admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১১ জানুয়ারি, ২০২২ ১০:১০ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার ব্যাপারে ‘বিশেষ’ নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। বলা হয়েছে, করোনা প্রতিরোধী টিকা নেওয়া না হলে শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাওয়া যাবে না। ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত সব শিক্ষার্থীর টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করতে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বা মাউশি। নির্দেশনায় বলা হয়, আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রায় সব শিক্ষার্থীর টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। আজ রোববার, ৯ জানুয়ারি, মাউশির পক্ষ থেকে এই নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়।
দেশে সাম্প্রতিক সময়ে ফের বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। এ অবস্থায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা হবে নাকি বন্ধ ঘোষণা করা হবে— এমন আলোচনার মধ্যেই এই নির্দেশনা জারি করা হল। মাউশির নির্দেশনায় বলা হয়, ইতোমধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে গত ৩০ ডিসেম্বর বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী সব শিক্ষার্থীকে আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে। রাষ্ট্রের এ গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রাধিকার কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নতুন করে নির্দেশনা দেয়া হলো।
নির্দেশনায় যা বলা হয়েছেঃ
১) সব শিক্ষার্থীকে, ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী এবং নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত, ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে হবে।
২) ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনে শিক্ষার্থীদের টিকা কেন্দ্রে উপস্থিতির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নিশ্চিত করবেন। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষককেও টিকা কেন্দ্রে পাঠানো হবে, যাতে শৃঙ্খলা রক্ষা করা যায়।
৩) টিকা গ্রহণ ব্যতীত কোনো শিক্ষার্থী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
৪) ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ব্যতিরেকে সব মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অঞ্চল, জেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা টিকা কার্যক্রম চলমান অবস্থায় কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না।
৫) ভ্যাকসিনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন নিশ্চিতকরণে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় সমন্বয় করে সচেষ্ট থাকবেন। জানা যায়, নতুন এই নির্দেশনা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার সব পরিচালক, সব অঞ্চলের উপ-পরিচালক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, সরকারি ও বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, সব সরকারি ও বেসরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে এই নির্দেশনা।