এবি,এম কামাল,অভয়নগর প্রতিনিধি || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২২ জুলাই, ২০২৬ ১০:০০ অপরাহ্ণ
হনুমান নিয়ে পূরাণ কাহিনী আছে। আছে যুদ্ধের ইতিহাস।কিন্ত্ত এটা কোন কাল্পনিক বা সিনেমা নাটকের ঘটনা নয়, একেবারেই তরতাজা খবর। প্রতি বছরের ন্যায় ফলের মৌসুমে হনুমানের দল আসে যশোরের বসুন্দিয়া -অভয নগর এলাকায় যশোরের অফুরন্ত ফলের ভূসর্গ খ্যাত বসুন্দিয়া এলাকা এখানে প্রতিবছর প্রচুর পরিমানে লিচু, আম, কাঁঠাল হয়। খাদ্য সংকটের কারনে এরা এই এলাকায় আসেন কেশবপুর-মনিরামপুর এলাকা থেকে।
এই বসুন্দিয়া এলাকায় এরা শীত মৌসুম পর্যন্ত অবস্থান করে আজ ২২ শে জুলাই মঙ্গলবার স্কুল ছুটি হল ৪টা ১৫ মিনিটে বসুন্দিয়া খাঁন পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রায় ১০০ ফুট আসতেই হঠাং বড় সাইজের একটা হনুমান দৌড়ে এসে পথের মাঝে আড় হয়ে বসে পড়লো। পথের দুই পাশে প্রাচীর থাকায় বের হতে পারলাম না। খেয়াল করে দেখলাম হনুমান টির বাম হাত নাই কেটে ফেলানো প্রথমে মনে করে ছিলাম প্রচণ্ড ক্ষুধার্থ কিছুক্ষন পর আর একটু পথ এগিয়ে এসে আমার এক ছাত্রের দোতলা বাড়ির সামনে একই ভাবে পথ আটকিয়ে ধরল। এক ছাত্র খাবার দিতে লাগল কিন্ত্ কোন খাবার সে গ্রহণ করে না। বরং সে তার কাটা হাতটি আমার দিকে ঘুরিয়ে পথের মাাঝে বসে রইল। অবলা প্রাণী হলেও ও বুঝতে পেরেছে আমি সাংবাদিক ও বলতে চাচ্ছে পত্রিকায় আমাকে নিয়ে লিখুন।
যারা আমার অঙ্গহানি করেছে তাদের বাংলাদেশ সরকারের বণ্য ও প্রাণী সংরক্ষন আইনে বিচার করুক। এর আগে পত্রিকায় দেখা গেছে হনুমান কোর্টে বিচার চাইতে এসেছে। মানুষের অঙ্গহানি করলে ফৌজদারী কার্যবিধি বিভন্ন ধারায় বিচার হয়ে যেত। হনুমান আমাদের পরিবেশের সৌন্দর্য। তাদের কারনে অকারনে ক্ষতি সাধন করা আমাদের উচিত নয়। তদের রক্ষনা বেক্ষন করা আমাদের নৈতিক দ্বায়িত্ব, নাগরিক কর্তব্য।