admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১০ এপ্রিল, ২০২২ ৯:০৮ অপরাহ্ণ
এম.মাসুম আজাদ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের সদর উপজেলা ৯নং ওয়ার্ড মুরারীদহ গ্রামের নিকাহ রেজিস্ট্রার আশরাফুল ইসলাম নিজের তথ্য গোপন করে জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি নিকাহ রেজিস্ট্রার হয়েছেন। যাহ সম্পুর্ন আইন অমান্য এবং অপরাধ বরে গন্য হবে। সরকারি নিকাহ রেজিস্ট্রার এর গেজেটে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা আছে যে কেউ ইউনিয়নের সরকারি নিকাহ রেজিস্ট্রার হতে হলে তাকে অবশ্যই ঐ এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা হতে হবে।
এবং সরকারি নিকাহ রেজিস্ট্রার এর বিশ নম্বর পয়েন্টে সরকারি কাজীদের কর্মকান্ডের বিধি নিষেধের কথা বলা হয়েছে
নিকাহ রেজিস্ট্রার গেজেটে সেখানে উল্লেখ করা আছে কোনো এলাকার নিকাহ রেজিস্ট্রার ওই এলাকার কোনো মসজিদে ইমামতী বা বেসরকারী কোনো মাদ্রাসাতে চাকুরী করতে পারবেন, কিন্তু নিজ ওয়ার্ডের বাইরে কোথাও তিনি চাকুরী করতে পারবেন না করিলে রেজিস্ট্রার বাতীল বলে গণ্য হবে।
অভিযোগের ভিক্তিতে সাংবাদিকগণ সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে দেখতে পায়, আশরাফুল ইসলাম, পিতাঃ ইয়াকুব আলী
মাতাঃ সালেহা বেগম স্থানীয় ঠিকানা, মাগুরা। মুরারিদহে তার কোনো স্থানীয় ঠিকানা নাই বা কখনো ছিলো না। বর্তমানে একটি এমপিও ভুক্ত মধুপুর দাখিল মাদ্রাসাতে শিক্ষকতা করছেন। এখানে জালিয়াতি করেছেন আশরাফুল ইসলাম, কারন- এমপিও নীতিমালা ২০০২১ ইং উল্লেখ করা আছে, কোনো এমপিও ভুক্ত শিক্ষক বা কর্মচারী উক্ত প্রতিষ্ঠান ব্যাতীত অন্য কোথাও কোনো লাভ জনক পেশায় নিযুক্ত হতে পারবেন না, যদি হয় তবে অবশ্যই তার এমপিও বাতীল বলে গন্য হবে। অতএব আশরাফুল ইসলাম এর এমপিও বাতিল হবার কোনো বাধা নেই।
এবিষয়ে তথ্যগোপন করায় অভিযুক্ত আশরাফুল ইসলামকে সাংবাদিকগণ প্রশ্ন করলে, তিনি বলেন আমি স্কুল শিক্ষক, কিন্তু আমি না যেনে এরকম কাজ করে ফেলেছি। আমার ভুল হয়েছে, আমি নিকাহ রেজিস্ট্রার হতে নিজের নাম কাটিয়ে নেবো,আমি আর সরকারি কাজীর কাজ করবো না। ঝিনাইদহ সদর উপজেলা ৯নং ওয়ার্ডের ভুক্তভোগী একাধিক জনগণ আশরাফুল ইসলাম এর জালিয়াতির বিষয়ে অভিযোগ করেছেন, স্থানীয় ভুক্তভোগী জনগণ বিষয়টিতে মাননীয় জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বর্তমানে বেকারত্বের হার দিন দিন বেড়েই চলেছে, এমন সময়ে একাধিক বেক্তি নিজের তথ্য গোপন করে জালিয়াতির মাধ্যমে একই সাথে দুইটি পেশায় উপার্জন করছেন,অথচ এটা সম্পূর্ণ আইন অমান্যের সমান অপরাধ। যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগী জনগণ, এদেরকে আইনের আওতায় রাষ্ট্রের সাথে জালিয়াতি করার অপরাধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।