admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২১ ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে বিভ্রান্তি, বাড়ছে উদ্বেগ। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে। সর্বশেষ ঘোষণায় ২৯ মে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা থাকলেও তার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এভাবে একের পর এক ঘোষিত তারিখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খোলায় বিভ্রান্তি বাড়ছে, অভিভাবকদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা উঠেছে চরমে। ‘নতুন তারিখ’ ঘোষণা করা হলেও তাতে আস্থা রাখতে পারছেন না তারা।
মাঝে ভাইরাসটির উপদ্রব কমে যাওয়ায় শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের দাবির মুখে আগামী ২৩ মে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। দীর্ঘদিন পর নতুন তারিখ পেয়ে আশাবাদী হয়ে উঠেছিল সবাই। কিন্তু ওই ঘোষণার পরপরই শুরু হয় সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ। স্বাভাবিকভাবেই হতাশ হয়ে পড়েন সবাই। এক সপ্তাহ বাড়িয়ে ছুটি নেওয়া হয়েছে ২৯ মে পর্যন্ত। এই তারিখেও যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে না, তা প্রায় নিশ্চিত। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলরা সেটা অনেকটা স্পষ্ট করেই জানাচ্ছেন। তাহলে কবে খুলবে, সেই ইঙ্গিতও কেউ দিতে পারছে না। সবমিলিয়ে নিদারুণ এক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে শিক্ষাখাতের ভবিষ্যত দিয়ে।
সম্প্রতি একটি বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাসের টিকা দিয়ে তবেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খেলার কথা ভাবছে সরকার। এমন বক্তব্যে অনিশ্চয়তার পারদ আরও ওপরে উঠেছে। কারণ শিক্ষার্থী তো দূরের কথা, শিক্ষক-কর্মচারীদেরকেই এখন পর্যন্ত টিকা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ওদিকে টিকার সঙ্কটের কারণে ইতোমধ্যে প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশে এখন ৪০ বছরের বেশি বয়সীদের টিকা দেওয়া হচ্ছে, তাও আবার চাহিদা অনুযায়ী সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় ১৮ বছরের কম বয়সীদের কখন টিকা দেওয়া হবে, তার প্রাথমিক ধারণাও দেওয়া সম্ভব নয়। অভিভাবকরা রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন সন্তানের শিক্ষাজীবনের ভবিষ্যত নিয়ে। তারা সরকারের কাছে একটা স্পষ্ট নির্দেশনা আশা করছেন।