হোম
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলের দাঙ্গায় উস্কানি দেয়ায় আবারো অভিশংসিত ট্রাম্প।

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি, ২০২১ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলের দাঙ্গায় উস্কানি দেয়ায় আবারো অভিশংসিত ট্রাম্প-এম কে নিউজ

ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলের দাঙ্গায় উস্কানি দেয়ায় আবারো অভিশংসিত ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের সেনেটের হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ বা প্রতিনিধি পরিষদ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিশংসিত করেছে। গত সপ্তাহের ক্যাপিটলের দাঙ্গার ঘটনায় বিদ্রোহে উস্কানি দেয়ার কারণে তাকে অভিশংসিত হতে হল। তার নিজের দল রিপাবলিকান এর ১০ জন সদস্য ট্রাম্পের বিপক্ষে গিয়ে ভোট দিয়ে তাকে অভিশংসিত করে। ট্রাম্পের অভিশংসনের পক্ষে ২৩২ ভোট এবং বিপক্ষে ১৯৭ ভোট পড়ে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি দুই বার অভিশংসিত হয়েছেন এবং কংগ্রেসের পক্ষ থেকে যাকে অপরাধ সংগঠনে জড়িত থাকার কারণে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

মি. ট্রাম্প যিনি নিজেও একজন রিপাবলিকান, তিনি এখন সেনেটে বিচারের সম্মুখীন হবেন। দোষী সাব্যস্ত হলে তিনি আবারো ক্ষমতায় আসার সুযোগ চিরতরে হারাতে পারেন।তবে তার মেয়াদ আরো এক সপ্তাহ বাকি থাকলেও তাকে এখনই হোয়াইট হাউজ ছাড়তে হচ্ছে না। কারণ এই সময়ের মধ্যে সেনেট আবার গঠন করা সম্ভব নয়। গত নভেম্বরে জো বাইডেনের কাছে নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর আগামী ২০শে জানুয়ারি ক্ষমতা ছাড়তে হবে তাকে।

বুধবার অভিশংসনের ভোট হওয়ার আগে বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয় ডেমোক্রেট নিয়ন্ত্রিত হাউজ অব রেপ্রেজেন্টেটিভসে। সেসময় ক্যাপিটলের ভেতরে এবং বাইরে ন্যাশনাল গার্ডের সশস্ত্র সেনারা পাহারা দিয়েছেন। আগামী সপ্তাহে মি. বাইডেনের শপথ অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে ওয়াশিংটন ডিসি এবং ৫০টি অঙ্গরাজ্যের সবকটিতে সশস্ত্র বিক্ষোভের পরিকল্পনা রয়েছে বলে ফেডারেল তদন্ত সংস্থা এফবিআই সতর্ক করেছে। কংগ্রেসে ভোটের পর প্রকাশিত এক ভিডিওতে মি. ট্রাম্প তার অনুসারীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু তিনি যে অভিশংসিত হয়েছেন সেই বিষয়টি উল্লেখ করেননি।

সহিংসতা এবং ভাঙচুরের কোন জায়গা নেই আমাদের দেশে আমার সত্যিকারের কোন সমর্থক কখনোই রাজনৈতিক সহিংসতাকে সমর্থন দেবে না, খানিকটা মলিন এবং শান্ত কণ্ঠে তিনি এসব বলেন। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ কী?
অভিশংসনের অভিযোগ মূলত রাজনৈতিক, অপরাধমূলক নয়। প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের অভিযোগে বলা হয়েছে যে, ৬ই জানুয়ারি হোয়াইট হাউসের বাইরে তিনি তার ভাষণের মাধ্যমে ক্যাপিটলে হঠাৎ হামলার মাধ্যমে দখলে নেয়ার ঘটনায় উস্কানি দিয়েছেন।

তিনি তার সমর্থকদেরকে শান্তিপূর্ণভাবে এবং দেশপ্রেমের সাথে নিজেদের আওয়াজ তোলার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেই সাথে যে নির্বাচন তার ভাষায় কারচুপির শিকার হয়েছে” তার বিরুদ্ধে ভয়ংকর লড়াইয়ের”ও আহ্বান জানিয়েছিলেন। মি. ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের জের ধরে তার সমর্থকরা ক্যাপিটলে জোর করে ঢুকে পড়ে, আইনপ্রণেতাদের অধিবেশন ও নির্বাচনের ফলাফলের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়ার প্রক্রিয়া স্থগিত করে তাদেরকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বাধ্য করে। পুরো ভবনে লকডাউন দেয়া হয় এবং এ ঘটনায় পাঁচ জন মারা যায়। অভিশংসনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, মি. ট্রাম্প বারবার মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে এটা প্রতীয়মান করার চেষ্টা করেছেন যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফলে কারচুপি হয়েছে এবং তা গ্রহণযোগ্য নয়।

এতে বলা হয়, এরপর তিনি বার বার একই দাবি তুলেছেন এবং “ইচ্ছাকৃতভাবে জনগণের সামনে বলে তাদেরকে উৎসাহিত করেছেন এবং এর কারণেই ক্যাপিটলে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে” যা সহিংসতা এবং প্রাণহানিতে রূপ নিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চরমভাবে যুক্তরাষ্ট্র এবং এর সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তাকে বিপন্ন করেছেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অখণ্ডতাকে হুমকির মুখে ফেলেছেন, ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তরকে বাধাগ্রস্ত করেছেন এবং সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছেন। গত সপ্তাহে ২০২০ সালের নির্বাচনের ফল এবং ট্রাম্পের হারকে মেনে নেয়ার বিপক্ষে ১৩৯ জন রিপাবলিকান ভোট দিয়েছেন।

বিতর্কে আইনপ্রণেতারা কী বলেছেন?
আইনপ্রণেতারা সেই একই চেম্বারে বসে ভোটের পক্ষে-বিপক্ষে বিতর্ক করেছেন যেখানে গত সপ্তাহে দাঙ্গাকারীদের প্রবেশের মুখে গ্যাস মাস্ক পরে তারা চেয়ার নিচে আশ্রয় নিয়েছিলেন। হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি হাউস ফ্লোরে বলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এই সহিংস উত্থানকে উস্কে দিয়েছেন, আমাদের দেশের বিরুদ্ধে এই সশস্ত্র বিদ্রোহকে উৎসাহ দিয়েছেন। তিনি অবশ্যই যাবেন। আমাদের ভালবাসার দেশের প্রতি তিনি স্পষ্ট এবং চলমান হুমকি।

ডেমোক্রেটিক কংগ্রেসম্যান জুলিয়ান ক্যাস্ট্রো মি. ট্রাম্পকে ওভাল অফিসের দায়িত্ব নেয়া সবচেয়ে বিপজ্জনক ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বেশিরভাগ রিপাবলিকানই মি. ট্রাম্পের বক্তব্যের পক্ষে কোন সাফাই দেননি। এর পরিবর্তে তারা বলেছেন যে, অভিশংসনের প্রস্তাব প্রথাগত শুনানি ছাড়াই উত্থাপিত হয়েছে এবং জাতীয় ঐক্যের জন্য এটিকে বাদ দিতে ডেমোক্রেটদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা। এতো কম সময়ের মধ্যে প্রেসিডেন্টকে অভিশংসিত করাটা ভুল সিদ্ধান্ত হবে, বলেন হাউসের শীর্ষ রিপাবলিকান নেতা কেভিন ম্যাককার্থি।

তার মানে এই নয় যে প্রেসিডেন্টের কোন দোষ নেই। বুধবার কংগ্রেসের উপর দাঙ্গাকারীদের হামলার দায় প্রেসিডেন্টকে বহন করতে হবে। ওহাইয়ো রাজ্যের রিপাবলিকান জিম জর্ডান ডেমোক্রেটদের বিরুদ্ধে দেশকে বেপরোয়াভাবে রাজনৈতিক বিভাজনের দিকে ঠেলে দেয়ার অভিযোগ তোলেন। সব সময়ই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে নামাতে হবে” বলেন মি. জর্ডান।যাই হোক না কেন, প্রেসিডেন্টকে সরাতে হবে। এটা একটা ঘোর হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রেসিডেন্টের দলের মধ্য থেকে যারা তার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন থার্ড-র‍্যাংকিং হাউস রিপাবলিকান লিজ চেনি। ওয়াইওমিং এর এই রিপ্রেজেন্টেটিভ সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনির মেয়ে। তিনি ক্যাপিটলের দাঙ্গার কথা উল্লেখ করে বলেন, এর আগে কোন প্রেসিডেন্ট এতো বড় বেইমানি করেনি।

পরবর্তী পদক্ষেপ কী?

অভিশংসনের আর্টিকেলটি সেনেটে যাবে যেখানে প্রেসিডেন্ট দোষী কিনা তার বিচার অনুষ্ঠিত হবে। মি. ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ ভোট দরকার হবে। তার মানে হচ্ছে ১০০ আসনের উচ্চ কক্ষে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অন্তত ১৭ জন রিপাবলিকানকে ডেমোক্রেটদের পক্ষে ভোট দিতে হবে। মঙ্গলবার নিউ ইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে বলেছে যে, কম করে হলেও ২০ জন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের বিচার চায়। মি. ট্রাম্প যদি সেনেটে দোষী সাব্যস্ত হন তাহলে আইনপ্রণেতারা চাইলে আরেকটি ভোট অনুষ্ঠিত করতে পারেন যা তাকে ২০২৪ সালে আবারো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেয়ার পথকে বন্ধ করে দেবে। তবে এই বিচার কাজ মি. ট্রাম্প ক্ষমতায় থাকার সময় অর্থাৎ আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে না।

এক বিবৃতিতে রিপাবলিকান সেনেট নেতা মিচ ম্যাককনেল বলেন সব নিয়ম, প্রক্রিয়া এবং সেনেট যেখানে প্রেসিডেন্টের বিচার অনুষ্ঠিত হবে তার নজির অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট বাইডেন শপথ নেয়ার আগে একটি নিরপেক্ষ বা গুরুতর বিচার কোনভাবেই অনুষ্ঠিত করা সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, এর চেয়ে যদি বাইডেন প্রশাসনের জন্য একটি শান্তি ও সুশৃঙ্খল ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা যায়, তাহলে সেটিই জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করবে। মি. ম্যাককনেল তার সহকর্মীদের এক নোটের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে তিনি কিভাবে ভোট দেবেন সেটি এখনো ঠিক হয়নি। এখনো পর্যন্ত কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অভিশংসনের মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে অপসারিত হননি। ২০১৯ সালে হাউসে অভিশংসিত হয়েছিলেন মি. ট্রাম্প। কিন্তু সেনেটে পার পেয়ে যান তিনি। একই ধরণের ঘটনা ১৯৯৮ সালে বিল ক্লিনটনের সাথে এবং ১৮৬৮ সালে অ্যান্ড্রু জনসনের সাথে ঘটেছিল।

 

মতামত জানান :

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

সর্বশেষ খবর

পঞ্চগড়ে শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ফসল ও ঘড় বাড়ির ব্যাপক
দুর্ঘটনা 3 hours আগে

সাভারে সংসদ সদস্য ডাঃ দেওয়ান মোহাম্মদকে নাগরিক সংবর্ধনা।
ঢাকা 9 hours আগে

কুড়িগ্রামে মাদক বিক্রয়ের সময় যুবক আটক।
অপরাধ 19 hours আগে

দিনাজপুরে পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ বিতরণ করলেন
রংপুর 19 hours আগে

নওগাঁয় প্রধান মন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের নগদ সহায়তা বিতরণ, উপকৃত প্রায়
জাতীয় 19 hours আগে

নওগাঁর পোরশায় লুটপাট,ও মিথ্যা মামলায় বাড়ি ছাড়া চক বিষ্ণুপুরের অসহায়
আইন-বিচার 20 hours আগে

দিনাজপুরের লতিফা ফিলিং স্টেশনে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে হিট স্ট্রোকে এক
দুর্ঘটনা 1 day আগে

সুনামগঞ্জে তিনটি বসতবাড়ি,গবাদিপশু,নগদ টাকা পুড়ে ১৬ লক্ষ টাকার ক্ষতি।
দুর্ঘটনা 1 day আগে

পঞ্চগড়ে শিশুকে জোরপূর্বক ধর্ষন করলো তিন তরুন প্রতিবেশী।
অপরাধ 1 day আগে

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার থানায় মামলা।
অপরাধ 1 day আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক