admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৩ জুন, ২০২০ ৭:০৭ অপরাহ্ণ
মোঃ সেতাউররহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: ভারতের মহদীপুর রপ্তানী কারক অ্যাসোসিয়েশনের আহবানে মঙ্গলবার থেকে পুনরায় শুরু হতে যাচ্ছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর সোনামসজিদ। টানা দুইমাস ৭ দিন করোনাভাইরাসের কারণে বন্ধ থাকার পর সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। সোনামসজিদ কাস্টমসের সহকারী কমিশনার সাইফুর রহমান জানান, গত ২৫ মার্চ সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে বন্ধ হয়ে যায় পণ্য আমদানী-রপ্তানী। পরে সীমিত আকারে গত ১৫ এপ্রিল থেকে অফিস চালুর সরকারি সিদ্ধান্তের পর থেকেই বন্দর কার্যক্রম চালুর চেষ্টা হলেও ভারতীয় কর্তৃপক্ষের অনিহার কারণে সে সময় বন্দর চালুকরা সম্ভব হয়নি।
তবে গত ৩১ মে ভারতীয় রপ্তানী কারক অ্যাসেসিয়েশনের এক বার্তায় জানিয়েছে- মঙ্গলবার থেকে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। এদিকে, পানামা সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের ম্যানেজার মাইনুল ইসলাম জানান, আমরা স্বাস্থ্য বিধি মেনে বন্দর চালুর জন্য গত ১৫ এপ্রিল থেকেই প্রস্তুত আছি। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ পণ্য দিলে পানামা কর্তৃপক্ষ করোনার সর্বোচ্চ সর্তকতা বজায় রেখে বন্দর পরিচালনা করবে। গেল ৩১ মে রাতে ভারতীয় রপ্তানী কারক অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফজলুল হক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে পহেলা জুন থেকে বাংলাদেশে এ বন্দর দিয়ে পণ্য রপ্তানীর আহবান দেখানো হয়। যার অনুলিপি মালদা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সোনামসজিদ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এবংআমদানী-রপ্তানী কারক গ্রুপ অ্যাসোসিয়েশন সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে মহদীপুর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ভূপতি মন্ডল জানান, গত ২৭ এপ্রিল বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বন্দর দিয়ে আমদানীর প্তানীর শুরুর অনুরোধ জানিয়ে একটি চিঠি দেয়ার পর ভারতীয় ব্যবসায়ীরা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অনুমতি চাইতে গেলে করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউন থাকায় অনুমতি মিলেনি। তবেএবার মঙ্গলবার থেকে তারা বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানী করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, গত ২৫ মার্চ লকডাউনের পর ১৫ এপ্রিল সরকার বন্দরের কার্যক্রম সীমিত আকারে চালুর ঘোষণার সময় ভারতীয় ব্যবসায়ীরা পণ্য আমদানী করতে গিয়ে মালদা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি না পাওয়ায় আমদানী রপ্তানী শুরু করতে পারেন নি। এতে মহদীপুর স্থলবন্দরে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় আটকে পড়েছে পেঁয়াজ সহ সাড়ে ৩ হাজার পণ্যবাহী ট্রাক। পরে ৩১ মে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা আবারোপণ্য রপ্তানীর আহবানে বাংলাদেশের সোনামসজিদ স্থলবন্দর আমদানী-রপ্তানী কারক অ্যাসোসিয়েশনকে একটি চিঠি দেয়।