আব্দুল্লাহ্ আল মামুন,জেলা প্রতিনিধি পঞ্চগড় || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৮:১৩ পূর্বাহ্ণ
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্য সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলার আটোয়ারী উপজেলার ধামোর ইউনিয়নের রমজান পাড়া এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, আটোয়ারী উপজেলার ধামোর ইউনিয়নের রমজানপাড়া এলাকায় শাপলা কলির শো ডাউন চলাকালে সড়কের উপর টানানো বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমিরের ধানের শীষের নির্বাচনী একটি ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে জামায়তের নেতাকর্মীরা। এতে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের কাছে জানতে চাইলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ধামোর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলামসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা আহত হয়। এদের মধ্যে ৪ জনকে আহত অবস্থায় পঞ্চগড় আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে ১১ দলীয় জোট তথা জামায়তের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, আটোয়ারী উপজেলা থেকে জনসভা শেষ করে শোডাউন করে ফেরার পথে সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে বিএনপির নেতাকর্মীরা ১৪ দলীয় নেতাকর্মীদের গতিরোধ করে তাদের উপর হামলা ও মারধর করে। এতে একজন নারীসহ বেশকয়েকজন আহত হন। আহতের মধ্যে আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জনকে ভর্তি করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
এ ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে ছুটে যান ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী সারজিস আলম। এ সময় তিনি ঘটনাস্থলে পরিদর্শনসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভ করেন এবং উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অভিযোগ করে জড়িতদের দ্রুত আটকের দাবি জানান।
অন্যদিকে রাতে পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে ভর্তি আহত নেতা কর্মীদের দেখতে যান পঞ্চগড়-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমির। তিনি বলেন, নেতাকর্মীদের উপর হামলা কখনোই কাঙ্ক্ষিত নয়। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে অভিযোগ করা হয়েছে।
আটোয়ারীর থানার অফিসার ইনচার্জ মতিয়ার রহমান জানান, সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। উভয় পক্ষের কর্মীরা আহত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
আমরা এখনো কোন পক্ষের অভিযোগ পাইনি। তবে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টহল দিচ্ছে। এর আগে পঞ্চগড়-২ আসনের বোদা উপজেলার পাঁচপীর এলাকায় বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভার মঞ্চ ও চেয়ার ভাঙচুর করে। এতে কয়েকজন আহত হয়।