admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৮ জুন, ২০২৪ ৬:৩৬ অপরাহ্ণ
বিশ্বজিৎ সরকার রনি, স্টাফ রির্পোটারঃ ঠাকুরগাঁও সালান্দর বড় ঈদগাঁ মাঠের জমি শর্তবিহীন দান করলেন মুক্ত কলম পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ইঞ্জি, হাসিনুর রহমান। তিনি জানান উক্ত জমির রের্কডিও মালিক সৈয়দ বদরুদ্দোজা গং এর আমার দাদা মরহুম ঈশা চৌধুরী, নানা মরহুম চৌধুরী রেজাউল কাদের ও আমার নানী মরহুমা বিবি তৈয়বা খাতুন। মরহুম ঈশা চৌধুরী তিন ছেলে ও চার মেয়ে। 
যথাক্রমে নিম্নে তলিকা দেওয়া হলোঃ মরহুম ঈশা চৌধুরী সম্পত্তির ১ ভাগ ৩ ছেলে ও ৪ মেয়ের মধ্যে ভাগ পাবে।
প্রথম সন্তানঃ বড় ছেলে মরহুম চৌধুরী আবু সাঈদ, তাঁর তিন ছেলে, মরহুম চৌধুরী শামীমুর রহমান, চৌধুরী মোঃ নাসিমুর রহমান (তপন চৌধুরী )ও চৌধুরী মোঃ মাসুদুর রহমান (সুবন চৌধুরী)।
দ্বিতীয় ছেলেঃ চৌধুরী আলী হায়দার (বেগু চৌধুরী ) তাঁর তিন ছেলে তিন মেয়ে, যথাক্রমে দিলিপ চৌধুরী, মুন চৌধুরী, প্রিন্স, তিন মেয়ে নায়না হায়দার, আসমা হায়দার ও সানজিদা হায়দার।
ঈসা চৌধুরীর তৃতীয় সন্তানঃ চৌধুরী মোঃ সেলিম (খোকা চৌধুরী ) তাঁর এক মাত্র সন্তান ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী মোঃ হাসিনুর রহমান(মিলন চৌধুরী ) উনারা ঠাকুরগাঁও জেলার স্থায়ী বাসিন্দা যাঁদের নামকরণে পাড়ার নাম হয়েছে জমিদারপাড়া। এবং তাঁদের ভারতের পশিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার রোল করশুন্ডা, বেরুগ্রাম, ইন্দাশ থানায় নিবাস আছে। স্বাধীনতা যুদ্ধ ও বাংলা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেলে এদেশে স্থায়ী ভাবে তাহের জামান চৌধুরী ও মোজাফফর চৌধুরীসহ এই ৪/৫ পরিবার থেকে যান বাকিরা ভারতবর্ষে।
মরহুম চৌধুরী রেজাউল কাদের ও মরহুমা বিবি তৈয়বা খাতুনের বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে বসবাসকারি মরহুমা চৌধুরী নার্গিস বেগম এক মাত্র সন্তান। তিনি তাঁর পিতা ও মাতার ১+১ = ২ অংশ পাবেন।
ঈসা চৌধুরীর চার মেয়ে যথাক্রমেঃ মেরী, রোজ ডলি ও বেলা চৌধুরী তাঁর মধ্য বড় দুই মেয়ে মারা গিয়েছেন।
জানাযায় বেশির ভাগ জমির মালিক উনারা দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলার জমি তাঁদের যেমন নিশ্চিতপুর মৌজা, সালান্দর মৌজা, গবিন্দনগর, মুন্সিরহাট, মোহাম্মদপুর,গড়েয়া, কালীমেলা, ঝাড়বাড়ী, ব্রম্মনভিটা, মদাতী, চংঙ্গা খাতা,পলাশ বাড়ীসহ অত্র দুই জেলায়। পবিত্র কুরবানীর ঈদের দিন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন পিতা মরহুম চৌধুরী মোঃ সেলিম (খোকা চৌধুরী ) মাতা মরহুমা চৌধুরী নার্গিস বেগমের এক মাত্র সন্তান মুক্ত কলম পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ইঞ্জি, হাসিনুর রহমান ( মিলন চৌধুরী ) ঠাকুরগাঁও জেলার সালান্দর বড় ঈদগা মাঠের জন্য সালান্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের সংলগ্ন এলাকায় ঈদগাঁ জন্য প্রায় অর্ধ কোটি টাকা মূল্যের ঈদের জামাতের আগে সকল মুসল্লির উপস্থিতিতে নিঃশর্তে জমি দান করেছেন। 
সালান্দর বড় ঈদগা মাঠের কমিটির পক্ষ থেকে এই মহতি উদ্যোগের জন্য শুভেচ্ছা বক্তব্য ও নাদাবী দলিল প্রদান আনুষ্ঠানিক ভাবে সালান্দর বড় ঈদগা মাঠের কমিটির সভাপতি হাতে ঈদের জামাতের আগে তুলেদেন তিনি। বিবরণঃ জমির পরিমান ১৫ শতক মৌজা সালান্দর উপজেলা সদর জেলা ঠাকুরগাঁও। দাগ নংঃ ১৮২৩ নং দাগ ডাঙ্গা, জে এল নংঃ ১০৭, খতিয়ান নংঃ এস এ ৩১৭, সর্বমোট তিন খতিয়ানে ( ১১+০২+০২+)=১৫ শতক, ১২ নং সালান্দর ইউনিয়ন পরিষদ, ঠাকুরগাঁও। তিনি এলাকার বাসিন্দাদের অবগতি করেন বলেন সালান্দর মৌজায় ৭৬ একর জমি আছে । তিনি তাঁর বংশধর উক্ত জমির রের্কডিও মালিক মরহুম ঈশা চৌধুরী, নানা মরহুম চৌধুরী রেজাউল কাদের ও নানী বিবি তৈয়বা খাতুন মোট জমির পরিমাণ সালান্দর মৌজায় ৭৬ একর অত্র এলাকায় ব্রিটিশ ও ৪৬ দুই রের্কডে মালিক তাঁর দাদা, নানা ও নানী। তিনি সকলের উদ্দেশ্যে বলেন অত্র এলাকায় অনেকের কাছে আমার জমি আছে যারা সমাধান না করে ভোগ করছেন। আশা করি আপনারা আমার সাথে যোগাযোগ করে জমির কাগজ অবৈধ থেকে বৈধ করে নিবেন।
ঠাকুরগাঁও জেলায় তাঁদের দান কৃত জমি সমূহঃ (১) ঠাকুরগাঁও পুরাতন জমিদারপাড়া জামে মসজিদ, (২) ঠাকুরগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের জাতীয় ঈদগার মাঠ যেটা বড় মাঠ নামে পরিচিত। (৩) সি এম আইয়ুব বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। (৪) আর কে স্টেট উচ্চ বিদ্যালয় (রোল করশুন্ডা), (৫) কালীমেলা, (৬) মুন্সিরহাট, (৭) ঠাকুরগাঁও বিজিবি ক্যাম্পের জমিসহ আরও অনেক। 
মুক্ত কলম রির্পোটার রনিকে মোঃ রফিক নামের একজন বাসিন্দা বলেন আমি কিছু কথা বলতে চাই তা-হলো এমন ঠাকুরগাঁওয়ে দুই শ্রেনীর চৌধুরী আছে এক হলো পিতৃকুলের অপর হলো মাতৃকুলের। উনার কথার মানে বুঝতে না পারায় প্রশ্ন করা হয় পিতৃকুল ও মাতৃকুল চৌধুরী বলতে কী বুঝিয়েছেন। উত্তরে তিনি বলেন সহজ কথা তা হলো এক শ্রেণীর চৌধুরী হলো নামের আগে লিখেন এবং তাঁরা প্রকৃত চৌধুরী তাঁদের জমি দানের অবদান দৃশ্যমান ইনারাই হলো পিতৃকুলের চৌধুরী। আর এক শ্রেণীর চৌধুরী আছে যারা ধার করা অবৈধ ভাবে জমি দখল করে ভুয়া কাগজ করে জমির মালিক সেজেছে নামের পিছনে চৌধুরী লিখে নামের আগে চৌধুরী লিখতে পারে না তারাই মাতৃকুলের চৌধুরী। এবং প্রকৃত চৌধুরীদের জমি নিয়ে চৌধুরী। আশা করি সাংবাদিক সাহেব আমার কথার মানে বুঝতে পেরেছেন।
উক্ত জমিদান অনুষ্ঠানে সালান্দর বড় ঈদগা মাঠের কমিটির পক্ষ থেকে মুক্ত কলম পত্রিকার সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী মো: হাসিনুর রহমানকে শুভেচ্ছা ও উপহার প্রদান করা হয়।উক্ত জমি দান উপলক্ষে সভাপতি মো: হুমায়ুন কবির,সাবেক প্রভাষক ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ।মো: ফজলে এলাহী মুকুট চৌধুরী,সাধারণ সম্পাদক সালান্দর ঈদগাঁ কমিটি ও সালান্দর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছাড়া-ও অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন এক বক্তব্যে তাঁরা বলেন ঈদগার জমি বিনাশর্তে দান করে ধর্মীয় সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মিলন চৌধুরী। তার এই মহৎ উদ্যোগ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ক্ষেত্রে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। আমরা কমিটির পক্ষ থেকে তার পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।