হোম
অর্থনীতি

বাংলাদেশে কালো টাকার নজিরবিহীন পরিমান অপ্রদর্শিত আয় বৈধ হয়েছে গত ছয় মাসে।

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ৯ জানুয়ারি, ২০২১ ১:০৮ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশে কালো টাকার নজিরবিহীন পরিমান অপ্রদর্শিত আয় বৈধ হয়েছে গত ছয় মাসে-এমকে নিউজ

ফাইল ছবি

বাংলাদেশে কালো টাকার নজিরবিহীন পরিমান অপ্রদর্শিত আয় বৈধ হয়েছে গত ছয় মাসে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর বলছে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয়মাসে ১০ হাজার ২২০ কোটি টাকা অপ্রদর্শিত আয় প্রায় সাড়ে নয়শ কোটি টাকা কর দিয়ে বৈধ করেছেন সাত হাজার ৪৪৫ জন করদাতা, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন।

কারণ পুরো অর্থবছরেও কখনো এত বিপুল পরিমাণ টাকা সাদা করার উদাহরণ নেই। অর্থবছরের নিয়মিত আয়কর আদায়ের স্বাভাবিক যে লক্ষ্যমাত্রা সেটি করোনা মহামারির কারণে অর্জিত হবে কি-না তানিয়ে অনেকেই সন্দিহান হলেও এর মধ্যেই কালো টাকা সাদা করার রেকর্ড ভঙ্গ হলো যাতে সরকারের রাজস্ব ভাণ্ডারে যোগ হলো প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব বোর্ডের আয়কর বিভাগের কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের দায়িত্বে থাকা সদস্য হাফিজ আহমেদ মুর্শেদ বলছেন, অপ্রদর্শিত আয় সম্পর্কিত আইনে পরিবর্তন এসেছে চলতি বছরের বাজেটে, যা করদাতাদের অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করতে উৎসাহিত করছে।

প্রধান ফ্যাক্টরটাই হলো আইন। আইনটা এবার করা হয়েছে। এর আগে কোনো আইনের আওতায় তারা দেখাতে পারছিলোনা। বেশ কয়েক বছর পর এ ধরণের আইন হওয়াতে তারা সাহস পাচ্ছে। কারণ আইন অনুযায়ী কোনো সংস্থা তাদের এখন আর কোন প্রশ্ন করতে পারবেনা। কিন্তু অপ্রদর্শিত আয় কর পরিশোধ করে সাদা বা বৈধ করলে অন্য কোনো সংস্থা প্রশ্ন করতে পারবেনা এমন বিধান তো আগেও ছিলো তাহলে এবার কেন বেশি টাকা সাদা হলো।

এমন প্রশ্নের জবাবে হাফিজ আহমেদ মুর্শেদ বলেন, এবার এটাকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। আবাসন খাতের সুযোগ আগেও ছিলো। কিন্তু এবার যোগ হয়েছে নগদ টাকার বিষয়। অর্থাৎ নগদ টাকাও অপ্রদর্শিত আয় দেখানো যাবে। করোনার কারণে এবার বিদেশে টাকা পাচার কম হয়েছে বলে মনে করেন গবেষকরা কিন্তু যে আইনকে রাজস্ব বোর্ড হঠাৎ করে অপ্রদর্শিত আয় সাদা করার ক্ষেত্রে প্রধান কারণ হিসেবে বর্ণনা করছে সে আইনে কি বলা হয়েছে। বা আগে যে বছরের পর পর কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া হচ্ছিলো তখনকার তুলনায় নতুন আইনে বেশি কি ধরনের সুযোগ রাখা হয়েছে যা কালো টাকা বা অপ্রদর্শিত আয়ের মালিকদের টাকা সাদা করতে উৎসাহিত করে তুলেছে?

এমন প্রশ্নের জবাবে আয়কর আইন বিশেষজ্ঞ স্নেহাশীষ বড়ুয়া বলছেন, টাকা সাদা করার যে নজিরবিহীন রেকর্ড তৈরি হয়েছে তার পেছনে আছে নজিরবিহীন দুটি সুবিধা, যা সরকার চলতি অর্থবছরের জন্য দিয়েছে। আগে ভয় কাজ করতো যে এনবি আর কে অপ্রদর্শিত আয়ের তথ্য দিলে দুদক বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ প্রশ্ন করবে। কিন্তু এবারে পূর্ণ অ্যামনেস্টি দেয়া হয়েছে যে কোনো অথরিটি কোনো প্রশ্ন করতে পারবেনা। এটাই আস্থা তৈরি করেছে অনেকের ক্ষেত্রে । আর আগে নিয়ম ছিলো যে অপ্রদর্শিত আয় থাকলে সেটার নিয়মিত কর এবং সাথে অতিরিক্ত দশ শতাংশ কর দিতে হবে। আর এবার সব মিলিয়ে মোট দশ শতাংশ করের বিধান করা হয়েছে। আর মূলত এ দুটি সুবিধার জন্য এবারে রেকর্ড পরিমাণ অপ্রদর্শিত আয় আয়কর রিটার্নে উল্লেখ করা হয়েছে চলতি বছর ডিসেম্বর পর্যন্ত। এর মধ্যে আয়কর রিটার্ন দেয়ার স্বাভাবিক সময় শেষ হয়েছে।

মিস্টার বড়ুয়া বলছেন করোনা মহামারির মধ্যে স্বাভাবিক কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা এবার অর্জিত হবেনা বলেই ধারণা করা হচ্ছে এবং সে কারণে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার মাধ্যমে সরকারের যে হাজার কোটি টাকা কর আদায় হলো সেটি সরকারকে স্বস্তি দেবে। এক হাজার কোটি টাকার মতো কর এনবিআর সংগ্রহ করতে পেরেছে এসব ইনিশিয়েটিভের কারণে। এ সম্পদ সম্পদ বিবরণীতে ঢুকে যাওয়াতে কিন্তু আর করদাতা গোপন করতে পারবেননা। এ সম্পদ থেকে আয় আসলে তাও দেখাতে হবে আবার করের ওপর সারচার্জও দিতে হবে। ফলে দীর্ঘ মেয়াদে একটা ইতিবাচক কর প্রভাব তৈরি হবে। কিন্তু কারা তাদের অপ্রদর্শিত আয়কে বৈধ করেছেন সেটি গোপনীয় তথ্য হিসেবে প্রকাশ করেনা এনবিআর। তবে তারা এটুকু বলেছে যে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করা কালো টাকা প্রায় ২২ কোটি টাকা কর দিয়ে সাদা করেছেন ২০৫ জন।

আর অপ্রদর্শিত নগদ অর্থ, ব্যাংকে জমা রাখা টাকা, ফ্ল্যাট ও জমি বৈধ করেছেন ৭ হাজার ৪৪৫ করদাতা। আর এর বিপরীতে তারা কর দিয়েছেন প্রায় ৯৪০ কোটি টাকা। অপ্রদর্শিত আয় সাদা করতে বিশেষ সুযোগ দেয়া হয়েছে এবার অর্থনীতিবিদ নাজনীন আহমেদ বলছেন, শুধু প্রশ্ন না করার সুযোগ কিংবা কর কমিয়ে দেয়া নয় বরং আরও কিছু সুযোগ দেয়া হয়েছে যার সুযোগ নিচ্ছেন কালো টাকার মালিকদের অনেকে। উৎস জিজ্ঞেস করা যাবেনা এটা মূল কারণ। কিন্তু এছাড়াও এ বছর বলা হয়েছে যে কোনো ভূমি, ফ্লাট, বাড়ি, জমি লোকেশন ও প্রতি বর্গমিটার অনুযায়ী নির্দিষ্ট কর দিয়ে সাদা করা যাবে। পাশাপাশি এফডিআর বা কোনো সঞ্চয় থাকলে তাও সাদা করা যাবে। কোনো ক্ষেত্রেই উৎস জিজ্ঞেস করা যাবেনা।

তিনি বলছেন, এমন বিধান করা হয়েছে করোনা পরিস্থিতি দেখিয়ে যে একই পেশার করদাতা নিয়মিত কর দিলে বেশি কর দিতে হচ্ছে আবার যারা কর দেননি আগে তারা এখন কম কর দিয়ে টাকা সাদা করে নিচ্ছেন। যারা বড় করদাতা তাদের কর কিন্তু ত্রিশ শতাংশে গিয়েও ঠেকে। যারা অনেক বেশি আয় করেন। একজন সৎ করদাতার কাছে এনবিআর চার্জ করবে ১৫/২০/৩০ শতাংশ। আর যিনি নিয়মিত কর দিলেন না তিনি দশ শতাংশ দিয়ে বৈধ করে নিলেন। এটা কিন্তু সৎ করদাতাকে নিরুৎসাহিত করবে।

রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর বলছে এবার অন্যদিকে তবে বাংলাদেশে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া নতুন কিছু নয়। এবার করোনা পরিস্থিতিতে বিবেচনায় নিয়ে কিছু বিশেষ সুবিধা দেয়া হয়েছে বাজেটে। বাজেটে দেয়া বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল বলেছিলেন, অন্য আইনে যাই থাকুক না কেন দশ শতাংশ কর দিয়ে অপ্রদর্শিত জমি, বিল্ডিং, ফ্ল্যাট ও এপার্টমেন্টের প্রতি বর্গমিটারে ওপর নির্দিষ্ট হারে এবং নগদ অর্থ, ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, সঞ্চয়পত্র, শেয়ার, বন্ড, বা অন্য কোনো সিকিউরিটিজের ওপর দশ শতাংশ কর প্রদান করে আয়কর রিটার্নে দেখালে অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ তা নিয়ে প্রশ্ন করতে পারবেনা। তবে এসব সুযোগ শুধুমাত্র চলতি অর্থ বছরের জন্যই দেয়া হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী সরকারের কোনো সংস্থা টাকা নিয়ে প্রশ্ন করতে পারবেনা, বাংলাদেশে কালো টাকার পরিমাণ কত তার সুনির্দিষ্ট কোনো হিসেব বা তথ্য নেই। এনবিআরের হিসেবে স্বাধীনতার পর থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে জরিমানা দিয়ে বৈধ করার মোট টাকার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার কোটি টাকা। আর দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা টিআইবির করা অদৃশ্য অর্থনীতি শীর্ষক এক গবেষণায় বেরিয়ে এসেছিলো যে, জিডিপির ১০ থেকে ৩৮ শতাংশের মধ্যে কালো টাকা ওঠানামা করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির শিক্ষক সায়মা হক বিদিশা বলছেন, এবার কালো টাকা ব্যাপকভাবে সাদা হওয়ার পেছনে নতুন আইনই একমাত্র কারণ নয়, বরং এবারে পাচারের সুযোগ তুলনামূলক কম থাকায় অনেকে টাকা কর দিয়ে সাদা করেছেন বলে মনে করেন তিনি। করোনার কারণে বিদেশে সাথে সংযোগ সেভাবে হয়নি বা ব্যাহত হয়েছে। সে কারণে এ টাকা গুলো দেশের বাইরে চলে যাওয়া বা অপ্রদর্শিত রাখা সম্ভব হয়নি অনেকের পক্ষে। তারাই দেশে এখন বিশেষ সুবিধা নিয়ে টাকা গুলো সাদা করার সুযোগ নিয়েছে। রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তা, আয়কর আইনজীবী ও কর বিশেষজ্ঞদের ধারণা বাংলাদেশে অপ্রদর্শিত আয়ের একটি বড় অংশই পেশাজীবীদের অপ্রদর্শিত আয়। যেমন চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, এনজিও খাত কিংবা এমন অনেক পেশায় চাকুরীর বাইরেও পেশাগত চর্চার মাধ্যমে অর্থ আয়ের সুযোগ আছে।

এছাড়া ঘুষ দুর্নীতি, অর্থ পাচার, নিষিদ্ধ পণ্যের ব্যবসা, আন্ডার কিংবা ওভার ইনভয়েসিং এবং জমি ক্রয় বিক্রয়ের মাধ্যমে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ কালো টাকা তৈরি হয়। সায়মা হক বিদিশা বলছেন বৈধ আয় কোনো ক্ষেত্রে হয়তো অপ্রদর্শিত আয়ে পরিণত হয়েছে কিন্তু এখন কালো টাকার বড় উৎস হলো ব্যাংক খাত আর দুর্নীতি। ব্যাংক খাতের যে ঋণ খেলাপি হয় এগুলোই সাধারণত বিদেশে চলে যায়। আরেকটা বড় ক্ষেত্রে হলো সরকার বেসরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি। এছাড়া ঠিকাদারি, ব্যবসা ও রিয়েল এস্টেট খাতেও ব্যাপক কালো টাকা তৈরি হয়েছে।

দুর্নীতিই কালো টাকার অন্যতম প্রধান উৎসঃ  আয়কর আইন নিয়ে রাজস্ব বোর্ডের সাথে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞানের শিক্ষক অধ্যাপক স্বপন কুমার বালা। তিনি অবশ্য বলছেন ব্যাংকে রাখা টাকা বা সঞ্চয়পত্র বা এফডিআর এসবের তথ্য সরকার চাইলেই এখন সহজে পেতে পারে। সে কারণে যাদের অনেকে বেশি পরিমাণে আছে তারা কোনো ঝুঁকি না নিয়ে দশ শতাংশ কর দিয়ে সাদা করে নিয়েছেন। আগে ছিলো শুধু বিল্ডিং ও ফ্ল্যাট এবং এগুলোর সাথে সম্পর্কিত জমি প্রদর্শন করে বৈধ করা যেত। কিন্তু এবার আলাদাভাবে জমির কথা বলা হয়েছে। এছাড়া নগদ, ব্যাংক আমানত, সব ধরণের সঞ্চয় ও সার্টিফিকেট কর দিয়ে সাদা করার ব্যবস্থা এবারই করা হয়েছে। ব্যাংকের আমানত বা এগুলোর তথ্য এনবিআর সহজেই ব্যাংক থেকে পেতে পারে। সেজন্যই এবার এগুলো আয়কর রিটার্নে ব্যাপকভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে।

বাংলাদেশে ২০১২-১৩ সাল থেকেই জরিমানা দিয়ে কালো টাকা সাদা করার একটা স্থায়ী নিয়ম তেরি করা হয়েছে। কিন্তু কালো টাকা বিশেষ সুযোগ দিয়ে শেয়ার বাজার বা আবাসন খাতের মতো সুনির্দিষ্ট কিছু জায়গায় এলে সেটি দেশের অর্থনীতিতে সত্যিকারভাবে কতটা ভূমিকা রাখে তা নিয়েও প্রশ্ন আছে। অর্থনীতিবিদ ফাহমিদা খাতুন বলছেন যেসব খাতে কালো টাকা আসে সেগুলো অর্থনীতিতে খুব বেশি অবদান রাখে না বলেই মনে করেন তিনি। কালো টাকা সাদা করার যে সুযোগ দেয়া হয় তাতেও খুব একটা আসেনা বা সাদা হয়না। কিছু আসলেও সেটা উৎপাদনশীল খাত বা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এমন খাতে আসে না। মূলত শেয়ার বাজার বা ফ্লাট কিংবা এপার্টমেন্ট কেনাতেই এগুলো বিনিয়োগ হয়। সেটা অর্থনীতির কতটা কাজে লাগে তা নিয়ে প্রশ্ন আছে । আর এটা সৎ করদাতাদের প্রতি অবিচার স্বরূপ। অর্থনীতিবিদ ও গবেষকরা বলছেন কালো টাকার নামে অদৃশ্য অর্থনীতির প্রভাব এড়াতে কালো টাকা তৈরির সুযোগই বন্ধ করা দরকার বলে মনে করেন তারা। একই সাথে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করতে যেসব বিশেষ সুবিধা চলতি বছর দেয়া হয়েছে সেটি অব্যাহত থাকলে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিরই ক্ষতি হবে মন্তব্য করে তারা বলেন এ ধরণের সুযোগ আর দেয়াটাই উচিত হবেনা।

মতামত জানান :

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

সর্বশেষ খবর

সাঘাটায় যৌতুকের দাবিতে শশুর–শাশুড়ী পুত্রবধূকে বটি দিয়ে জবাই করার চেষ্টা।
অপরাধ 2 hours আগে

ঠাকুরগাঁও-৩ আসনেই বিএনপি জয় পেলেও অভাবনীয় উত্থান জামায়াতের।
রংপুর 3 hours আগে

দিনাজপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য, কাচারী চত্বরে হাতাহাতি আহত ৭জন।
অপরাধ 21 hours আগে

অদৃশ্য ক্ষমতায় ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা
রংপুর 1 day আগে

পঞ্চগড়ের বোদায় ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রয় স্টোল পরিদর্শন করেন পানি
রংপুর 1 day আগে

শীর্ষ সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
জাতীয় 2 days আগে

সুনামগঞ্জে পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ,বাইরে থেকে তালা মেরে বসত ঘরে আগুন, প্রাণনাশের
অপরাধ 2 days আগে

পদোন্নতির দাবিতে উত্তাল দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড।
রংপুর 2 days আগে

দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ এজেড
রংপুর 2 days আগে

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান সেচ্ছায় বদলি নিলেল।
রংপুর 3 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক