admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর, ২০২১ ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ
মধ্যবিত্তদের মাথায় হাত, ফের বাড়ছে সয়াবিনের দাম। বাংলাদেশের অনেক এমপি মন্ত্রীরা ব্যবসার সাথে জড়িত এফবিবিসিয়ায়ের নেতা। তাই সাধারণ মানুষের কথা না ভেবে নানান বাহানা বানিয়ে নিত্যপণ্যের দাম হু হু করে বাড়াচ্ছেন। করোনাকালে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আকাশ ছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধির মধ্যেই আবারো বাড়ছে ভোজ্যতেলের দাম। এবার বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলে লিটারে ৭ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এই প্রস্তাব করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রণালয়ের আমদানি ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। তার নেতৃত্বে নিত্যপণ্যের মজুত পরিস্থিতি, আমদানি ও দাম নির্ধারণ নিয়ে বৈঠকটি হয় এদিন।
এতে অংশ নেন ভোজ্যতেল উৎপাদন ও বিতরণকারী কোম্পানিগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তারা। এখন প্রস্তাবটিতে বাণিজ্যমন্ত্রী ও সচিবের অনুমোদন সাপেক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। বর্তমানে বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৫৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, ৭ টাকা বাড়লে ১৬০ টাকায় পৌঁছাবে।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত সচিব সফিকুজ্জামান বলেন, রিফাইনারি কোম্পানিগুলো আগেই বোতলজাত সয়াবিন তেলের লিটার ১৬৮ টাকা করার প্রস্তাব করেছিল। দীর্ঘক্ষণ আলোচনার পর আজ এটি ১৬০ টাকা ঠিক করা হয়েছে। বোতলজাত ৫ লিটারে ৭৬০ টাকা পড়বে, যা এখন আছে ৭২৮ টাকা। এ ছাড়া খোলা সয়াবিনের লিটার ১৩৬ টাকা এবং পামওয়েল তেলের লিটার ১১৯ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে সভায়।
বর্তমানে খোলা সয়াবিন ১২৯ টাকা আর পাম তেল ১১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিশ্ববাজারে দাম বাড়ায় ৮-১০ দিনের মধ্যে দাম বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে বলে জানান সফিকুজ্জামান। পেঁয়াজের বিষয়ে তিনি বলেন, বাজার অস্থির হয়ে পড়লে এক সপ্তাহে বিশেষ নজর দেয়া হয় পেঁয়াজের দিকে। আল্লাহর রহমতে পণ্যটির বাজার মোটামুটি ভালো পর্যায়ে চলে এসেছে, আর অস্থির হবে না। মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আসছে, তাতে ভারতের ওপর নির্ভরতা কমবে।