admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ৪:৪৭ অপরাহ্ণ
অভিজিৎ হত্যার সাথে জড়িতদের রায় ঘোষণা করা হয়েছে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ১ জনের যাবজ্জীবন। লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এতে পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান আজ মঙ্গলবার এ রায় দেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামি হলেন- মো. আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহা (৩৪), মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন, মো. আরাফাত রহমান (২৪), আকরাম হোসেন ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে হাসিবুল ওরফে আবদুল্লাহ এবং সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে মেজর (বহিষ্কৃত) জিয়া।
এ ছাড়া শাফিউর রহমান ফারাবীকে (২৯) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে মেজর জিয়া ও আকরাম হোসেন পলাতক রয়েছেন। বাকি চার আসামি আজ রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। গত ৪ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান। এর আগে গত ২১ জানুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। এ মামলায় ৩৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জন বিভিন্ন সময়ে সাক্ষ্য দেন।
অভিজিতের বাবা অধ্যাপক অজয় রায়ের সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে ২০১৯ সালের ২৮ অক্টোবর এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।
ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান ২০১৯ সালের ১ আগস্ট উল্লিখিত ৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। একই ট্রাইব্যুনালের একই বিচারক ওই বছরের ১১ এপ্রিল অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। অভিজিতের বাবা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অজয় রায় শাহবাগ থানায় ২০১৫ সালে ২৭ ফেব্রুয়ারি হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সোয়া ৯টার দিকে ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায়কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি এলাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশে কুপিয়ে জখম করে সন্ত্রাসীরা। আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।