মোক্তারুজ্জামান মোক্তার,পার্বতীপুর,দিনাজপুর প্রতিনিধি || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২:৩৫ অপরাহ্ণ
আজ ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টা ৩৫ মিনিটে বড়পুকুরিয়া মনমেলা, বিসিএমসিএস কোল মাইনিকোল মাইন কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষে১৪টি গ্রামের বাসিন্দাদের ঘরবাড়িতে সৃষ্ট ফাটলের ক্ষতিপূরণের দাবির প্রোক্ষিতে চেক বিতরণ করা হয়েছে। জানা গেছে, বিসিএমসিএল-এর ইনফ্লুয়েন্স জোনের বাইরে অবস্থিত ১৪টি গ্রামের বাসিন্দাদের ঘরবাড়িতে সৃষ্ট ফাটলের ক্ষতিপূরণ বাবদ চেক বিতরণ করা হয়।
এই অনুষ্টানের মধ্যে দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিল বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএমসিএল)। উল্লিখিত গ্রামসমূহ হলো – উত্তর কোঁয়াট, চক মাধবপুর, চৌপাড়া, নবাববাজার, দক্ষিণ রসুলপুর (ছোট), দক্ষিণ রসুলপুর (বড়), মধ্যদুর্গাপুর, কয়লাখনি বাজার, শাহাগ্রাম, হামিদপুর, বৈরাগীবাজার, বৈরাম, জব্বারপাড়া, পূর্ব জব্বারপাড়া ও কাশিয়াডাঙ্গা। দীর্ঘদিন ধরে কয়লা উত্তোলনের কারণে এসব এলাকার অনেক বসতবাড়িতে ফাটল দেখা দেয় বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এই অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন, বিসিএমসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌ. মো. শাহ আলম।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান, পেট্রোবাংলা (অতিরিক্ত সচিব) আব্দুল মান্নান,দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রফিকুল ইসলাম,পুলিশ সুপার,দিনাজপুর লুৎফর রহমানসহ বিসিএমসিএল এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন,সরকার উন্নয়নের পাশাপাশি উন্নয়নে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কল্যাণকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দেশের সম্পদ, কিন্তু এই সম্পদ আহরণ করতে গিয়ে স্থানীয় জনগণ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটি নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।
আজকের এই চেক বিতরণ ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার একটি অংশ। চেক গ্রহণকারী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এই সহায়তা তাদের পুনর্বাসন ও ঘর মেরামতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এই উদ্যোগের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলো এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও কল্যাণ নিশ্চিত করার ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।