admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৯ জানুয়ারি, ২০২২ ৯:২১ পূর্বাহ্ণ
আজ ৯ জানুয়ারি বাংলাদেশে সংক্রমণ বৃদ্ধি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে নানা কড়াকড়ি আরোপের পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। বর্ধিত সংক্রমণ পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা নিয়ে আগামীকাল রোববার, ৯ জানুয়ারি, কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেখানে এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি শনিবার, ৮ জানুয়ারি, রাজধানী ঢাকায় এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান।
এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক মানিকগঞ্জে এক অনুষ্ঠানে বলেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সকল যানবাহনে অর্ধেক আসন এবং রাত ৮টার পর দোকান-পাট বন্ধসহ বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। আগামী দুই একদিনের মধ্যে এ বিষয়ে ঘোষণা দেওয়া হবে। এদিন সাংবাদিকরা সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে সরকারের ভাবনা জানতে চান। জবাবে তিনি বলেন, আজ শনিবার আমাদের মন্ত্রণালয়ে আমরা বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা আছে। আর আজ রোববার, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক আছে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
দীপু মনি বলেন, মার্চে গিয়ে সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে আমাদের ধারণা ছিল। কিন্তু এখন জানুয়ারির শুরুতেই সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। সুতরাং আগের যে পরিকল্পনা ছিল, সেটাতে কিছুটা সমন্বয়ের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। তবে আমরা চাই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যাতে বন্ধ করা না লাগে। বরং আমরা চাই, শিক্ষার্থীরা যেন করোনার টিকা নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসতে পারে। এর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে ১২ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য হয়তো একটু অসুবিধা হতে পারে। এসব বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেব আমরা।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, এর আগে দেড় বছর বন্ধ ছিল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এতে সবারই ঘাটতি হয়েছে। ব্যবস্থা করা হচ্ছে যাতে সেটি পূরণ করা যায়। এই ঘাটতি পূরণের সবচেয়ে বড় উপায় হচ্ছে, বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীকে ক্লাসে হাজির করা। কিন্তু লোকজন যেভাবে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে চলছেন, তাতে যদি করোনার সংক্রমণ আরো বেড়ে যায়, তাহলে শিক্ষার ক্ষতিই সবচেয়ে বেশি হবে। সুতরাং সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে হলেও আমাদের প্রত্যেককে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত।