হোম
সম্পাদকীয়.

আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর হতে হবে ও চোরদের প্রতি দৃষ্টি রাখতে হবে

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ১০ এপ্রিল, ২০২০ ৫:২০ পূর্বাহ্ণ

এডিটর

ফাইল ছবি

সম্পাদকীয়ঃ মধ্যবিত্ত পরিবার গুলোর এলাকা ভিত্তিক তালিকা করে স্থানীয় জন প্রশাসনের মাধ্যমে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। কারণ তারা কারো কাছে হাত পাততে পারেনা বলতেও পারছেনা, গরীব মানুষেরা যথেষ্ট সহযোগিতা পাচ্ছে আর ধনীদেরতো সমস্যা নেই। মানুষকে ঘরে আটকে রাখা আসলেই কঠিন। অনেক ক্ষেত্রে প্রায় অসম্ভব বলেও প্রতীয়মান হয়। ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত একটানা ছুটি, জরুরী সার্ভিস ব্যতিরেকে অফিস-আদালত, শিল্প-কলকারখানাসহ প্রায় সবকিছু বন্ধ থাকার পরও মানুষ বের হয়ে আসছে রাস্তায়। নিতান্ত প্রয়োজনে যেমন, ওষুধ বা খাদ্য কেনা অথবা জরুরী চিকিৎসা সেবার জন্য বাইরে আসা অপরিহার্য হলেও বাস্তবে দেখা যাচ্ছে মানুষ একেবারে অকারণেও বের হয়ে আসছে রাস্তায়। আর শুধু একা নয়, অনেক ক্ষেত্রে দলে দলে-পায়ে হেঁটে অথবা অন্যবিধ উপায়ে। এ রকম প্রায় জনসমুদ্রতুল্য দৃশ্য প্রত্যক্ষ করা গেছে ৪ এপ্রিল ছুটি শেষ ও প্রলম্বিত করার অবকাশে। তখন গার্মেন্টস শ্রমিকদের ঢাকায় আসতে কেউ বলেনি, তবু দলে দলে শ্রমিক, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ছুটে আসে রাজধানীতে। আবার ছুটির মেয়াদ বাড়াতে দলে দলে ছুটেও যায় গ্রামের বাড়িতে। এতে করোনা সঙ্কটজনিত সমস্যা সমাধানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, নিরাপত্তা বিধান ও সঙ্গনিরোধ কার্যক্রম রীতিমতো হুমকির মুখে পড়ে। অতঃপর বাধ্য হয়ে সরকার ও প্রশাসন লকডাউন নিশ্চিত করতে গ্রহণ করে কঠোর ব্যবস্থা। রাজধানী ঢাকা ইতোমধ্যে লকডাউন হয়েছে। এবার লকডাউন হচ্ছে প্রতি জেলায়। যে কোন মূল্যে মানুষের যাতায়াত ও চলাচল যথাসম্ভব সীমিত করতে হবে। নিতে হবে অর্থদ-সহ কঠোর ব্যবস্থা।

এদিকে করোনা চিকিৎসায় সমন্বয়হীনতার অভিযোগ উঠেছে। প্রথমত, করোনা নির্ণয়ের জন্য দেশে কোন কিট ও পিপিই-মাস্ক ইত্যাদি ছিল না। পরে গণস্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন পোশাক কারখানায় সেসব তৈরি হলেও হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে তা সরবরাহে কোন সমন্বয় নেই বললেই চলে। ফলে স্বভাবতই চিকিৎসক-নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে এক ধরনের ভীতি সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে বেসরকারী হাসপাতালগুলো করোনা সন্দেহে রোগী ভর্তিতেও অনীহা দেখিয়েছে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।

অন্যদিকে করোনা সঙ্কটে সর্বাধিক বিপদ ও অনিশ্চয়তার মুখে রয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশী এরমধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন করোনাক্রান্ত হয়ে। অনেকে দেশে ফিরে আসার জন্য উদগ্রীব। তবে বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় ভবিষ্যত হয়ে পড়েছে অনিশ্চিত। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ থেকে বাংলাদেশীদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য চাপও রয়েছে সরকারের ওপর। এর পাশাপাশি উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রবাসী আয় কমে যাওয়ার আশঙ্কা তো আছেই। সব মিলিয়ে আগামী কয়েকদিন সবার জন্যই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ও দুর্ভাবনার বৈকি।

করোনাভাইরাসজনিত উদ্ভুত পরিস্থিতি ও সঙ্কট মোকাবেলায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শুরু থেকেই সজাগ ও সচেতন থেকেছেন এবং তদনুযায়ী পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন সময়ে সময়ে। সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে প্রধানমন্ত্রী কিছু প্যাকেজও ঘোষণা করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ছয় মাস পর্যন্ত প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্য ও আর্থিক প্রণোদনা দুর্গতদের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দেয়া, দশ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি, টিসিবির মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য বিক্রি ইত্যাদি। মাঠপর্যায়ে কাজটি বাস্তবায়ন করতে হচ্ছে ডিসি, টিএনও অফিসকে। এ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, সে ক্ষেত্রে আদৌ কোন দুর্নীতি-অনিয়ম সহ্য করা হবে না, বরং কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দেশে কেউ অভুক্ত থাকবে না। খাদ্য উৎপাদন অব্যাহত রাখতে হবে এবং যাবতীয় প্রণোদনা দেয়া হবে কৃষকদের। তবে এই সঙ্কটেও বাংলাদেশের যেটি আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে তা হলো, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন। তরিতরকারি, শাকসবজি, ফলমূল, মাছ-মাংস-দুধ-পোলট্রিতেও বাংলাদেশ প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ। এর ফলে দেশে দুর্ভিক্ষ তো দূরের কথা, খাদ্য সঙ্কটেরও সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এখন দরকার নিয়মিত বাজার তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ। সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় প্রশাসন সেদিকে দৃষ্টি রাখছে প্রতিনিয়ত। প্রকারান্তরে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই আত্মবিশ্বাসই প্রতিফলিত হয়েছে, যেটি সাহস ও শক্তি জোগাবে সাধারণ মানুষ ও কৃষককে। এ সময়ে সাধারণ মানুষেরও উচিত হবে ঘরে স্বেচ্ছাবন্দী তথা কোয়ারেন্টাইনে থাকা।

প্রধানমন্ত্রীর যথেষ্ট আন্তরিকতার সাথে এই দুর্যোগ মুহুর্ত্বে সহযোগিতা করার ব্যবস্থা করেছেন কিন্তু দুঃখজনক দলীয় কিছু নেতা কর্মীর অসৎ আচরণের কারণে ব্যহত হচ্ছে। যদি ঘড়ে ঘড়ে সাহায্য পৌঁছে দেওয়া যেত থাহলে হয়তো স্বেচ্ছাবন্দী বা কোয়ারেন্টাইনে সহজ হতো। দিনে দিনে যেভাবে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে তাতে কোয়ারেন্টাইনে থাকা অতিজরুরী হয়ে পড়েছে এখন আটকাতে না পারলে ভয়াবহ বিপদে পড়তে যাচ্ছি আমরা।

ফেসবুক মন্তব্য

মতামত জানান :

সর্বশেষ খবর

রাজশাহীতে জমি ও দোকানঘর দখল চেষ্টার অভিযোগ, ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন।
আইন-বিচার 6 hours আগে

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে গ্রামগঞ্জে কোকো টুর্নামেন্টে।
খেলাধুলা 8 hours আগে

দিনাজপুরের কাহারোলে পুলিশের অভিযানে অজ্ঞান পার্টির তিন সদস্য গ্রেফতার।
অপরাধ 8 hours আগে

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ৫টি সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী জাহিদ
রংপুর 8 hours আগে

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে লায়ন্স সেবা মাস উপলক্ষে গরীব ও দুঃস্থদের বিনামূল্যে
রংপুর 2 days আগে

দিনাজপুরের পার্বতীপুর কেলোকা পরিদর্শন করেন রেলমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী।
রংপুর 2 days আগে

সিরাজগঞ্জে শিক্ষার্থীদের দিয়ে ক্লাস নেওয়ার অভিযোগে তিন শিক্ষককে শোকজ।
রাজশাহী 2 days আগে

দিনাজপুরে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত।
জাতীয় 2 days আগে

পঞ্চগড়ে অনুমোদিত নকশার বাহিরে ভবন নির্মাণের অভিযোগ পৌরসভার নোটিশ।
আইন-বিচার 2 days আগে

সিরাজগঞ্জে গরু চুরি ও ডাকাতি প্রতিরোধে ২৫০টি বাঁশকল স্থাপন।
অপরাধ 2 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক