admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৩ মে, ২০২০ ১০:২০ অপরাহ্ণ
মুক্ত কলম বক্স অফিস সিঙ্গাপুর: সিঙ্গাপুরে রবিবার (৩ মে) দুপুর পর্যন্ত কভিড -১৯ এর নতুন ৬৫৭ জন নতুন করে আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে, যা মোট ১৮ হাজার ২০৫ জনে দাঁড়িয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় (এমওএইচ) প্রাথমিক পরিসংখ্যানের প্রতিদিনের আপডেটে জানিয়েছেন একটি পরীক্ষাগার দ্বারা ব্যাকব্লগ আক্রান্তের ছাড়পত্রের কারণে সাম্প্রতিক দিনগুলিতে অভিবাসী শ্রমিকদের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ওঠানামা করছে।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে পরীক্ষাগারটির কার্যক্রম স্থিতিশীল করার জন্য কাজ করছে। নতুন সংক্রমণের বেশিরভাগ হলেন বিদেশি কর্মীদের আবাসনে বসবাসরত ওয়ার্ক পারমিটধারীরা,
এমও এইচ রবিবার আরও একটি মৃত্যুর খবর দিয়েছে – আক্রান্ত ১৪ হাজার ৭৪৪ জন। এর মধ্যে ৮৬ বছর বয়সী সিঙ্গাপুরের মহিলা ২৭ শে এপ্রিল তার কোভিড -১৯ সংক্রমণ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছিল এবং তার ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন এবং হাইপারলিপিডেমিয়া ছিল, এমও এইচ জানিয়েছেন।
নতুন করে আক্রান্তের মধ্যে ৬২৬জন কর্মী আবাসনে বসবাসরত ওয়ার্ক পারমিট ধারক, ১৮ জন আবাসনের বাইরে থাকা ওয়ার্ক পারমিট ধারক, তিনজন ওয়ার্ক পাস হোল্ডার এবং ১০ জন সিঙ্গাপুর বা স্থায়ী বাসিন্দা। সাম্প্রতিক আর একটি আপডেটে এ এম ও এইচ বলেছেন, বাসিন্দাদের নতুন আক্রান্তের সংখ্যা আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে ২১জন করে কমেছে। গত সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে ১১জন আক্রান্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে তালিকায় যোগ হয়েছে, স্থায়ী বাসিন্দাদের লিঙ্কযুক্ত আক্রান্তের সংখ্যাও আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রতিদিন গড়ে ১৩জন আক্রান্ত থেকে হ্রাস পেয়েছে। গত সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে ৫ জন আক্রান্ত হয়েছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে তালিকায় যোগ করেছে।
করোনভাইরাসকে আটকাতে সিঙ্গাপুর সরকার একটি সার্কিট ব্রেকার সময়ের চতুর্থ সপ্তাহ চলছে। শনিবার, সিঙ্গাপুরে কভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের সাথে মোকাবিলা করা মাল্টি-মন্ত্রণালয়ের টাস্ক ফোর্সটি এই মাসটি পুনরায় চালু করার অনুমতিপ্রাপ্ত নির্বাচিত পরিষেবা এবং ব্যবসায়ের সাথে কিছুটা বিধিনিষেধ শিথিল করার ঘোষণা দিয়েছে।
চায়না ঐতিহ্যবাহী চিনের ওষুধের চিকিৎসকরা ৫মে থেকে ব্যথা পরিচালনার জন্য আকুপাংচার পরিষেবা দেওয়া শুরু করতে পারেন বলে জানা গেছে। গৃহ-ভিত্তিক খাদ্য ব্যবসা, নির্বাচিত খাদ্য খুচরা বিক্রয় কেন্দ্র এবং খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গুলো ১২ ই মে থেকে পুনরায় উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করতে পারে।
সীমিত আকারে শিক্ষার্থীরা পাঠ্য গ্রহনের জন্য ১৭মে থেকে স্কুলে ফিরে আসতে পারবে বলে জানিয়েছেন। এর মধ্যে যারা জাতীয় শিক্ষাকার্যক্রম এর আওতায় পরীক্ষা দিচ্ছেন বা অতিরিক্ত সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।শনিবার একটি সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী গ্যান কিম ইওং বলেছেন স্থানীয়দের আক্রান্তের সংখ্যা কমে যাওয়ার পরে আমরা লকডাউন সিথিল করে দিবো। আমরা যদি আমাদের চলাফেরা অবাদ করে দেই তবে নতুন ক্লাস্টার তৈরি হতে পারে। সিঙ্গাপুরকে তার সংখ্যা কম রাখার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে এবং সার্কিট ব্রেকারের বাকি সমস্ত পদক্ষেপ ১ জুন অবধি কার্যকর থাকবে বলে তিনি জানান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় (এম ও এইচ)।