admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল, ২০২১ ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ
ম্যাজিস্ট্রেটের ও পুলিশ সঙ্গে চিকিৎসকের সঙ্গে বাক-বিতণ্ডা সেই ম্যাজিস্ট্রেটকে বদলি। করোনা নিয়ন্ত্রণে চলমান সর্বাত্মক লকডাউনে’ পরিচয়পত্র দেখানো নিয়ে এক চিকিৎসকের সঙ্গে বাক-বিতণ্ডা হয়েছিল ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের। গত রোববার রাজধানীর এলিফেন্ট রোডের সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়। পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে চিকিৎসকের বাক-বিতণ্ডা চিকিৎসক সাঈদা শওকত জেনির সঙ্গে তর্ক করা সেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মো. মামুনুর রশীদ ঢাকা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার। তাকে বরিশাল বিভাগে বদলি করা হয়েছে।

ম্যাজিস্ট্রেট মামুন ও ওসি এস এ কাইয়ুম
চিকিৎসক সাঈদা শওকত জেনির সঙ্গে তর্ক করা সেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মো. মামুনুর রশীদ ঢাকা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার। তাকে বরিশাল বিভাগে বদলি করা হয়েছে। বিষয়টি আজ বৃহস্পতিবার রাতে নিশ্চিত করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শেখ ইউসুফ হারুন। বিশেষ কোনো ঘটনা নয়, স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুরকে বদলি করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। জানা গেছে, দৈনিক মানবজমিনের ফটোসাংবাদিক জীবন আহমেদের করা ভিডিওটি টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলে দেশব্যাপী নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত চিকিৎসক সাঈদা শওকত জেনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সহযোগী অধ্যাপক। ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে ছিলেন নিউমার্কেট থানার ওসি এসএম কাইয়ুমসহ একদল পুলিশ সদস্য। এ নিয়ে পুলিশ ও চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে দেয়া হয় পাল্টাপাল্টি বিবৃতি, যা নিয়ে মঙ্গলবার উষ্মা প্রকাশ করেন হাইকোর্ট। এক বিবৃতিতে আদালত বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এমন পাল্টাপাল্টি বিবৃতি সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত। যে ঘটনা ঘটেছে সেটা মোটেও কাম্য নয়, উপরন্তু এভাবে বিবৃতি দেয়া মোটেও উচিত হয়নি।