admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৮ নভেম্বর, ২০২৪ ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ
ডাঃ নূরল হক,বিরামপুর দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ শস্য ভান্ডার খেত দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলায় এবার আমন আবাদে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এ মৌসুমে আমন আবাদে অনুকূল আবহাওয়া এবং কৃষকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে বিরামপুর উপজেলায় আমন আবাদ ভালো হয়েছে। দিগন্ত বিস্তৃত মাঠ জুড়ে আধা পাকা সোনালী ধানের শীষে মৌ মৌ গন্ধে ভরে উঠেছে ফসলের মাঠ।
কৃষকদের আবাদী ফসলের সোনালী ধান ক্ষেত এখন বাতাসের তালে ঢেউ খেলছে। মাঠ জুড়ে কৃষকের স্বপ্নের সোনালী ধান দুই এক জায়গায় কাটা শুরু হলেও পুরো দমে এখনো শুরু হয়নি। পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধে ভরে উঠেছে গ্রামীণ জনপদ । নতুন ধান ঘরে তোলার মহোৎসবের মেতে উঠেছে কৃষকেরা। নবান্নের হাতছানি দিচ্ছে ঘরে ঘরে ধানঘরা গ্রামের কৃষক আলতাব, মামুনুর জানান, এই অঞ্চলে স্বর্ণা- ৫ এবং জিরা কাটারি ধানের আবাদ বেশি হয়েছে।
প্রতিবিঘা জমিতে উৎপাদন খরচ প্রায় ১২ হাজার থেকে ১৩ হাজার টাকা। পোকার আক্রমণ বেশি হওয়ায় কীটনাশকে খরচ হয় বেশি। ১৬ থেকে ১৮ মন ধান উৎপাদনের আশা করছে কৃষকেরা। চাঁদপুর গ্রামের আসাদুজ্জামান জানায়, সরকার আগাম ধানের বাজার মূল্য ঘোষণা দিলেও তা আমাদের এখানে বাস্তবায়ন হয় না । এতে লাভবান হয় মধ্যসত্তভোগীরা । বাজার মূল্যের উপর নির্ভরশীল এসব কৃষকেরা হতাশায় ভোগে।
বিরামপুর উপজেলা কর্মকর্তা কমল কৃষ্ণ চন্দ্র জানান, বিরামপুর উপজেলায় এ মৌসুমে বিভিন্ন জাতের হাইব্রিড ধান ২ শত ১০ হেক্টর, বিভিন্ন জাতের উপসি ধান ১৭ হাজার ১ শত ৪৫ হেক্টর মোট ১৭ হাজার ৪ শত ৪৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদ হয়েছে। কৃষি কর্মকর্তা আশা পোষণ করেন, উল্লিখিত জমি থেকে ৫৮ হাজার ৬ শত ৩০ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হবে। এবং উক্ত ধান থেকে ৩৮ হাজার ৬ শত ৯৪ টন চাল উৎপাদনের আশা করছেন।