সূর্যাস্তের শেষে
~~~~~~~
শিপ্রা পাল।
একেকটি করে পাথর সরে গেলেও ভেতরের ভেতরে থেকে যায় আরেকটি
চেষ্টা করেও ওটিকে উপড়ে ফেলা অসম্ভব
তবুও নিজের মতো চলে
মানিয়ে নেওয়া প্রয়োজনের সীমাবদ্ধতায়।
নেতিয়ে পড়া লতাটি অবলম্বন খোঁজে
কিন্তু কৃপণ গাছটি শাখা-প্রশাখা, স্বার্থপরতায় মগ্ন
অতীতকে ভুলে ভবিষ্যতের প্রাধান্য—
সত্যিই এক আশ্চর্য প্রাসঙ্গিক দিক।
অপবিত্র উপমায় জর্জরিত পোকায় কাটা যাপন
পরগাছা পরাধীনতায় দেখে শূন্যের দিকে
নিষ্ঠুর শব্দ সমূহের কাছে পরাজিত
দীর্ঘশ্বাস নীরব চোখে প্রায়শ্চিত——।
আর ওঠে দাঁড়াতে পারে না লতাটি
মেরুদণ্ড ভেঙে যাওয়া পরজীবী তলিয়ে
ডুবে যায়, মৃত্যুকে ছুঁয়ে অ-প্রেমের প্রশ্নে
বারবার ঈশ্বরের কাছে যতিচিহ্নে।
হেরে গিয়ে সব এলোমেলো
বাঁচার মানেটা মলিন, তুচ্ছ
হীনতার দুর্বলতা, সংস্কারের প্রতিপালনে উপহাস
খুঁজে পাওয়া যায় না তলানির নাগাল।
সূর্যাস্তের শেষে পালকে শুধু যন্ত্রণা
পথহারা পথিক দেখে
উঁচু গাছটি আত্ম পরিচয় ছড়িয়ে দেয় দম্ভে
কিন্তু ভুলেও ভুল করে না, আবেগ সস্তা দরে বিকোয়!!!
“শিপ্রা পাল। পশ্চিম বঙ্গ।”