admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১ জুলাই, ২০২৫ ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ
ডাঃ নুরল হক বিরামপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুর জেলার বিরামপুর পৌরশহরে প্রতিদিন প্রায় ১৫ থেকে ২০টি গরু জবাই করা হয়। গোস্ত ব্যবসায়ীগণ (কসাই) ভোরবেলা সূর্য ওঠার আগেই পৌর শহরের যত্রতত্র গরু জবাই করে গোস্ত প্রসেস করে পৌর শহরের কলেজ বাজার।
ফসিউদ্দিন মার্কেটের (রেলগেট) সামনে, পূর্ব পাড়া মোড় সহ পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করেন। অনেকে হোটেল রেস্তোরায় মাংস সরবরাহ করে থাকে। মাংস ক্রেতাগণ যার যতটুকু প্রয়োজন এবং অনেকেই মিলাদ মাহফিল, এতিমখানায়, হালিম তৈরিতে, হোটেল রেস্তোরায় এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য গোস্ত ক্রয় করে থাকেন। কথা উঠেছে জনসাধারণ কি অসুস্থ ,রুগ্ন গরুর গোস্ত ক্রয় করছেন?
জনগণের অভিমত রুগ্ন ,অসুস্থ এবং মৃত্যু প্রায় অবস্থায় গরু অল্প টাকায় খরিদ করে লোক চক্ষুর আড়ালে গোপনীয় ভাবে জবাই করে মাংস বাজারে বিক্রি করছেন কি না, এ বিষয়ে কেউ নিশ্চিত নয়। ইতোপূর্বে অসুস্থ মরণাপন্ন গরু জবাই করার ঘটনা ঘটেছে এবং জরিমানাও হয়েছে। এখনো ওই ধরণের ঘটনা ঘটছে কিনা জনগণ ধারণা করছেন।
তথ্যসূত্রে জানা যায় ,গত ২৭ জুন/২৫ কাটলা ইউনিয়নের উত্তর কাটলা অভিরামপুর গ্রামের আমির উদ্দিনের ছেলে নজরুল ইসলাম নজু তার বাড়িতে গাভ অবস্থায় একটি গরু পড়ে গিয়ে কোমর ভেঙে যায়। গরুটি কয়েক মাস পড়ে থাকে এবং প্রসব হওয়া পর্যন্ত গরুর মালিক অপেক্ষা করেন। কয়েকদিন আগে গরুটির প্রসব হওয়ার কয়েকদিন পরেই কশাইয়ের নিকট বিক্রি করে গরুর মালিকের বাড়িতেই জবাই করে। বাছুরটি জীবিত রয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুজহাত তাসনিম আওন তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।
বিধি মতে নির্দিষ্ট স্থানে ডাক্তারি পরীক্ষা নিরীক্ষার পর সুস্থ সবল গরু জবাই করার নিয়ম থাকলেও পৌর শহরে সে ব্যবস্থা নেই। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে অনেক লেখালেখিও হয়েছে। এই বিষয়ে সেনেটারি ইন্সপেক্টর ইসমাইল হোসেনের নিকট জানতে চাইলে তিনি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পারেন বলে জানা
বিগত কয়েক বছর আগে বিরামপুর গো-হাটি নির্দিষ্ট স্থানে ইন্সপেক্টর কর্তৃক পরীক্ষায় নিরীক্ষার পর গরু জবাই করা হতো। এখন সেই নিয়মটি নেই। এ বিষয়ে মাংস ব্যবসায়ীদের নিকট জানতে চাইলে তারা জানান, বিষয়টি ভালো ছিল কিন্তু পরীক্ষার নিরীক্ষা সময় কালক্ষেপণে পশু জবাই করে মাংস তৈরিতে বাজার জাত করণে ৯/১০ টা বেজে যায়।
যে গোস্ত সকাল ৮ টা থেকে ৯ টার মধ্যে বিক্রি শেষ হয়ে যায় সেখানে গোস্ত বিক্রয়ের জন্য বিকেল পর্যন্ত বসে থাকতে হয়। ফলে নিয়মটি আস্তে আস্তে অনিয়মে পরিণত হয়েছে।
তারা আরো জানান, বিরামপুরে প্রায় ২০ থেকে ২২ জন গোস্ত ব্যবসায়ী (কসাই) রয়েছেন। ব্যবসায়ীদের নিয়ে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সচেতনতা মূলক মত বিনিময়ের ব্যবস্থা নিতে পারেন।