admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৫ জুলাই, ২০২০ ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
রেড্ডিউন নিঙ্গদার ইন্দোনেশিয়া প্রতিনিধিঃ এই নিবন্ধটি চীনে অবৈধ ইন্দোনেশিয়ান গৃহকর্মী হিসেবে চীনে চাকুরীর নামে নিয়ে যাওয়া হয় শর্ত হলো ওখানে কাজ করতে হলে তাদের যৌন চাহিদা পুরোন করতে হবে এতে তাদের ২ টি বাচ্চা হওয়ার জন্য অর্থ প্রদান করা হবে বলে শর্ত থাকে কিন্তু হয়নি।
গুয়াংঝু, কমপাস ডটকম নামের একটি পত্রিকা আছে যেখানে তারা লিখেছে – চীনে গৃহকর্মী (পি আর টি) হিসাবে কাজ করতে গেলে অনেক বড় ধরণের বেতন রয়েছে। বাসস্থান এবং ওয়ার্ক পারমিট প্রক্রিয়াও সহজ। চীনে এখন অনেক অবৈধ ভাবে বসবাস করে। এর মধ্যে একজন হচ্ছে ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক ফিত্রিকে সে সেখানে কর্মসংস্থান সংস্থা কথা উল্লেখ করে বলেছে। চীনে কাজ করতে গেলে যে লোভনীয় বেতনের কথা বলা হয়েছে তা সত্য কথা না। তিনি পরে জানতে পেরেছিলেন, এই শব্দগুলি কেবল প্রতারণা ছিল।
কারণ চীন গৃহকর্মীদের বিদেশ থেকে নিষিদ্ধ করেছিল। শুক্রবার, ১২ অক্টোবর, ২০১২ ইন্দোনেশিয়ায় ফিটরি পা রাখার শেষ দিন ছিল। এজেন্ট তার পাশর্পোট আটক রেখে ছিলো কারণে ভবিষ্যতে পাসপোর্ট বাদে তিনি চীন বৈধ ভাবে গিয়েছে সে প্রমাণ যেন না থাকে সে কারণের তার সকল কাগজ পত্র এজেন্টের কাছে রেখে দেয় এটা এক ধরণের প্রতারণা কউশল।সে কোথা থেকে এসেছে বা আনা হয়েছে সে প্রমাণ যেন না থাকে। তিনি চীনে দিনের পর দিন কঠোরতার কথা জানিয়েছেন এবং অনেক কষ্ট করেছেন। বেতন না পাওয়া থেকে শুরু করে, একজন এজেন্ট ও নিয়োগকর্তার কাছ থেকে পালিয়ে অন্য আফ্রিকার নাগরিকের দুটি সন্তানের জন্ম দেন সে জন্য তাকে নোংরা বলে ডাকা হতো।
এই ইন্দোনেশিয়ান ঘরোয়া কর্মী তিনিএখন চেষ্টা করেছেন ফিট্রি ইন্দোনেশিয়ায় ফিরে আসতে এবং তার বাবার সাথে দেখা করতে চান বলে স্বপ্ন দেখেছিলেন। ইন্দোনেশিয়ান অভিবাসী শ্রমিক ইউনিয়ন বলেছে যে ফিত্রি যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলেন তা হল অনেক ইন্দোনেশিয়ান অভিবাসী শ্রমিক (পিএমআই) এর জীবনের ছোট্ট উদাহরণ যা সরকারের তরফ থেকে দুর্বল সুরক্ষা এবং তদারকির কারণে বিদেশে অবশেষে বাস্তুচ্যুত হওয়া পর্যন্ত আটকা পড়েছে।
ইন্দোনেশিয়ান অভিবাসী শ্রমিক ইউনিয়ন বলছিলো চীনের গুয়াংজুতে রিপাবলিক অফ ইন্দোনেশিয়া কনস্যুলেট জেনারেল (কে জে আর আই) বলেছেন, ফিট্রি এবং তার দুই সন্তান প্রশাসনিক নথিপত্র শেষ করে এবং তাদের প্রাপ্ত সাজা প্রদানের পরে ইন্দোনেশিয়ায় ফিরে আসতে পারেন। তিনি বলেন কীভাবে আমি চীনে অবৈধ ভাবে কাজ করতে পারি ? শুরু করে চীনে কাজ করা একটি বড় বেতন এবং সহজ প্রক্রিয়া ইন্দোনেশিয়ার এজেন্টদের প্রলোভন ফিত্রিকে প্রলুব্ধ করে এবং চীনে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। প্রায় ২২বছর বয়সে, ফিত্রি চীন যান।
চীনে কোন কাজের ভিসা পাওয়ার সুযোগ নেই কোনও সাক্ষাতকার প্রক্রিয়া। ট্যুরিস্ট ভিসা ব্যবহারের বিষয়ে না জানার দাবি ফিত্রি করেছেন যা কেবল এক মাসের জন্য বৈধ। আমি চীনে ফ্যামিলি কার্ড আনিনি, কেটিপি। কেবল পাসপোর্ট এবং ১ হাজার চাইনিজ টাকা রেখেছি। আমার এক বছর কাজ করার চুক্তি হয়েছিল ৩,৫০০ ইউয়ান (আরপি। ১.৩ মিলিয়ন) বেতনের সাথে, ফিত্রি মুক্ত কলম ইন্দোনেশিয়ার রিপোর্টার রেড্ডিউন নিঙ্গদার বলেছেন।