admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৪ জানুয়ারি, ২০২২ ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন প্রয়োজনে ক্লাস বন্ধ করে দেয়ার হবে। নতুন করে করোনার সংক্রমণ বেড়ে গেলে স্কুলগুলো চালু রাখা সম্ভব নাও হতে পারে বলে গত বৃহস্পতিবার মন্তব্য করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে জন্য অনলাইন শিক্ষা প্রত্যেক ঘরে পৌঁছানোর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন তিনি। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে সিনেম্যাকিং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করেন তিনি। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় ক্লাস কমাতে হলে কমিয়ে দেব।
বন্ধ করার প্রয়োজন হলে তা-ই করব।সোমবার সন্ধ্যায় এক অনুষ্ঠানে প্রয়োজনে ক্লাস বন্ধ করে দেয়ার কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। প্রতিবেশী দেশ ভারতে করোনার সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে কয়েক জনের শরীরে ওমিক্রন শনাক্ত হলেও সংক্রমণের হার কম। তারপরেও খুব সতর্ক থাকতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। বিগত বছরে মার্চে দেশে সংক্রমণ বাড়তে দেখা গেছে উল্লেখ করে ডা. দীপু মনি বলেন, এবারও পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে, তা মার্চের আগে বোঝা যাবে না। সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ঘোষণার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, শীতে করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়। এখন থেকেই সেই প্রস্তুতিটা নিতে হবে। অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতেই হবে। কারণ সংক্রমণ কখনো বাড়ে, কখনো কমে। ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়, প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ওই বছরের ১৮ মার্চ। সংক্রমণ বাড়তে থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে ১৭ মার্চ থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধাপে ধাপে বাড়ানো হয় সেই ছুটির মেয়াদ, যা শেষ হচ্ছে গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর।