হোম
নির্বাচিত কলাম

ব্র্যাক আল্ট্রা-পুওর গ্র্যাজুয়েশন (ইউপিজি)-কর্মসূচির সহায়তায় জিন্নাতুনের সংসারে উন্নয়নের ছোঁয়া।

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ

brac-thakurgaon-mknewsbd

ফাইল ছবি

নুরে আলম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর মোজাতিপাড়া জিন্নাতুনের পিতা : মনসুর আলী, মাতা সখিনা। স্বামী:হুরমত আলী।খানা নং২৫ জিন্নাতুনের পিতা অন্যের বাড়িতে দিনমজুরি করে সংসার চালাত।তিনি গ্রামের একটি অতিদরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। জিন্নাতুনের পিতা অত্যন্ত দুঃখ কষ্টের মধ্যে সংসার চালাতো। কাজ না পেলে তাদের পরিবারের সবাইকে অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাতে হতো।মাত্র ১৩ বছর বয়সে জিন্নাতুনের বাবা একই গ্রামের মোজাতিপাড়ার আলতাফ হোসেনের ছেলে হুরমত আলীর সাথে তার বিয়ে দেয়। হুরমতের পিতার পরিবার ছিল অত্যন্ত দরিদ্র। অভাবী সংসার বলে বিয়ের কিছুদিন পরে আলতাফ হোসেন ছেলে এবং ছেলের বউকে আলাদা করে দেয়। পিতার সংসার থেকে পৃথক হয়ে যাওয়ার পর জিন্নাতুন এবং তার স্বামী দিশেহারা হয়ে পড়ে। পৃথক সংসার জীবনে তারা পিতার পরিবার থেকে কিছুই পায়নি। শুরু হলো তাদের আরো কষ্টের জীবন। এরই মধ্যে জিন্নাতুনের গর্ভে সন্তান আসে। অভাবের তাড়নায় জিন্নাতুন গর্ভে সন্তান নিয়ে স্বামীর মতো সেও অন্যের বাড়িতে কাজ করতে থাকে। কিছুদিন পর জিন্নাতুনের কোলে আসে একটি ফুটফুটে পুত্র সন্তান। অভাবের তাড়নায় সে তার সন্তানকে ঠিকমতো ভরণপোষণ দিতে পারে নাই। পর্যায়ক্রমে তার আরো দুটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। হুরমত আলী গ্যাসট্রিক ও কোমরে ব্যাথার কারনে ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। ফলে জিন্নাতুনকে একাই সংসারের আয়-উপার্জনের দায়ভার বহন করতে হয়। অন্যের বাড়িতে ধান সিদ্ধ করার কাজ, ঘর মোছার কাজ, কাপড়-চোপড় ধোয়ার কাজ, কাথা সেলাইয়ের কাজ ও আলু তোলার কাজের মতো কাজগুলি তাকে করতে হতো। এদিকে ৩ সন্তানের জনক হুরমত আলীর শরীর আরো দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে জিন্নাতুন অন্যের বাড়িতে কাজ কর্ম করে দুঃখ কষ্টের সাথে দিনাতিপাত করতে থাকে। সংসার নামক সমুদ্রে জিন্নাতুন যখন কুল খঁুজে পায় না, ঠিক সেই মুহূর্তে ঠাকুরগাঁও সদর ব্র্যাক আল্ট্রা – পুওর গ্র্যাজুয়েশন কর্মসূচির মাধ্যমে ২০০৬ সালে একজন অতিদরিদ্র সদস্যা হিসেবে তাকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়। ইউপিজি সদস্য হিসাবে চুড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর জিন্নাতুনকে কর্মসূচির উদ্দেশ্য ও বিভিন্ন এন্টারপ্রাইজ সম্পর্কে খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে বুঝনো হয়। জিন্নাতুন গাভী ও মুরগী পালনকে তার জীবনের উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে বেছে নেয়। ব্রাক প্রতিনিধি গোলাম মোস্তফা বলেন, কর্মসূচির নিয়ম অনুযায়ী জিন্নাতুনকে ৪ দিনের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ শেষে তাকে ১টি গরু ও ১০টি মুরগী প্রদান করা হয়। গরুর ঘর তৈরি করার জন্য ৩টি টিন কিনে দেওয়া হয় এবং সহায়ক ভাতা হিসেবে মোট ২৭৩০ টাকা প্রদান করা হয়। ব্র্যাক কমর্ী প্রতি সপ্তাহে বাড়ি পরিদর্শনের মাধ্যমে নাম লেখা শেখানো, সামাজিক ও স্বাস্থ্য বিষয়ক নির্ধারিত ১০টি ইস্যুর উপর শিক্ষা দান করে এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা করতে শেখায়।কর্মসূচিতে অন্তভুর্ক্তির ১৮ মাস পূর্ণ হওয়ার পর তাকে আবার অফিসে ডেকে এনে ৩ দিনের মনোবল উন্নয়ন প্রশিক্ষণথ প্রদান করা হয়। মনোবল উন্নয়ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারার সাথে সম্পৃক্ত করা হয়। ব্র্যাক অফিস থেকে ১টি গরু ও ১০টি মুরগী এবং সহায়ক ভাতা সহ সকল ধরনের সহযোগিতা ও গ্রামদারিদ্র বিমোচন কমিটির সম্মিলিত সহযোগিতায় জিন্নাতুন তার জীবনে সুখের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে তখন।

brack-thakurgaon-mknewsbd.

Brac-thakurgaon-mknewsbd.

সে তার প্রশিক্ষণ থেকে কারিগরি জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে ১টি গরু ও ১০টি মুরগী যত্নের সাথে লালন পালন করতে থাকে। ৩ মাস গরু পালন করার পর গরুটি গর্ভবতর্ী হয়। ২ মাস মুরগী পালন করতে থাকাবস্থায় মুরগীগুলো ডিম পাড়তে শুরু করে। ডিম বিক্রির মাধ্যমে জিন্নাতুনের সংসারে আয় শুরু হয়।অপরদিকে ৯ মাসের ব্যবধানে তার গরুটির বাচ্চা হয়। তখন তার মনে সুখের স্বপ্ন বাড়তে থাকে। এদিকে মুরগীগুলো ডিম পাড়ে এবং বাচ্চা ফুটায়। কিছুদিন পর জিন্নাতুন ১২টি মুরগী ১৮০০ টাকায় বিক্রি করে। সে ৩০০ টাকা খাবার কাজে ব্যয় করে এবং বাকি ১৫০০ টাকা দিয়ে ১টি ছাগল ক্রয় করে। ৬ মাস পর ছাগলটির ২টি বাচ্চা হয়। এভাবে ১ বছর পর জিন্নাতুনের মুরগী বিক্রি করে আরো ২০০০ টাকা আয় হয়। যা সে বর্গা জমিতে ফসল উৎপাদনের কাজে ব্যয় করে।জিন্নাতুন ছাগলের বাচ্চা দুটি ২৮০০ টাকায় বিক্রি করে এবং ২২০০ টাকার মুরগী ও ডিম বিক্রি করে মোট ৫০০০ টাকা পায়। এ সময় সে ব্র্যাক থেকে ১০০০০ টাকা ঋণ নেয়। মোট ১৫০০০ টাকা দিয়ে ১০ শতক জমি বন্ধক নেয়। ১০ শতক জমিতে সে পর্যায়ক্রমে ধান ও আলু চাষ করে। এদিকে জিন্নাতুনের ছাগলটি আবার গর্ভবতর্ী হয় ও বাচ্চা প্রদান করে এবং মুরগীগুলো পর্যায়ক্রমে ডিম ও বাচ্চা দেয়। অন্যদিকে তার গরুর বাছুরটি বড় হয় এবং গরুটিও পুনরায় গর্ভবতী হয়। সে কিছু দিন পর ২টি গরু, ৩টি ছাগল ও কিছু মুরগী বিক্রি করে মোট ২৮,০০০/- টাকা দিয়ে বসত ভিটার জন্য ৩ শতক জমি ক্রয় করে। তারপর ১টি গরু, ৫টি ছাগল ও মুরগী বিক্রি করে মোট ২০,০০০/- টাকা দিয়ে তার স্বামীকে সালন্দর বাজারে একটি পানের দোকান করে দেয়।পানের দোকানের বেচা-কেনা বেশ ভাল হতে থাকে। কিন্তু তার স্বামীর কোমড়ের ব্যাথার কারনে বেশিক্ষণ দোকানে বসে থাকতে পারে না। ফলে তার বড় ছেলে দোকানের কাজে নিয়মিত ভাবে সহযোগিতা করে।

জিন্নাতুন ব্র্যাক থেকে ২০,০০০/- টাকা বিষয়
নিয়ে দোকানে বিনিয়োগ করে। দোকান থেকে অর্জিত আয় এবং ছাগল, মুরগী ও বন্ধকী জমির ফসল বিক্রি করা আয় থেকে ১,০০,০০০/- টাকা এবং আরও ৫০,০০০/- টাকা ব্র্যাক থেকে ঋণ নিয়ে মোট দেড় লক্ষ টাকা দিয়ে আবারও ১০শতক বসত ভিটার জমি ক্রয় করে। ফলে তার বসত ভিটার জমি পরিমাণ হয় ১৩ শতক। উল্লেখিত আয়ের খাত থেকে পরে আরও দুই লক্ষ টাকা আয় হয় যা দ্বারা সে পাকাবাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করে। ইতিমধ্যে তার ৩ কক্ষবিশিষ্ট পাকাবাড়ি নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।এ পর্যন্ত জিন্নাতুন ব্র্যাক থেকে ৭ বার ঋণ গ্রহণ করেছে। বর্তমানে প্রয়োজন না থাকায় ঋণ নেয় নাই। সঞ্চয় জমা আছে ২২৫০ টাকা। বর্তমানে সম্পদ ও সঞ্চয় থাকার কারণে সে নিজেকে স্বাবলম্বী মনে করছে। আর্থিক উন্নয়নের পাশাপাশি জিন্নাতুনের সামাজিক ও মানসিক উন্নতিও হয়েছে। সে এখন সমাজের অবহেলিত মানুষ নয়। সামাজিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাকে দাওয়াত করে, গ্রামীণ বিচার শালিসে অংশগ্রহণ করে। তার এক ছেলে এইচ.এস.সি পাস করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য চেষ্টা করছে। আরেক ছেলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ছে। ফলে তার মনোবল দৃঢ়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জিন্নাতুন নাম লেখার পাশাপাশি সামাজিক ও স্বাস্থ্য বিষয়ক ১২টি ইস্যু শিক্ষার মাধ্যমে বাল্য বিবাহ ও যৌতুকের ক্ষতিকর দিক বলতে পারে। স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতার কারণে বাড়ির আশপাশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখে। এখন সে স্বাস্থ্য সম্মত ল্যাট্রিন ব্যবহার করে ও গোড়া পাকা নলকূপের পানি পান করে। সে যে কোন সমস্যা দক্ষতার সাথে সমাধান করতে পারে। জিন্নাতুনের কাছে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে সে তার ছেলেকে উচ্চশিক্ষিত করে সরকারি চাকুরীজীবী হিসেবে দেখতে চায় এবং আরো জমি ক্রয় করে ফসল উৎপাদন করে সংসারের আয় বৃদ্ধি করতে চায়। জিন্নাতুন গাভী ও মুরগী পালন করে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রখেছে। সে নিজে স্বাবলম্বী হয়েছে এবং সন্তানদেরকে সুপরামর্শ দিয়ে দারিদ্রতার অভিশাপ থেকে মুক্ত রাখবে।

ফেসবুক মন্তব্য

মতামত জানান :

সর্বশেষ খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে বজ্রপাতে নারীসহ দুজনের মৃত্যু, আহত- ২।
দুর্ঘটনা 5 hours আগে

রাজশাহী দুর্গাপুর এসিল্যান্ড কার্যালয়ের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক বরাবর
আইন-বিচার 1 day আগে

সাভার মডেল থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন সাইফুল
আইন-বিচার 1 day আগে

দিনাজপুরে যে কোন মূল্যে মাদক ব্যবসায়ীদের প্রতিরোধ করেই ছাড়ব-এমপি পিনাক
রংপুর 1 day আগে

দিনাজপুরের বিরামপুরে তীব্র গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং।
জনদুর্ভোগ 1 day আগে

পঞ্চগড়ে নারী উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আত্মনির্ভরশীলতা ও নারীর ক্ষমতায় বিষয় মতবিনিময়
রংপুর 1 day আগে

দিনাজপুরে এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
অপরাধ 2 days আগে

নাগরিক ভাবনা: বাবার এক টুকরো অভিমান এবং আমার জীবনের পূর্ণতার
নাগরিক ভাবনা 3 days আগে

রাজশাহীতে সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত সাংবাদিক সম্রাট।
দুর্ঘটনা 3 days আগে

সান্তাহারে ভেজাল আইসক্রিম কারখানায় অভিযানে ১০ লক্ষ টাকার মালামাল জব্দ,গোডাউন
আইন-বিচার 3 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক