admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট, ২০২০ ৬:৫১ পূর্বাহ্ণ
দুই নারীকে উদ্ধারে সাগরে লাফ দিলেন পতুর্গালের প্রেসিডেন্ট মের্সেলো হেবেলো ডি সউসা ! সাগরে ডিঙ্গি উল্টে বিপদে পড়েছিলেন দুই নারী। কিছুতেই তারা ডিঙ্গিটি উল্টিয়ে তাতে উঠতে পারছিলেন না। এমনকি তাদের পেটে অনেক পানি চলে যায়। এই অবস্থা দেখে তাদের উদ্ধারে সাগরে নেমে পড়েন পতুর্গালের প্রেসিডেন্ট মের্সেলো হেবেলো ডি সউসা। পরে বিপদে পড়া দুই নারীকে উদ্ধারে সাহায্য করেন তিনি।
পতুর্গালের প্রেসিডেন্ট মের্সেলো হেবেলো ডি সউসা শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে পর্তুগালের আলগারবি সমুদ্রসৈকতে। ছবিতে দেখা যায়, ৭১ বছর বয়সী প্রেসিডেন্ট পানিতে পড়ে হাবুডুবু খেতে থাকা ওই দুই নারীর দিকে সাঁতরে যাচ্ছেন। তবে সেখানে আরো একজন গিয়ে উপস্থিত হন।
সংবাদ মাধ্যমকে বলছে, প্রেসিডেন্ট সউসা বর্তমানে আলগারবিতে ছুটি কাটাচ্ছেন। ঘটনার দিন তিনি যখন প্রারিয়া দ্যু আলভোর সমুদ্রসৈকতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন, তখন দেখতে পান ওই দুই নারী পাশের আরেকটি সমুদ্রসৈকত থেকে স্রোতের টানে সাগরে ভেসে যাচ্ছিল। এর পরই তিনি তাদের উদ্ধারে নেমে পড়েন। দুই নারী উদ্ধারের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন সউসা
স্থানীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, ওই এলাকার পর্যটনকে তুলে ধরতেই প্রেসিডেন্ট সউসা সেখানে অবস্থান করছেন। কারণ পর্তুগালের অর্থনীতি প্রধানত পর্যটন শিল্লের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে দেশটির পর্যটন শিল্প ভীষণ চাপে পড়েছে।
সংবাদ মাধ্যমকে বলছে, এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ওই নারীদের উদ্ধারে সহায়তা করতে প্রেসিডেন্ট সউসা সাঁতরে সাগরে যাচ্ছেন। তবে ইতোমধ্যেই ওই নারীদের সহায়তা করতে সেখানে আরেক ব্যক্তি উপস্থিত হন। আরেক ব্যক্তি জেট স্কি নিয়ে সাহায্যের জন্য সেদিকে ছুটে যান। পরে জেট স্কিতে থাকা ওই ব্যক্তিই রাবারের ডিঙ্গিটিকে তীরে নিয়ে আসতে সক্ষম হন।
পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট সাংবাদিকদের বলেন, আরেকটি সমুদ্রসৈকত থেকে ওই নারীরা এসেছে। সেখানে পশ্চিমমুখী বড় ধরনের স্রোত ছিল। এতে তারা ভেসে যায়। এমনকি তাদের ডিঙ্গিটি উল্টে যায়। ফলে তাদের পেটে চলে যায় প্রচুর পানি। তারা ডিঙ্গিটিকে উল্টাতেও পারছিল না এবং তার ওপর উঠতেও পারছিল না। আবার সাঁতারও কাটতে পারছিল না তারা। স্রোতও ছিল প্রবল। প্রেসিডেন্ট সউসা আরো জানান, আরেকজন দেশপ্রেমিক জেট স্কিতে করে এসে তাকে সাহায্য করেছেন। ভবিষ্যতে ওই নারীদের সাবধান হবারও পরামর্শ দেন তিনি।