admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৩ জুন, ২০২১ ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব সম্প্রদায়কে উদ্দেশ্যে বলেছেন রোহিঙ্গারা নিরাপত্তার জন্য হুমকি। মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় বাহিনীর দ্বারা দমন-পীড়নের মুখে রাখাইনের ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। কক্সবাজারে থাকা এসব শরণার্থীকে মানবিক কারণে আশ্রয় দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার তিন দিনব্যাপী ৯ম মস্কো আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলনে দেয়া ভিডিও বার্তায় এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৪ বছর ধরে আশ্রয়ে থাকা রোহিঙ্গারা এখন বাংলাদেশসহ গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিশ্ব সম্প্রদায়ের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, বিপুল সংখ্যক শরণার্থীর দীর্ঘসময় ধরে আশ্রয়স্থল হতে পারে না এদেশ। মাতৃভূমিতে তাদের সম্মানজনক ও শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সহায়তা করুন। একটি দেশের বিভিন্ন রাজ্যের সংঘাত আন্তঃদেশীয় নিরাপত্তার জন্য সমস্যা তৈরি করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিরাপত্তার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে সামরিক হুমকি, আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণ, গণঅভিবাসন, পরিবেশের নিরাপত্তা এবং অন্যান্য অপ্রচলিত নিরাপত্তা হুমকি।
এটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার নতুন চ্যালেঞ্জ ও সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর মধ্যে রয়েছে সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থা, বিচ্ছিন্নতাবাদ, ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্র, সাইবার অপরাধ, আঞ্চলিক কোন্দল ও পরিবেশ বিপর্যয়। সন্ত্রাস ও চরমপন্থার ব্যাপারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা তুলে ধরে তিনি আশা করেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। এ সময় সাম্প্রতিক ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধবিরতির প্রশংসা করেন তিনি।
করোনা মহামারি সারা বিশ্বে লাখ লাখ প্রাণহানির পাশাপাশি বিধ্বস্ত করে দিয়েছে অর্থনীতি। সবার জনস্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রণোদনা দেয়ার মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা দেখিয়েছে বাংলাদেশ, বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়া টিকাদান কর্মসূচি, টিকা সংগ্রহ এবং টিকা উৎপাদনে ঢাকার সক্ষমতা নিয়ে কথা বলেন তিনি। বৈশ্বিকভাবে জলবায়ু সমস্যা, সবার জন্য শিক্ষা ও সব সুবিধা সরবরাহে বৈষম্য দূর করার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।