হোম
আন্তর্জাতিক

রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার আদালত বাংলাদেশে স্থানান্তরের অনুরোধ।

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ৯:০৭ পূর্বাহ্ণ

রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার আদালত বাংলাদেশে স্থানান্তরের অনুরোধ-এম কে নিউজ বিডি

ফাইল ছবি

বাংলাদেশে স্থানান্তরের অনুরোধ। রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার: দ্য হেগ থেকে আদালত। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রধান কৌশুলি ফুয়াদ বেনসোদা (ডান থেকে প্রথম) রোহিঙ্গাদের হত্যা ও নির্যাতনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে যে শুনানি হবে, সেটি যেন নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগের পরিবর্তে অন্য কোন দেশে, বিশেষ করে বাংলাদেশে আদালত বসিয়ে করা হয়, সেরকম একটি আবেদন পেশ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসির সব কার্যক্রম সাধারণত চলে নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে। কিন্তু এই প্রথম এরকম কোন উদ্যোগ নেয়া হলো, যেখানে ভিক্টিম বা নির্যাতিতদের শুনানির জন্য আদালতকেই অন্য কোন দেশে বসানোর আবেদন জানানো হয়েছে।

আইসিসিতে এরকম একটি আবেদনের কথা জানা গেল এমন এক সময়, যখন মিয়ানমারের দুজন সৈন্য, যারা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে হত্যা এবং ধর্ষণের ঘটনায় সরাসরি অংশ নেয়ার কথা স্বীকার করেছেন এবং দ্য হেগে গিয়ে পৌঁছেছেন বলে খবর বেরিয়েছে। মিয়ানমারকে মানবতা বিরোধী অপরাধের অভিযোগে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর জন্য যে তদন্ত প্রক্রিয়াধীন, সেখানে এই দুটি ঘটনাকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবীরা। সম্ভাব্য দেশ বাংলাদেশঃনেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত দ্য হেগের যে বিচার আদালতে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের হত্যা-নিপীড়নের অভিযোগের শুনানি হওয়ার কথা, সেই আদালত যেন অন্য কোন দেশে বসিয়ে শুনানি করা হয়, সেরকম একটি আবেদন পেশ করা হয় গত মাসে।

আবেদনটি করেন রোহিঙ্গাদের পক্ষে কাজ করছে এমন তিনটি ‘ভিকটিম সাপোর্ট গ্রুপ‌ে’র আইনজীবীরা। তারা এমন একটি দেশে এই শুনানির অনুরোধ জানিয়েছেন, যেটি নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গাদের কাছাকাছি কোন দেশে হবে। আবেদনে দেশের কথা উল্লেখ না থাকলেও, আইসিসি এই আবেদনের অগ্রগতির যে বিবরণী প্রকাশ করেছে, তাতে এই দেশটি ‘সম্ভবত বাংলাদেশ‌‌‌’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে আইসিসির তিন নম্বর ‘প্রি ট্রায়াল চেম্বার‌’ আদালতের রেজিস্ট্রি বিভাগকে আদেশ দিয়েছে, দ্য হেগ থেকে অন্য কোন দেশ, যেমন বাংলাদেশে আদালতের কার্যক্রম সরিয়ে নেয়ার সম্ভাব্যতা যাচাই করতে। আগামী ২১শে সেপ্টেম্বরের আগেই এই সম্ভাব্যতা যাচাই করে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

কেন আদালত অন্য দেশে বসানোর উদ্যোগ। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবি আহমেদ জিয়াউদ্দীন বিবিসি বাংলাকে বলেন, অন্য দেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের শুনানির জন্য আদালত বসানোর উদ্যোগ খুবই বিরল এক ঘটনা। যেহেতু নির্যাতনের শিকার হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশেই আছেন, তাই এটি বাংলাদেশে হলে শুনানিতে তাদের সাক্ষ্য-প্রমাণ দেয়া সহজ হবে। আবেদনকারি আইনজীবীরাও এরকম যুক্তিই দিয়েছেন। সুপরিকল্পিতভাবে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ আনা হচ্ছে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে

শ্যানন রাজ সিং নামে একজন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবি এ নিয়ে একটি ব্লগে লিখেছেন, “পাখির মত উড়ে গেলে, বৃষ্টিস্নাত দ্য হেগ থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব আনুমানিক ৮,০০০ কিলোমিটার। সেখানকার শরণার্থী শিবিরে নির্যাতনের শিকার যে রোহিঙ্গারা থাকেন, তাদের জন্য এই দূরত্ব একেবারেই অনতিক্রম্য‍। এই ব্লগে তিনি আরও বলেছেন যে, আইসিসির রুল অনুযায়ী, স্বাগতিক দেশের (নেদারল্যান্ডস) বাইরে অন্য কোন দেশেও এই আদালতের কার্যক্রম চালানোর সুযোগ আছে। রোম স্ট্যাটিউটের একটি ধারা উল্লেখ করে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক আদালত প্রয়োজন অনুযায়ী কোন মামলার পুরো বা আংশিক শুনানির জন্য অন্য কোন স্থানেও বসতে পারে।

মিয়ানমারের জন্য বড় ধাক্কাঃ এ সপ্তাহে প্রকাশ পাওয়া এই দু্টি ঘটনা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের বিচারের দাবিতে যারা সোচ্চার, তাদের ভীষণভাবে উৎসাহিত করেছে। তাদের মতে, এর ফলে মিয়ানমার এখন রোহিঙ্গা গণহত্যার প্রশ্নে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) বড় ধরণের চাপের মুখে পড়তে পারে। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস এবং কানাডিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন দেশত্যাগ করা মিয়ানমারের দুই সৈনিকের অপরাধের স্বীকারোক্তির যে বিশদ বর্ণনা প্রকাশ করেছে, সেটিকে অবশ্য মানবাধিকার আইনজীবীরা খুব বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন না।

ব্রাসেলসে কর্মরত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবী আহমেদ জিয়াউদ্দীন বিবিসি বাংলাকে বলেন, নিউ ইয়র্ক টাইমস বা অন্যান্য মিডিয়ার রিপোর্টে এই দুই সৈনিকের যে ভিডিও টেস্টিমোনি বা স্বীকারোক্তিমূলক ভাষ্যের কথা বলা হচ্ছে, সেটার হয়তো সাধারণ মানুষের দৃষ্টিকোন থেকে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এতদিন যে অভিযোগগুলো মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে করা হচ্ছিল, তাদেরই দুজন সদস্য সেই অপরাধের কথা স্বীকার করছেন। নিশ্চুপ থেকে রোহিঙ্গা গণহত্যায় সায় দেয়ার অভিযোগ উঠেছে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচির বিরুদ্ধে

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এখনো পর্যন্ত এই দু্ই সৈনিকের ব্যাপারে কোন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। প্রসিকিউটরের অফিস থেকেও কিন্তু বলা হয়নি এরকম দুজন সৈনিক তাদের তত্ত্বাবধানে আছে। যদি এই খবর সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের তদন্তে হয়তো এই দুই সৈনিকের ঘটনা একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এর ফলে মিয়ানমারের বিপদে পড়ার সম্ভাবনা আছে। এটা একদিক থেকে খুবই ভালো খবর। কিন্তু নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্টে যে ভিডিও সাক্ষ্যের কথা বলা হচ্ছে, সেটার

কি কোন মূল্য আছে?
আহমেদ জিয়াউদ্দীন বলছেন, ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট বা আইসিসির কাছে এই সাক্ষ্যের কোন মূল্য সেভাবে নেই। এর প্রথম কারণ হচ্ছে, আইসিসি নিজেই এখনো মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত করছে। সেই তদন্ত এখনো প্রক্রিয়াধীন আছে। তদন্ত চলাকালে আইসিসি বিভিন্ন সূত্র থেকে বিভিন্ন তথ্য পেতে পারে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের যে রিপোর্টটির কথা বলা হচ্ছে, সেখানে দুজন সৈনিকের যে বিবরণ প্রকাশিত হয়েছে, আইসিসির তদন্তকারীরা সেসব তথ্যকে কেবল অতিরিক্ত কিছু তথ্য হিসেবে গণ্য করবেন। এর চেয়ে বেশি কিছু করার নেই।

কারণ কেউ যদি কোন অপরাধ স্বীকার করতে চান, সেটা আইসিসির আইন বা নিয়ম অনুসরণ করে হতে হবে। আর এই কাজটা কেবল মাত্র আইসিসির প্রসিকিউটর বা তদন্ত কর্মকর্তাই করতে পারেন। অন্য কারও কাছে দেয়া স্বীকারোক্তি, সেটা বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কাছেই হোক, বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষের কাছে হোক, আইসিসির এখন যে তদন্ত চলছে, এর চেয়ে বেশি কোন মূল্য তাদের কাছে আছে বলে আমার মনে হয় না। আমরা যারা মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত এসব অপরাধের বিচার চাচ্ছি, তাদের কাছে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বলতে পারি, এতদিন মিয়ানমারের বিরুদ্ধে যেসব কথা বলা হচ্ছিল, এটা তার প্রমাণ। এটা আমাদের কাছে প্রমাণ বলে মনে হতে পারে, কিন্তু আইসিসির কাছে এটা কোন প্রমাণ নয়।

কিন্তু কথিত দুই সৈনিক যদি আইসিসির কাছে একই সাক্ষ্য দেন তখন কী হবে?
আহমেদ জিয়াউদ্দীন বলেন, এই দুই সৈনিক যদি আদালতের কর্মকর্তাদের কাছে একই সাক্ষ্য দেন, তাহলে সেটার অনেক মূল্য থাকবে। তবে আইসিসির তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে তারা যদি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়, শুধু দিলেই হবে না, তার সঙ্গে প্রমাণও দিতে হবে। তাহলে এটি গুরুত্বপূণৃ ভূমিকা রাখবে এবং আইসিসির বিচারকরা এসব কিছু বিবেচনা করবে। এই সৈনিকরা নিজেরাই তাদের অপরাধের কথা স্বীকার করছেন বলে দাবি করা হচ্ছে, কাজেই তাদের কি করা হবে? লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে আহমেদ জিয়াউদ্দীন বলেন, এই সৈনিকদের আসামী করা হবে, নাকি তাদের সাক্ষী বানানো হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন তদন্ত কর্মকর্তারা। এক্ষেত্রে তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে বিবেচ্য বিষয় হবে, সত্য উদঘাটন বা ঘটনার সুবিচার নিশ্চিত করা। তবে তিনি বলেন, এই দুজন সৈনিক মনে হচ্ছে খুবই নিম্নপদস্থ। সাধারণত যারা ফুট সোলজার’ বা সামনের কাতারের সৈনিক, তাদের খুব কম ক্ষেত্রেই আসামী করা হয়।

আইসিসির আইনে আসামী করা হয় তাদেরই, যার সর্বোচ্চ দায়িত্ব আছে, ‍’দ্য পার্সন উইথ হাইয়েস্ট ক্রিমিনাল রেসপন্সিবিলিটি’। সেখান থেকেই শুরু হয় আইসিসির প্রক্রিয়া। যারা এর পরিকল্পনা করেছে তাদের, যারা এটি কার্যকর করেছে, বাস্তবায়ন করেছে, তাদের। এর মাঝে যারা আছেন, তাদের যে ধরা হবে না তা নয়, একমাত্র আইসিসি সিদ্ধান্ত নেবে এদের প্রসিকিউশন করা হবে কি হবে না। তিনি বলেন, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত হবে প্রসিকিউশনের জন্য। এই লোকগুলোকে সাক্ষী হিসেবে আনা হবে, নাকি অভিযুক্ত হিসেবে দাঁড় করানো হবে, এটা প্রসিকিউটর সিদ্ধান্ত নেবেন।

আহমেদ জিয়াউদ্দীন বলেন, আইসিসিতে এসে বা আইসিসির প্রসিকিউটরদের কাছে এরকম সাক্ষ্য দেয়ার ঘটনা অতীতেও ঘটেছে। কারণ ফুট সোলজার যারা থাকে, তারা তথ্যের গুরুত্বপূর্ণ উৎস যে কোন প্রসিকিউশন বা ইনভেস্টিগেশনের জন্য। তিনি বলেন, এরকম সাক্ষী দিতে আসা লোকজন যদিও নিজেরাই দোষী, তাদের কি করা হবে, সেই বিবেচনা প্রসিকিউটরকে করতে হবে। তারা দেখবে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে, এদের বিচার করা ভালো হবে নাকি তাদের কাছ থেকে তথ্য আদায় করে আরও বড় বড় যারা আছেন, যাদের দায়িত্ব অনেক বেশি, তাদেরকে শাস্তি দেয়া ভালো।লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। আহমেদ জিয়াউদ্দীন বলেন, এই সৈনিকদের আসামী করা হবে, নাকি তাদের সাক্ষী বানানো হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন তদন্ত কর্মকর্তারা। এক্ষেত্রে তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে বিবেচ্য বিষয় হবে, সত্য উদঘাটন বা ঘটনার সুবিচার নিশ্চিত করা। তবে তিনি বলেন, এই দুজন সৈনিক মনে হচ্ছে খুবই নিম্নপদস্থ। সাধারণত যারা ফুট সোলজার’ বা সামনের কাতারের সৈনিক, তাদের খুব কম ক্ষেত্রেই আসামী করা হয়।

“আইসিসির আইনে আসামী করা হয় তাদেরই, যার সর্বোচ্চ দায়িত্ব আছে, ‍’দ্য পার্সন উইথ হাইয়েস্ট ক্রিমিনাল রেসপন্সিবিলিটি’। সেখান থেকেই শুরু হয় আইসিসির প্রক্রিয়া। যারা এর পরিকল্পনা করেছে তাদের, যারা এটি কার্যকর করেছে, বাস্তবায়ন করেছে, তাদের। এর মাঝে যারা আছেন, তাদের যে ধরা হবে না তা নয়, একমাত্র আইসিসি সিদ্ধান্ত নেবে এদের প্রসিকিউশন করা হবে কি হবে না। তিনি বলেন, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত হবে প্রসিকিউশনের জন্য। এই লোকগুলোকে সাক্ষী হিসেবে আনা হবে, নাকি অভিযুক্ত হিসেবে দাঁড় করানো হবে, এটা প্রসিকিউটর সিদ্ধান্ত নেবেন। আহমেদ জিয়াউদ্দীন বলেন, আইসিসিতে এসে বা আইসিসির প্রসিকিউটরদের কাছে এরকম সাক্ষ্য দেয়ার ঘটনা অতীতেও ঘটেছে। কারণ ফুট সোলজার যারা থাকে, তারা তথ্যের গুরুত্বপূর্ণ উৎস যে কোন প্রসিকিউশন বা ইনভেস্টিগেশনের জন্য। তিনি বলেন, এরকম সাক্ষী দিতে আসা লোকজন যদিও নিজেরাই দোষী, তাদের কি করা হবে, সেই বিবেচনা প্রসিকিউটরকে করতে হবে। তারা দেখবে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে, এদের বিচার করা ভালো হবে নাকি তাদের কাছ থেকে তথ্য আদায় করে আরও বড় বড় যারা আছেন, যাদের দায়িত্ব অনেক বেশি, তাদেরকে শাস্তি দেয়া ভালো। লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে

আহমেদ জিয়াউদ্দীন বলেন, এই সৈনিকদের আসামী করা হবে, নাকি তাদের সাক্ষী বানানো হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন তদন্ত কর্মকর্তারা। এক্ষেত্রে তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে বিবেচ্য বিষয় হবে, সত্য উদঘাটন বা ঘটনার সুবিচার নিশ্চিত করা। তবে তিনি বলেন, এই দুজন সৈনিক মনে হচ্ছে খুবই নিম্নপদস্থ। সাধারণত যারা ফুট সোলজার’ বা সামনের কাতারের সৈনিক, তাদের খুব কম ক্ষেত্রেই আসামী করা হয়। আইসিসির আইনে আসামী করা হয় তাদেরই, যার সর্বোচ্চ দায়িত্ব আছে, ‍’দ্য পার্সন উইথ হাইয়েস্ট ক্রিমিনাল রেসপন্সিবিলিটি’। সেখান থেকেই শুরু হয় আইসিসির প্রক্রিয়া। যারা এর পরিকল্পনা করেছে তাদের, যারা এটি কার্যকর করেছে, বাস্তবায়ন করেছে, তাদের। এর মাঝে যারা আছেন, তাদের যে ধরা হবে না তা নয়, একমাত্র আইসিসি সিদ্ধান্ত নেবে এদের প্রসিকিউশন করা হবে কি হবে না। তিনি বলেন, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত হবে প্রসিকিউশনের জন্য। এই লোকগুলোকে সাক্ষী হিসেবে আনা হবে, নাকি অভিযুক্ত হিসেবে দাঁড় করানো হবে, এটা প্রসিকিউটর সিদ্ধান্ত নেবেন।

আহমেদ জিয়াউদ্দীন বলেন, আইসিসিতে এসে বা আইসিসির প্রসিকিউটরদের কাছে এরকম সাক্ষ্য দেয়ার ঘটনা অতীতেও ঘটেছে। কারণ ফুট সোলজার যারা থাকে, তারা তথ্যের গুরুত্বপূর্ণ উৎস যে কোন প্রসিকিউশন বা ইনভেস্টিগেশনের জন্য। তিনি বলেন, এরকম সাক্ষী দিতে আসা লোকজন যদিও নিজেরাই দোষী, তাদের কি করা হবে, সেই বিবেচনা প্রসিকিউটরকে করতে হবে। তারা দেখবে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে, এদের বিচার করা ভালো হবে নাকি তাদের কাছ থেকে তথ্য আদায় করে আরও বড় বড় যারা আছেন, যাদের দায়িত্ব অনেক বেশি, তাদেরকে শাস্তি দেয়া ভালো।লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে । আহমেদ জিয়াউদ্দীন বলেন, এই সৈনিকদের আসামী করা হবে, নাকি তাদের সাক্ষী বানানো হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন তদন্ত কর্মকর্তারা। এক্ষেত্রে তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে বিবেচ্য বিষয় হবে, সত্য উদঘাটন বা ঘটনার সুবিচার নিশ্চিত করা। তবে তিনি বলেন, এই দুজন সৈনিক মনে হচ্ছে খুবই নিম্নপদস্থ। সাধারণত যারা ফুট সোলজার’ বা সামনের কাতারের সৈনিক, তাদের খুব কম ক্ষেত্রেই আসামী করা হয়।

আইসিসির আইনে আসামী করা হয় তাদেরই, যার সর্বোচ্চ দায়িত্ব আছে, ‍’দ্য পার্সন উইথ হাইয়েস্ট ক্রিমিনাল রেসপন্সিবিলিটি’। সেখান থেকেই শুরু হয় আইসিসির প্রক্রিয়া। যারা এর পরিকল্পনা করেছে তাদের, যারা এটি কার্যকর করেছে, বাস্তবায়ন করেছে, তাদের। এর মাঝে যারা আছেন, তাদের যে ধরা হবে না তা নয়, একমাত্র আইসিসি সিদ্ধান্ত নেবে এদের প্রসিকিউশন করা হবে কি হবে না। তিনি বলেন, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত হবে প্রসিকিউশনের জন্য। এই লোকগুলোকে সাক্ষী হিসেবে আনা হবে, নাকি অভিযুক্ত হিসেবে দাঁড় করানো হবে, এটা প্রসিকিউটর সিদ্ধান্ত নেবেন। আহমেদ জিয়াউদ্দীন বলেন, আইসিসিতে এসে বা আইসিসির প্রসিকিউটরদের কাছে এরকম সাক্ষ্য দেয়ার ঘটনা অতীতেও ঘটেছে। কারণ ফুট সোলজার যারা থাকে, তারা তথ্যের গুরুত্বপূর্ণ উৎস যে কোন প্রসিকিউশন বা ইনভেস্টিগেশনের জন্য। তিনি বলেন, এরকম সাক্ষী দিতে আসা লোকজন যদিও নিজেরাই দোষী, তাদের কি করা হবে, সেই বিবেচনা প্রসিকিউটরকে করতে হবে। তারা দেখবে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে, এদের বিচার করা ভালো হবে নাকি তাদের কাছ থেকে তথ্য আদায় করে আরও বড় বড় যারা আছেন, যাদের দায়িত্ব অনেক বেশি, তাদেরকে শাস্তি দেয়া ভালো। লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে

আহমেদ জিয়াউদ্দীন বলেন, এই সৈনিকদের আসামী করা হবে, নাকি তাদের সাক্ষী বানানো হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন তদন্ত কর্মকর্তারা। এক্ষেত্রে তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে বিবেচ্য বিষয় হবে, সত্য উদঘাটন বা ঘটনার সুবিচার নিশ্চিত করা। তবে তিনি বলেন, এই দুজন সৈনিক মনে হচ্ছে খুবই নিম্নপদস্থ। সাধারণত যারা “ফুট সোলজার’ বা সামনের কাতারের সৈনিক, তাদের খুব কম ক্ষেত্রেই আসামী করা হয়। আইসিসির আইনে আসামী করা হয় তাদেরই, যার সর্বোচ্চ দায়িত্ব আছে, ‍’দ্য পার্সন উইথ হাইয়েস্ট ক্রিমিনাল রেসপন্সিবিলিটি’। সেখান থেকেই শুরু হয় আইসিসির প্রক্রিয়া। যারা এর পরিকল্পনা করেছে তাদের, যারা এটি কার্যকর করেছে, বাস্তবায়ন করেছে, তাদের। এর মাঝে যারা আছেন, তাদের যে ধরা হবে না তা নয়, একমাত্র আইসিসি সিদ্ধান্ত নেবে এদের প্রসিকিউশন করা হবে কি হবে না। তিনি বলেন, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত হবে প্রসিকিউশনের জন্য। এই লোকগুলোকে সাক্ষী হিসেবে আনা হবে, নাকি অভিযুক্ত হিসেবে দাঁড় করানো হবে, এটা প্রসিকিউটর সিদ্ধান্ত নেবেন।

আহমেদ জিয়াউদ্দীন বলেন, আইসিসিতে এসে বা আইসিসির প্রসিকিউটরদের কাছে এরকম সাক্ষ্য দেয়ার ঘটনা অতীতেও ঘটেছে। কারণ ফুট সোলজার যারা থাকে, তারা তথ্যের গুরুত্বপূর্ণ উৎস যে কোন প্রসিকিউশন বা ইনভেস্টিগেশনের জন্য। তিনি বলেন, এরকম সাক্ষী দিতে আসা লোকজন যদিও নিজেরাই দোষী, তাদের কি করা হবে, সেই বিবেচনা প্রসিকিউটরকে করতে হবে। তারা দেখবে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে, এদের বিচার করা ভালো হবে নাকি তাদের কাছ থেকে তথ্য আদায় করে আরও বড় বড় যারা আছেন, যাদের দায়িত্ব অনেক বেশি, তাদেরকে শাস্তি দেয়া ভালো।

মতামত জানান :

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

সর্বশেষ খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত।
রংপুর 52 minutes আগে

মালয়েশিয়া জোহরবারুতে বৈধ কাগজ ছাড়াই স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস রত বাংলাদেশি
আন্তর্জাতিক 8 hours আগে

তারেক রহমানের মামা সাঈদ ইস্কান্দারের ভায়রা মাসুদই  কোকোর লান্সে আঘাত
অপরাধ 19 hours আগে

সুনামগঞ্জে একটি সুইস গেটের অভাবে প্রতি বছর ৫শ একর জমির
জনদুর্ভোগ 20 hours আগে

নওগাঁর সাপাহারে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।
রাজশাহী 1 day আগে

সামনের দিনে তেল ও জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যেতে পারে –
রংপুর 2 days আগে

সুনামগঞ্জে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মানে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ।
আইন-বিচার 2 days আগে

পঞ্চগড়ে চাষ হচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকার সুপার ফুড ‌কিনোয়া
অর্থনীতি 2 days আগে

সান্তাহারে ২য় স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে।
অপরাধ 2 days আগে

নওগাঁর সাপাহারে এক অসহায় পরিবারে জেলা পুলিশের মানবিক সহায়তা।
রাজশাহী 2 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক