admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই, ২০২০ ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
জে.এম.রোজালিন, স্টাফ রির্পোটার ফিলিপিন্সঃ মালয়েশিয়ায় আবারো রোহিঙ্গা শরণার্থী বোঝাই নৌকাডুবি, ২৪ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা থাইল্যান্ডেরকাছে মালয়েশিয়ার উত্তরাঞ্চলের উপকূলে রোহিঙ্গা শরণার্থী বোঝাই একটি নৌকা ডুবে অন্তত ২৪ জন মারা গেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঐ নৌকার যাত্রীদের মধ্যে বেঁচে যাওয়া একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে মালয়েশিয়ার উত্তরাঞ্চলের কেদাহ এবং পেরলিস কোস্টগার্ডের প্রধান মোহাম্মদ জাওয়াউই আবদুল্লাহর বরাত দিয়ে ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ান, কাতার-ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরাসহ মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের বেশ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম খবর প্রকাশ করেছে।
মোহাম্মদ জাওয়াউই আবদুল্লাহ সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, “পুলিশের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, যে অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে তিনি আরো ২৪ জনসহ একটি নৌকায় ছিলেন। নৌকা থেকে নেমে সাঁতরে তীরে পৌছান তিনি।কোস্টগার্ড প্রধানের বরাত দিয়ে জানানো হয়, আটক করা ব্যক্তির নাম নুর হোসেন। তার বয়স ২৭। কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে দু’টি নৌকা ও একটি বিমানের মাধ্যমে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে, তবে আরেকজন কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন এখন পর্যন্ত কোনো মরদেহ বা নৌকাডুবি থেকে বেঁচে যাওয়া কাউকে পাওয়া যায়নি।
থাইল্যান্ড ঘেঁষা মালয়েশিয়ার উপকূলে অভিবাসন প্রত্যাশী রোহিঙ্গা বোঝাই একটি নৌকা ডুবে অন্তত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা করা হচ্ছে। নৌকাটি থেকে সাঁতরে উপকূলে পৌঁছাতে পারা এক রোহিঙ্গা যুবকের বরাত দিয়ে দেশটির কোস্ট গার্ড সূত্র এমনটাই জানিয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি। মালয়েশিয়ার উত্তরাঞ্চলের কেদাহ ও পেরলিস রাজ্যের কোস্ট গার্ড প্রধান মোহামাদ জাওয়াউই আবদুল্লাহ রোববার জানান, সাঁতরে লাংকাউই দ্বীপের তীরে পৌঁছানোর পর ওই রোহিঙ্গা যু্বককে আটক করে পুলিশ। তার নাম নুর হোসেন, বয়স ২৭।
পুলিশ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে এএফপিকে জাওয়াউই আবদুল্লাহ বলেন, পুলিশের তথ্যানুযায়ী, এই অবৈধ রোহিঙ্গা আরও ২৪ জনের সঙ্গে নৌকা থেকে লাফ দিয়েছিল। সেই কেবল সাঁতরে নিরাপদে তীরে পৌঁছাতে পেরেছে। এ ঘটনা জানার পর অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালানো হয়েছে। কিন্তু আরেকজন কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, কোনো মৃতদেহ বা জীবিত কাউকে পাননি তারা। নৌকাটির ভাগ্যে কী ঘটেছে তা পরিষ্কার নয়।
বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠের মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের বিদেশে পাড়ি জমানোর ক্ষেত্রে ইন্দোনেশিয়া ও পার্শ্ববর্তী মালয়েশিয়া পছন্দের ঠিকানা। কিন্তু করোনা ভাইরাস মহামারির প্রেক্ষাপটে এসব অবৈধ রোহিঙ্গাদের প্রবেশ থামাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মালয়েশিয়া সরকার। রোহিঙ্গাদের বেশির ভাগই মিয়ানমার বা বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে সমুদ্র পাড়ি জমায়। মৃত্যু হাতে নিয়ে প্রতিবছর বিপজ্জনক সমুদ্র পাড়ি দিয়ে অন্য দেশে পৌঁছাতে গিয়ে প্রাণ হারায় অনেক মানুষ।