admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৮ আগস্ট, ২০২১ ৯:২১ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘন্টায় আরো ২৬১ জনের মৃত্যু। স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে গত চব্বিশ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৬১ জন। গত কিছুদিন ধরে প্রায় প্রতিদিনই বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দুশোর উপরে থাকছে এবং আজ শনিবার পর্যন্ত সব মিলিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট মারা গেছে ২২ হাজার ৪১১ জন।
নতুন করে যারা মারা গেলেন তাদের মধ্যে ১৫২ জন পুরুষ আর ১০৯ জন নারী। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৮ হাজার ১৩৬ জন। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত হলো ১৩ লাখ ৪৩ হাজার ৩৯৬ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে দেয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে ১৬,৩৮৩ জন এবং এ সময়ে মোট ৩১৭১৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।
বাংলাদেশে গত ৭ই জুলাই প্রথমবারের মতো স্বাস্থ্য বিভাগ এক দিনে দুশো মানুষের মৃত্যুর খবর দিয়েছিলো। করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে বাংলাদেশে শনিবার থেকে গণ টিকাদান বা ‘ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন’ শুরু হয়েছে। ছয় দিনে ৩২ লাখ মানুষকে টিকাদানের আওতায় আনার পরীক্ষামূলক এ কার্যক্রমে অংশ নিতে দেশজুড়ে টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
বাংলাদেশে গত বছরের মার্চের আট তারিখে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার তথ্য দিয়েছিলো স্বাস্থ্য বিভাগ। এরপরের দুই মাস দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা তিন অংকের মধ্যে থাকলেও সেটা বাড়তে বাড়তে জুলাই মাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। এরপর বেশ কিছুদিন দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা কমতে কমতে এক পর্যায়ে তিনশোর ঘরে নেমে এসেছিল। তবে এবছর মার্চের শুরু থেকেই শনাক্তের সংখ্যায় ঊর্ধ্বগতি শুরু হয়।
চিকিৎসক এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, হাসপাতালগুলোর ওপর যে হারে চাপ বাড়ছে, তাতে করোনাভাইরাসের চিকিৎসা সেবা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে বাংলাদেশে শনিবার থেকে গণ টিকাদান বা ‘ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন’ শুরু হয়েছে। ছয় দিনে ৩২ লাখ মানুষকে টিকাদানের আওতায় আনার পরীক্ষামূলক এ কার্যক্রমে অংশ নিতে দেশজুড়ে টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
বাংলাদেশে গত বছরের মার্চের আট তারিখে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার তথ্য দিয়েছিলো স্বাস্থ্য বিভাগ। এরপরের দুই মাস দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা তিন অংকের মধ্যে থাকলেও সেটা বাড়তে বাড়তে জুলাই মাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।
এরপর বেশ কিছুদিন দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা কমতে কমতে এক পর্যায়ে তিনশোর ঘরে নেমে এসেছিল। তবে এবছর মার্চের শুরু থেকেই শনাক্তের সংখ্যায় ঊর্ধ্বগতি শুরু হয়। চিকিৎসক এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, হাসপাতালগুলোর ওপর যে হারে চাপ বাড়ছে, তাতে করোনাভাইরাসের চিকিৎসা সেবা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।