admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট, ২০২২ ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
কুঞ্জ পাল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও জেলায় রুহিয়া থানার পাটিয়াডাঙ্গীর বাজারে আবু হোসেন সারের ডিলার কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাড়তি টাকা নেওয়ার অভিযোগ কৃষকের। কৃষকেরা বলেন চলছে আমন আবাদের মৌসুম। জমিতে সার দেওয়া লাগে ফলে বাধ্য হয়ে বেশি দামে সার কিনতে লাগে আবু হোসেনের কাছে আর ৫০ কেজি বস্তার সরকার নিধারিত মূল্য ৭৫০ টাকা। কিন্তু আবু হোসেন এমওপি সার নিচ্ছেন ১৭০০ টাকা। পাটিয়াডাঙ্গী বাজারে পাশে এক কৃষক নাম না জানার শর্তে বলেন কয়েক দিন আগে পাটিয়াডাঙ্গীর বাজারে আবু হোসেনের কাছে থেকে প্রতি বস্তা এমওপি সার ১৬৫০ টাকায় কিনেছি।
দোকানদারের কাছে পাকা রসিদ চাওয়ার সার বিক্রি না করার হুমকি দেন দোকানদার। সার কেনার রসিদ না পাওয়ার কারও কাছে অভিযোগ ও করতে পারছিনা। রহমান আলী বলেন চারা রোপনের সময় বেশি প্রয়জন হয় এমওপি ও টিএসপি সারের। এমওপি ও টিএসপি সারের চাহিদা বাড়তে থাকায় সেটা পুঁচি করে আবু হোসেন ডিলার সারের কৃতিম সংকট সৃষ্টি করেছেন।
এমওপি সারের প্রতি বস্তা সরকারের নিধারিত মূল্য ৭৫০ কিন্তু কৃষদের কে বেশি দামে কিন্তে হচ্ছে। প্রতি বস্তায় নিধারিত মূল্যের চেয়ে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে কৃষদের কে। টিএওপি সারের প্রতি বস্তা নিধারিত মূল্য ১১০০ টাকা। আর কৃষদের কিনতো হচ্ছে ১৫০০ টাকা। এক অডিও রের্কটের মাধমের শুনা যায়। এক কৃষক আবু হোসেন কে ফোন দিয়ে বলেন ভাই পটাশ সার আছে। তিনি বলেন আছে। কিন্তু দাম পড়বে ১৭০০ টাকা। টিএসপি পড়বে ১৫০০ টাকা এই কথা শুনা যায়। আবু হোসেনের গোলায়। আর এই বিষয় এ আবু হোসেন ডিলারের কাছে জানতে চাইলে। তিনি ফোন রিসিভ করে কিছু বলে না।