admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৫ জুলাই, ২০২০ ৮:৫১ পূর্বাহ্ণ
দীর্ঘদিন ধরেই মুসলমানদের ধর্ম পালনে বাধা দিয়ে আসছে চীন। চালানো হয়েছে নির্যাতনও। এবার খ্রিস্টানদেরও ধর্ম চর্চায় বাধা দেয়া শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে চীনের আনহুই, হেবেই ও ঝেজিয়াং প্রদেশে বিভিন্ন চার্চের ধর্মীয় নিদর্শন জোরপূর্বক ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইলের খবরে বলা হয়, চীনের বিভিন্ন প্রদেশে খ্রিস্টানদের চার্চে থাকা ক্রুশ ধ্বংসের নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। খ্রিস্টান ধর্মালম্বীদের বাড়ি থেকে যীশুর ছবিও সরিয়ে ফেলার আদেশ জারি করেছে তারা।
সেই ধারাবাহিকতায় ইতোমধ্যে আনহুই, হেবেই ও ঝেজিয়াং প্রদেশে বিভিন্ন চার্চের ধর্মীয় নিদর্শন জোরপূর্বক ধ্বংস করে দিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ। চীনের কমিউনিস্ট সরকার বরাবরই বাস্তবিক চিন্তাধারার ওপর জোর দিয়ে থাকে। সে জন্যই দেশটিতে ধর্ম পালনকারীদের ওপর প্রায় সময়ই নির্যাতন নেমে আসে।
সম্প্রতি শাংশি প্রদেশের এক কর্মকর্তারা ঘোষণা দিয়েছেন, খ্রিস্টানদের বাড়িতে থাকা ধর্মীয় ছবি নামিয়ে ফেলতে হবে। পরিবর্তে সেখানে চীনের বিপ্লবী কমিউনিস্ট নেতাদের ছবি টানাতে হবে।
হুয়াইনান প্রদেশের কর্মকর্তারা স্থানীয় শিওয়ান চার্চের ক্রুশ ধ্বংস করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এর এক সপ্তাহ আগে ওই ক্রুশ নামিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছিল স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। তখন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা বাধা দেয়ার চেষ্টা করে। ঝেজিয়াং প্রদেশের ইয়োংজিয়াতেও ১০০ কর্মী ও একটি ক্রেন পাঠিয়ে চার্চের ক্রুশ ধ্বংস করা হয়েছে। এ সময় চার্চের মধ্যে ভাঙচুর এবং খ্রিস্টানদের শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।
এর আগেও মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্মের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে চীন। উইঘুর মুসলমানদের ওপর নির্যাতনেরও প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা থেকে বার বার অভিযোগ করা হয়েছে। যদিও চীন সেই অভিযোগ সবসময় অস্বীকার করে আসছে।