admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৯ মে, ২০২৪ ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ লালমনিরহাট জেলাধীন আদিতমারী উপজেলার ৫নং সাপ্টীবাড়ী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের পূর্বদৈল জোর এলাকার মরহুম ছলিমুদ্দিন ব্যাপারী ও মাতা মোছাঃ ছালেমা বেগমের পুত্র মোঃআজাদ ও পুত্রবধু মোছাঃ সাথী আক্তার হতদরিদ্র পরিবার হওয়ার কারনে দীর্ঘদিন ধরে ঐ হতদরিদ্র পরিবার ২ কন্যা সন্তানকে নিয়ে ঢাকার গাবতলী মিরপুর বালুরঘাটে জাহাজে পাথর ও কয়লার কাজ করে অত্যন্ত মানবতার সহিত অতিকষ্ঠে জীবিকা নির্বাহ করে আছেন।
ঐ হতদরিদ্র পরিবারের আজাদ ও সাথী আক্তার জানান জাহাজে কাজ করতে গিয়ে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি উপজেলার ঢোলভাংগা ব্রীজবাজার ব্রীজবাজার গ্রামের মরহুম আজিজুল হকের স্ত্রী মোছাঃফরিদা বেগম(৪৫) মেয়ে মোছাঃ আরজিনা বেগম, মোছাঃ বিথী আক্তার সুমী ও মেয়ের জামাইয়ের সাথে কাজ সময় পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে ঐ ফরিদা বেগম হতদরিদ্র আজাদ ও সাথীকে ধর্ম ভাই ভাবী ডাকতেন এমনকি আজাদ ও সাথী হতদরিদ্র হওয়ার কারনে দারিদ্রতার সুযোগ নিয়ে ঐ ফরিদা বেগম ও তার মেয়ে আরজিনা বেগম মেয়ের জামাই ও ছোট মেয়ে মোছাঃ বিথী আক্তার সুমী আজাদ ও সাথীকে বিদেশে ভাল বেতনে কর্ম দেওয়ার প্রলোভন দেন।কিছু দিনের মধ্যেই ঐ হতদরিদ্র পরিবারে পুত্র সন্তানের আশায় আবারোএকটি শিশু কন্যা জন্ম নেয়।এই সকল দারিদ্রতার সুযোগের ঐ ফরিদা বেগমগং আজাদ ও সাথীকে বিনা টাকায় সৌদি আরবে কাজের জন্য প্রলোভন দেখাতে থাকে এবংআজাদ ও সাথী আক্তারের সর্বকনিষ্ট মেয়ে মোছাঃ সেলিনা মাহমুদ বৃষ্টি(৪মাস) শিশু লালন পালনের দায়িত্ব নিবে বলে দিনের পর দিন প্রলোভন দিতে থাকেন।
বিভিন্ন সুত্রে হতদরিদ্রের পরিবারের আজাদ ও সাথীর নিকট থেকে পাওয়া যায় গত ১৯শে জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে আজাদ ও সাথীর পাসপোর্ট ও ভিসা প্রসেসিং করার জন্য ঐ ফরিদা বেগমগং আজাদ ও সাথীর কাছে থেকে ৩০০ টাকার ফাকা দলিলে স্বাক্ষর নেন। এমনকি আজাদ ও সাথীর ছোট্ট মেয়ে মোছাঃ সেলিনা মাহমুদ বৃষ্টিকে মাঝে মধ্যেই ফরিদা বেগমগং তাদের বাসায় নিয়ে রাখতেন বলে জানান।
আজাদ ও সাথী আক্তার আরো জানান মোছাঃ সেলিনা মাহমুদ বৃষ্টি জন্ম গ্রহণের ১৫দিন পরে ফরিদা বেগমগং আজাদ ও সাথীকে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে বৃষ্টি নামের ছোট্ট কন্যা শিশুকে অন্যে পালতে দিয়ে সেখান ২০০০০(বিশ) টাকা নিয়ে ফরিদা বেগম গং আত্মসাৎ করেন বলে জানান। পরবর্তিতে মোছাঃ সেলিনা মাহমুদ বৃষ্টি বড় চাচা জানতে পেরে টাকা ফেরত দিয়ে বৃষ্টিকে আজাদ ও সাথী আক্তারের কোলে ফিরে দেন।
এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পরে গত ০৭/০৪/২০২৪ তারিখে ঐ ফরিদা গং আজাদ ও সাথীকে আবারো বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দিয়ে বলে তোমাদের পাসপোর্ট ও ভিসা চলে আসছে তোমরা তৈরী থাক আগামী কোরবানী ঈদের আগেই তোদের স্বামী-স্ত্রীকে সৌদিতে কাজের জন্য যাইতে হবে এবং ছোট্ট মেয়ে আমাদের কাছেই বড় তোমরা দেশে ফিরে না আসা পর্যন্ত।ইতিমধ্যেই ফরিদা বেগমগং গত ১৫/০৫/২০২৪ তারিখে আজাদ ও সাথী ২জনের একই দিনে ফ্লাইটের কথা বলেন এবং আজাদ ও সাথীকে ফরিদা গং এর কাছে ছোট্ট মেয়ে মোছাঃ সেলিনা মাহমুদ বৃষ্টিকে রেখে ১৫মে ৫টার এয়ারপোর্ট যান দিকে ঐ ফরিদা গং ৪মাসের উধাও পালিয়ে যান।