আমির হোসেন || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৯ নভেম্বর, ২০২৫ ৯:৪১ পূর্বাহ্ণ
সুনামগঞ্জ বিশ্বম্ভপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমান ভারতীয় পন্য ৫৮ বস্তা পেয়াঁজ ও ৪০ হাজার শলাকা নাসির বিড়ি আটক করা হয়েছে।
১৭ ই নভেম্বর রোজ সোমবার গভীর রাত ৪টার দিকে বিশ্বম্ভপুর থানা কর্মরত নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আকবর হোসেনের নির্দেশনায় ওসি ( তদন্ত) ওয়ালী আশরাফ খান এর নেতৃত্বে বিশ্বম্ভপুর থানার একটি অভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন।
এসময় বিশ্বম্ভরপুর থানাধীন গামাইতলা এলাকায় থেকে ছোট বড় ৫৮ বস্তা ভারতীয় পণ্য পেয়াঁজ এবং ৪০ হাজার শলাকা ভারতীয় নাসির বিড়ি আটক করেন। জানা যায় চোরা কারবারিরা রাতের আধাঁরে ভারত থেকে ভারতীয় পেয়াঁজ এবং বিড়ি পাচার করে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যায়। এমন সংবাদের ভিত্তিতে নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আকবর হোসেনের নির্দেশনায় ওসি (তদন্ত) ওয়ালী আশরাফের নেতৃত্বে এসআই মনির হোসেন, এএসআই আব্দুর রব, কনেষ্টবল অজয় দেব,রায়ফুল,সোহাগ, জুনায়েদ সহ সংঙ্গীয় ফোর্স গামাইতলা এলাকায় পুলিশি অভিযান পরিচালনা করেন।
এসময় গামাইতলা এলাকার সাবেক মেম্বার ফারুক মিয়ার বাড়ির পেছনে অজ্ঞাত ব্যাক্তি ( চোরাকারবারি) ভারতীয় পণ্য নাসির বিড়ি এবং পেয়াঁজ এনে রাখে। পুলিশের উপস্থিতি টেরপেয়ে চোরা কারবারিরা পালিয়ে যায়। এসময় পুলিশ আশপাশের জঙ্গল এবং ৩টি ঘরের পিছন হইতে ভারতীয় ছোট বড় ৫৮ বস্তা পেয়াঁজ প্রায় ১৭৫০ কেজি এবং ৪০ হাজার শলাকা ভারতীয় নাসির বিড়ি জব্দ করেন। জব্দকৃত মালামাল বিশ্বম্ভপুর থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
এব্যপারে বিশ্বম্ভপুর থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আকবর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি নতুন এসেছি, তবে আমার থানা এলাকায় ভারতীয় পার্শ্ববর্তী হওয়ায় রাতের আধাঁরে কিছু কিছু এলাকা দিয়ে ভারতীয় চোরাই পণ্য আসে এমন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করি এবং ভারতীয় পণ্য আটক করি। আটককৃত মালামাল জব্দ করা হয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে। আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
| Sun | Mon | Tue | Wed | Thu | Fri | Sat |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | |
| 7 | 8 | 9 | 10 | 11 | 12 | 13 |
| 14 | 15 | 16 | 17 | 18 | 19 | 20 |
| 21 | 22 | 23 | 24 | 25 | 26 | 27 |
| 28 | 29 | 30 | 31 | |||