admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৪ মে, ২০২১ ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
হুমায়ন কবির রেজা, স্টাফ রিপোর্টারঃ ১০ বছর আগে ১০ হাজার টাকায় ভাড়া জায়গায় শুরু করা নার্সারিটির পরিধি ও আয় বেড়েছে অনেক। ফলজ, বনজ, ওষধি কিংবা সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য সব ধরনের চারাই আছে সেখানে। একটি নার্সারি দিয়ে শুরু, বর্তমানে নার্সারির সংখ্যা পাঁচ। নার্সারি করেই ভাগ্য বদলে ফেলেছেন দলুয়া বাজারের বীরগঞ্জ উপজেলার মতিউর রাহমান ও তাঁর ছেলে মো. জহিরুল ইসলাম। নার্সারির নামকরণ করা হয়েছে মুরাদ নাসারি। এই নার্সারি থেকে প্রতি মাসে গড়ে তিরিশ থেকে চল্লিশ হাজার টাকার গাছের চারা বিক্রি করে বাবা-ছেলের এখন মাসিক আয় ৬০ হাজার টাকা। শখের বশে নার্সারি তৈরি করা হলেও বর্তমানে তা রুটিরুজির অবলম্বন।
মুরাদ নার্সারির চারার সুনাম নিজ এলাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছে। এই নার্সারিতে এসে অনেকেই নার্সারি তৈরির পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ নিয়ে যান। বীরগঞ্জ উপজেলার দলুয়া বাজার,এলাকার পাসে প্রায় দুয় একর জায়গাজুড়ে নার্সারিতে নিয়োজিত প্রায় ০৫ জন শ্রমিক। বাবা–ছেলের সঙ্গে শ্রমিকেরাও নার্সারি থেকে রোজগার করে সংসার চালাচ্ছেন।
কথা হয় নার্সারির পরিচালক মো.মতিউর রাহমান এর সঙ্গে। তিনি মুরাদ নার্সারির পরিচালনার পাশাপাশি মসজিদের সহকারি ইমাম হিসেবেও কাজ করছেন। বলেন, সে সুবাদে বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে চলাফেরা করতেন। তাঁদের সঙ্গে থাকতে থাকতে গাছের প্রতি ভালোবাসা জন্ম নেয়। পরবর্তী সময়ে ২০১১ সালের দিকে শখের বশে সামান্য জায়গা নিয়ে খুব ছোট পরিসরে একটি নার্সারি করেন। তখন তাঁর মূলধন ছিল মাত্র ১০ হাজার টাকা। সেই টাকা দিয়েই বীজ ও গাছ কিনে নার্সারি শুরু করেন। পরে দীর্ঘমেয়াদি বৃহৎ পরিসরে বাবা-ছেলে একসঙ্গে নার্সারি জন্য কাজ করতে থাকেন। আর এতেই এসেছে সাফল্য।
জহিরুল ইসলাম বলেন, নার্সারি থেকে এখন প্রতি মাসে প্রায় দু লাখ টাকার গাছের চারা ও করা হয়। সব খরচ মিটিয়ে মাসে প্রায় ৬০ হাজার টাকা মুনাফা থাকে।
এখন মানুষ খুব শৌখিন বলে জানালেন জহিরুল ইসলাম। বাড়ির সৌন্দর্য বর্ধনে অনেকেই বাহারি গাছ লাগান। তাঁদের নার্সারি থেকে বিভিন্ন পার্কসহ বন বিভাগের লোকেরা চারা সংগ্রহ করে থাকেন। ভারত ও চীন বিভিন্ন গাছের বীজ কিনে চারাও তাঁরা তৈরি করছেন। নার্সারির স্বত্বাধিকারী মতিউর রাহমান বলেন, নার্সারি ব্যবসা লাভজনক হলেও ভালো প্রশিক্ষণ না থাকলে এ ব্যবসায় আসা ঠিক নয়। নার্সারিতে প্রচুর সময় দিতে হয়। আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে চারা বাঁচিয়ে রাখতে হয়। একটি বীজ থেকে চারা তৈরিতে প্রচুর শ্রম লাগে। যাঁরা প্রচুর শ্রম ও ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা রাখেন, তাঁরাই এ ব্যবসায় লাভবান হতে পারবেন।।
কথা হয় নার্সারির পরিচালক মো.মতিউর রাহমান এর সঙ্গে। তিনি মুরাদ নার্সারির পরিচালনার পাশাপাশি মসজিদের সহকারি ইমাম হিসেবেও কাজ করছেন। বলেন, সে সুবাদে বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে চলাফেরা করতেন। তাঁদের সঙ্গে থাকতে থাকতে গাছের প্রতি ভালোবাসা জন্ম নেয়। পরবর্তী সময়ে ২০১১ সালের দিকে শখের বশে সামান্য জায়গা নিয়ে খুব ছোট পরিসরে একটি নার্সারি করেন। তখন তাঁর মূলধন ছিল মাত্র ১০ হাজার টাকা। সেই টাকা দিয়েই বীজ ও গাছ কিনে নার্সারি শুরু করেন। পরে দীর্ঘমেয়াদি বৃহৎ পরিসরে বাবা-ছেলে একসঙ্গে নার্সারি জন্য কাজ করতে থাকেন। আর এতেই এসেছে সাফল্য।
জহিরুল ইসলাম বলেন, নার্সারি থেকে এখন প্রতি মাসে প্রায় দু লাখ টাকার গাছের চারা ও করা হয়। সব খরচ মিটিয়ে মাসে প্রায় ৬০ হাজার টাকা মুনাফা থাকে।
এখন মানুষ খুব শৌখিন বলে জানালেন জহিরুল ইসলাম। বাড়ির সৌন্দর্য বর্ধনে অনেকেই বাহারি গাছ লাগান। তাঁদের নার্সারি থেকে বিভিন্ন পার্কসহ বন বিভাগের লোকেরা চারা সংগ্রহ করে থাকেন। ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, ভারত ও চীন বিভিন্ন গাছের বীজ কিনে চারাও তাঁরা তৈরি করছেন। নার্সারির স্বত্বাধিকারী মতিউর রাহমান বলেন, নার্সারি ব্যবসা লাভজনক হলেও ভালো প্রশিক্ষণ না থাকলে এ ব্যবসায় আসা ঠিক নয়। নার্সারিতে প্রচুর সময় দিতে হয়। আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে চারা বাঁচিয়ে রাখতে হয়। একটি বীজ থেকে চারা তৈরিতে প্রচুর শ্রম লাগে। যাঁরা প্রচুর শ্রম ও ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা রাখেন, তাঁরাই এ ব্যবসায় লাভবান হতে পারবেন।।