ডাঃ নুরল হক,বিরামপুর দিনাজপুর প্রতিনিধি || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১০ জুন, ২০২৬ ২:৩৭ অপরাহ্ণ
দিনাজপুরের বিরামপুর ঘোড়াঘাট ব্যস্ততম আঞ্চলিক মহাসড়কের টি /১০১ রেল ক্রসিং এর বেরিয়ার প্রায় এক মাস যাবত অকেজো বেরিয়ারের পিনিয়ন,চাকা, হ্যান্ডেল, ভেঙ্গে অকেজো হয়ে পড়ে আছে । ফলে রশি দিয়ে ক্রসিংয়ে গাড়ি থামানো হয়।
উত্তরাঞ্চলের গোবিন্দগঞ্জ- দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে ঘোড়াঘাট টি/১০১ রেল ক্রসিং দিয়ে দিনে -রাতে হাজার হাজার যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হয়। ব্যস্ততম আঞ্চলিক মহাসড়কের রেল ক্রসিংয়ে রশি দিয়ে বেরিয়ারের কাজ চালানো মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। রাতের বেলায় যানবাহনের চালক রশি দেখতে না পাওয়ায় রশি ছিড়ে রেল ক্রসিং পার হয়। ফলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে গেটম্যান সাইফুজ্জামান সবুজ জানায়। তিনি আরো জানায়, অনেক সময় রাতের বেলায় হ্যান্ড লাল সংকেত দিয়ে যানবাহন আটকানোর চেষ্টা করা হয় কিন্তু যানবাহন চালক (ড্রাইভার) সংকেত না মেনে ভিতরে চলে আসে। অনেক সময় ক্রসিংয়ে যানবাহন আটকে গেলে লাল সংকেত দিয়ে ট্রেন থামনো হয়।
এদিকে রাস্তা প্রশস্ত হওয়ায় বেরিয়ার ছোট। রাস্তা ৪২ ফিট বেরিয়ার ৩২ ফিট। ক্রসিংয়ে বেরিয়ার ফেলানোর পর ১০ ফিট রাস্তা ফাঁকা থাকে। ফাঁকা জায়গা দিয়ে অটো রিক্সা ,ভ্যান মোটরসাইকেল ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হয়। বর্তমান রাস্তা প্রশস্ত হওয়ায় ৫২ ফিট বেরিয়ার প্রয়োজন। কিন্তু ৫২ ফিট বেরিয়ার উঠানামা করা মারাত্মক সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা।
জন নিরাপত্তার স্বার্থে রেল ক্রসিংয়ের দুপাশে ন্যূনতপক্ষে ১শত মিটার ডিভাইডার প্রয়োজন। এতে রেল ক্রসিংয়ের নিকট কোন জ্যাম বা চাপ হবে না । ইতোপূর্বে রেল ক্রসিং যতবার দুর্ঘটনা হয়েছে, কারণ হিসেবে গেটের সাথে দু’পাশের ছোট বড় গাড়ির জ্যাম।
এ বিষয়ে উপ সহকারী প্রকৌশলী (I W )আব্দুর রহমান জানান, বেরিয়ার সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে ,অল্পদিনের মধ্যে নতুন বেরিয়ার লাগানো হবে। এবং রেল ক্রসিংয়ে ৫০ মিটার ডিভাইডারের জন্য সড়ক জনপদের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। ডিভাইডার হলে ডবল বেরিয়ার সিস্টেম করা হবে বলে জানান।