admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৯ আগস্ট, ২০২১ ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ
গর্ভবর্তী ও স্তন্যদানকারী নারীদের কোভিড-১৯ প্রতিরোধী টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গর্ভবর্তী নারীদের জন্য সুখবর দিলো সরকার। দীর্ঘ আলোচনা ও পর্যালোচনা শেষে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবার গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীদের কোভিড-১৯ প্রতিরোধী টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্প্রতি দেশে গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীদের মধ্যে ভাইরাসটির সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নিলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গঠিত ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় রোববার এ তথ্য জানানো হয়।
কোভিড-১৯ টিকা বিষয়ক জাতীয় কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীদের করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। নির্দেশনায় বলা হয়, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯ এর মহামারি। দেশের অন্যান্য জনগোষ্ঠীর মতো গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীরাও ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হওয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে আছেন।
বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে টিকা বিষয়ক জাতীয় কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী সরকার গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীদের করোনার টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।এতে আরো বলা হয়, সুরক্ষা ওয়েব পোর্টাল বা অ্যাপসের মাধ্যমে গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীদের প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এর পর শুধু হাসপাতালবিশিষ্ট সরকারি টিকাকেন্দ্রে করোনাভাইরাসের টিকা দিতে হবে। টিকা নেওয়ার আগে অবশ্যই গর্ভবতী নারীকে টিকা কেন্দ্রের রেজিস্টার্ড চিকিৎসক কর্তৃক কাউন্সেলিং সম্পন্ন করতে হবে।
নির্দেশনায় আরো বলা হয়, টিকা নেওয়ার দিন অসুস্থ থাকলে সংশ্লিষ্ট গর্ভবতী নারীকে কোভিড-১৯ টিকা দেওয়া যাবে না। ভ্যাকসিন বা টিকার ক্ষেত্রে কোনো গর্ভবতী নারীর অ্যালার্জির পূর্ব ইতিহাস থাকলে তাকে করোনার টিকা দেওয়া যাবে না। এমন গর্ভবতী নারী যিনি অনিয়ন্ত্রিত দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত, তাকেও কোভিড-১৯ টিকা দেওয়া যাবে না। এ ছাড়া কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নেওয়ার পর যদি কোনো গর্ভবতী নারী এইএফআই কেস হিসেবে শনাক্ত হন, সেক্ষেত্রে তাকে টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া যাবে না।