admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৯ ডিসেম্বর, ২০২১ ৪:০৩ অপরাহ্ণ
রিড্ডুইন নিংদার,স্টাফ রিপোর্টার ইন্দোনেশিয়াঃ বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্সের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। জাকার্তা ভিত্তিক লায়ন এয়ারের ব্যবহৃত একটি বোয়িং সাগরে বিধ্বস্ত হয় ২০১৮ সালে। তিন বছরেরও বেশি সময় পর বোয়িংটির ওপর থেকে এ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল এয়ারলাইন্সটি। ওই দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা ১৮৯ জন নিহত হয়েছিল। ২০১৯ সালের মার্চ মাসে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের ব্যবহৃত ৭৩৭ ম্যাক্স আবারও বড় দুর্ঘটনার শিকার হয়। এরপরও বিমানটি বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে।
সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর, ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, তারাও ফেব্রুয়ারিতে এই জাতীয় ফ্লাইট পুনরায় চালু করবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপে বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স পরিষেবায় ফিরে আসার কয়েক মাস পর ইন্দোনেশিয়া এ ঘোষণা দিল। অস্ট্রেলিয়া, জাপান, ভারত, মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুরও এ বছর তাদের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। এনিয়ে ১৮০টিরও বেশি দেশ ৭৩৭ ম্যাক্স ব্যবহারের অনুমতি পেল। ইন্দোনেশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এয়ারলাইন্সগুলো বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স আবার উড়তে পারবে। তবে তার আগে বিমান সংস্থাগুলোকে অবশ্যই বিমানের যোগ্যতার নির্দেশাবলী অনুসরণ করতে হবে। উড়ানোর আগে বিমানগুলো পরিদর্শন করতে হবে। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তারাও বিমান চেক করবে। নিষেধাজ্ঞার আগে লায়ন এয়ার বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্সের ১০টি বিমান পরিচালনা করেছিল। তবে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় পতাকাবাহী গারুদা ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, বোয়িংটি তাদের কোম্পানির বহরে পুনরায় চালু করার কোনো পরিকল্পনা নেই।
২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর লায়ন এয়ার ফ্লাইট ৬১০ জাকার্তার সোয়েকার্নো-হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের ১৩ মিনিট পরে জাভা সাগরে বিধ্বস্ত হয়। এতে ১৮৯ জন যাত্রী এবং ক্রু নিহত হয়। পাঁচ মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এক কোম্পানির ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ৩০২ কেনিয়া যাওয়ার পথে ধানী আদ্দিস আবাবা থেকে ছাড়ার ছয় মিনিট পরে বিধ্বস্ত হয়। এতে ১৫৭ জনের সবাই মারা যায়। ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী টেওল্ডে গেব্রেমারিয়াম বলছেন, বোয়িংটি চালু করার বিষয়ে তারা সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী।