানে উৎপাদন বন্ধ থাকে। তবে পূর্বের উৎপাদিত পাথর বিক্রি অব্যাহত ছিল। পরবর্তীতে ১৩ আগস্ট থেকে আবারও উৎপাদন শুরু করা হয়। এ বিষয়ে এমজিএমসিএলের এমডি এবিএম কামরুজ্জামান বলেন, গত ১৩ আগস্ট থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সাড়ে তিন লাখ মেট্রিক টন পাথর উৎপাদন করা হয়েছে এবং দৈনিক এ হার প্রায় পাঁচ হাজার মেট্রিক টন। কোম্পানিটি করোনাকালীন এই সময়েও ২২৫ কোটি টাকার উৎপাদিত পাথর বিক্রি করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, মূলত এপ্রিল থেকে পাথর বিক্রি বেড়ে যায়। এখন পর্যন্ত তারা প্রায় নয় লাখ টন পাথর বিক্রি করেছেন।
‘দেশের কিছু মেগা প্রকল্প, বিশেষ করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বাংলাদেশ রেলওয়ে পদ্মা সেতু ও বঙ্গবন্ধু সেতুর রেল সংযোগ নির্মাণের জন্য এমজিএমসিএলের কঠিন পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে।এমজি এমসিএলের এমডি বলেন, দেশে পাথরের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ টন এবং তাদের কোম্পানি সহজেই ১০ লাখ টনের বেশি চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম।