admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৭ জুন, ২০২১ ৮:২২ অপরাহ্ণ
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানালেন তেলের দাম না কমার কারণ। দেশের বাজারে অল্প দিনের ব্যবধানে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে ভোজ্যতেলসহ বেশ কিছু নিত্যপণ্যের দাম। এমন প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম না কমলে দেশেও কমবে না বলে জানানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রংপুরে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। প্রতিসপ্তাহে বৈশ্বিক মার্কেট ও বিশ্ববাজার মনিটরিং করা হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বোচ্চ দামে পৌঁছেছে তেলের দাম।
করোনাকালে জাহাজ ভাড়া বাড়ায় প্রভাব পড়েছে তেলের দামে। তবে বৈশ্বিক মার্কেটে দাম কমলে দেশের বাজারেও কমবে।
এর আগে গত ২৯ মে থেকে অভ্যন্তরীণ বাজারে প্রতিলিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৫৩ টাকায়। মাসখানের ব্যবধানে তখন পণ্যটির দাম এক লাফে লিটারে ১২ টাকা বাড়ানো হয় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে।
বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন জানায়, বোতলজাত সয়াবিন তেল লিটারপ্রতি ১৫৩ টাকা, খোলা সয়াবিন ১২৯ টাকা ও পাম সুপার ১১২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন জানায়, বোতলজাত সয়াবিন তেল লিটারপ্রতি ১৫৩ টাকা, খোলা সয়াবিন ১২৯ টাকা ও পাম সুপার ১১২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
সে অনুযায়ী, ৬৮৫ টাকার ৫ লিটারের এক বোতল তেলের দাম ৪৩ টাকা বেড়ে ৭২৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত অক্টোবরে একই পরিমাণের তেলের দাম ছিল ৫০৫ টাকা। এর ফলে মাস ছয়েকের ব্যবধানে ২২৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বলছে, এক বছরের ব্যবধানে খোলা সয়াবিনের দাম বেড়েছে ৩৯ শতাংশ, ৫ লিটারের বোতলে ৩৪ শতাংশ, এক লিটারে ৩৫ শতাংশ এবং খোলা পামওয়েলে ৭৫ শতাংশ।