সোহরাব আলী, তেঁতুলিয়া পঞ্চগড় প্রতিনিধি || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১:১২ অপরাহ্ণ
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর স্বাস্থ্য ও প,প কর্মকর্তা ডাক্তার সৈয়দ মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে স্বজন প্রীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে দুর্ব্যবহার সহ অফিসে না আসার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তিনি সপ্তাহে দুই একদিন অফিস আসেন শুধু স্বাক্ষর করেন হাজিরা খাতায় অফিসে না বসে ডক্টর কোয়ার্টারে বসেই অফিস পরিচালনা করেন বলে জানা যায়।
অপরদিকে ডাক্তার, নার্স, ওয়াড বয় সহ অন্যান্য কর্মচারীদের সাথে দুর্ব্যবহার, অকথ্য ভাষায় গালমন্দ, সহ ক্ষমতার অপব্যবহার করেই চলছেন এতে সাধারণ রোগীরা স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সরে জমিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ পরিদর্শন করতে গেলে স্বাস্থ্য ও প প কর্মকর্তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বাসায় আছেন। বাসায় বসে কম্পিউটারে অফিসের কাজ করছেন।
বাসা কোথায়? উত্তরে জানা গেল, হাসপাতালের পেছনে, ডক্টরস কোয়ার্টারে তিনি থাকেন। দেখা করতে চাইলে অপেক্ষা করতে হবে। তবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্বাস্থ্য ও প প কর্মকর্তার সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
পঞ্চগড়ে ভারত সীমান্তের এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স তুলনামূলকভাবে অনেক বড়। হাসপাতালের দুটি ভবন ছাড়াও চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ড বয়, আয়াদের থাকার জন্য পৃথক পৃথক ভবন চোখে পড়ল। অধিকাংশ ভবন ফাঁকা। আধা ঘণ্টা ঘুরে দেখা গেল, হাসপাতালটি অপরিচ্ছন্ন, বহু জায়গা অব্যবহৃত। নজরদারি নেই। অযত্ন আর অবহেলার ছাপ কমপ্লেক্সজুড়ে। বিদ্যুতের লাইন থাকলেও হাসপাতালে রোগীদের টয়লেটে উঠানামার সিঁড়ি, সাধারণ রোগীদের টয়লেট সহ অন্ধকারের নিমজ্জিত হয়ে আছে টয়লেট গুলো অপরিষ্কার এবং দুর্গন্ধের কারণে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
দুর্গন্ধ ও অপরিষ্কারের কারণে রোগীদের হাসপাতালে অবস্থান করা সম্ভব হচ্ছে না। সচেতন মহলের দাবি অনতিবিলম্বে সরে জমিনে তদন্ত করে দায়ী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।