admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৭ ডিসেম্বর, ২০২১ ৯:২৭ পূর্বাহ্ণ
ইরান পরমাণু সমঝোতা যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলল। স্থবির হয়ে পড়া পরমাণু সমঝোতা নিয়ে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ইরানের সঙ্গে নতুন করে শুরু হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের আলোচনা। এ নিয়ে দরকষাকষির জন্য উভয় দিক থেকে নানা ধরনের অভিযোগসহ বক্তব্য আসছে। এবার তাতে নতুন মাত্রা যোগ করলো ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, চুক্তিকে সচল করতে হলে তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের আরোপ করা সকল অবৈধ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে।

এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের অনিচ্ছা ও অনীহাই চলমান সংলাপ সফলের পথে প্রধান বাধা। কেননা, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়াই হলো সংলাপের প্রধান লক্ষ্য। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানায়, নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহারে জো বাইডেন প্রশাসনের অনীহা এখন স্বচ্ছ কাঁচের মতো পরিষ্কার। এটি সংলাপে অগ্রগতির জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের এই নীতি থেকে হোয়াইট হাউস যে কোনো মুহূর্তে সরে আসতে পারে বলে বিশ্বাস করে তেহরান।
এ ব্যাপারে ইউরোপীয় দেশগুলো প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক প্রচেষ্টা নিতে পারে উল্লেখ করে ইরানি কর্মকর্তা বলেন, তাদের সেই প্রচেষ্টা দ্রুত একটি চুক্তিতে পৌঁছার পথকে সুগম করতে পারে। এ ব্যাপারে বাস্তবভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করছে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির প্রশাসন।ভালো একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করতে একটি সক্ষম দল ভিয়েনায় পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা। সংলাপ সফলের প্রত্যাশায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং পরমাণু ইস্যু নিয়ে পৃথক দুটি প্রস্তাব পেশ করেছেন তারা। বিষয়টি এখন যুক্তরাষ্ট্রের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে।
এর আগে গত সোমবার থেকে ভিয়েনায় ইরানের সঙ্গে সংলাপে বসেছে ৫ জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা। ৪ দিন ধরে আলোচনা চলার পর অগ্রগতি জানাতে নিজ দেশে ফিরে গেছে প্রতিনিধিদলগুলো। সরকারের সঙ্গে শলাপরামর্শ শেষে ফের ভিয়েনার টেবিলে ফিরবেন তারা।