admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৭ মে, ২০২১ ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ
রাজধানী ঢাকায় চলাচলের ক্ষেত্রে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে নগরবাসী। প্রায় প্রতিনিয়তই রাজধানী ঢাকায় চলাচলের ক্ষেত্রে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে নগরবাসী। বিশেষ করে, ছিনতাইয়ের ঘটনা নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন ঘটনাও অনেক ঘটছে যে, রিকশায় যাওয়ার সময় টান দিয়ে ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এতে রিকশা থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত, এমনকি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে। এই অবস্থায় নগরবাসীর চলাচল তথা ঢাকাকে একটি নিরাপদ রাজধানীতে পরিণত করতে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। আজ রোববার ডিএমপির মিডিয়া উইং থেকে নগরবাসীকে পরামর্শগুলো দেওয়া হয়েছে।
ডিএমপির ৮ দফা পরামর্শ হলো-
১. রিকশায় করে কোথাও যাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাগ কোলে রাখবেন না। কারণ ছিনতাইকারী মোটরসাইকেল কিংবা গাড়িতে করে এসে ব্যাগ ধরে হ্যাঁচকা টান দিতে পারে। এতে রিকশা থেকে পড়ে গিয়ে আপনি শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারেন। তাই ব্যাগ থাকলে তা দুই যাত্রীর মধ্যখানে রাখুন। রিকশায় একা থাকলে ব্যাগ নিরাপদে রাখবেন। এ ছাড়া রিকশায় চলাচলের ক্ষেত্রে হুড তুলে রাখবেন।
২. অনুমোদিত কোনো রাইড শেয়ারিংয়ের যানবাহনে চলাচল করুন। অনুমোদনবিহীন কোনো যানবাহনে যাতায়াত করবেন না।
৩. অপরিচিত কোনো এক বা একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে মাইক্রোবাস কিংবা প্রাইভেটকারে যাতায়াত করা থেকে বিরত থাকুন। কোনো গাড়িতে উঠার আগে সম্ভব হলে গাড়ির নম্বর টুকে রাখুন এবং নম্বরটি নিজস্ব কারো কাছে দিয়ে রাখুন।
৪. গলিপথ অথবা নির্জন রাস্তা দিয়ে একা চলাচল করা থেকে বিরত থাকুন। বিশেষ করে, খুব ভোরে রাস্তায় একা চলাচল করা থেকে বিরত থাকুন।
৫. রাতে অন্ধকারাচ্ছন্ন পথ থেকে আলোকিত পথ অধিকতর নিরাপদ। তাই আলোকিত পথে চলাচলের চেষ্টা করুন।
৬. কোনো যানবাহনে উঠলে ওয়ালেট বা মোবাইল ফোন প্যান্টের পেছনের পকেটে না রেখে সামনের পকেটে রাখুন। কারণ পেছনের পকেট নিরাপদ নয়। মোবাইলটি হাতেও রাখতে পারেন। এতে ছিনতাইকারীরা সহজে তা ছিনিয়ে নিতে পারবে না।
৭. সর্বদা নিজের মোবাইল ফোন অথবা মানিব্যাগে থানার মোবাইল নম্বর সংরক্ষণ করুন, যাতে জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত পুলিশের সাহায্য নিতে পারেন।
৮. নিজের কাছে থানার মোবাইল নম্বর না থাকলে ৯৯৯ জরুরি সেবায় ফোন করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় পুলিশি সেবা নিতে পারেন।
ডিএমপির মিডিয়া উইংয়ের পক্ষ থেকে আরো বলা হয়, আসন্ন যেকোনো বিপদের হাত থেকে বাঁচতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার পাশাপাশি আপনার নিজের সচেতনও দরকার। তাই আপনার নগরীকে নিরাপদ রাখতে সব সময় আপনার পাশেই রয়েছে ডিএমপি। আপনিও সচেতন হোন।