admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২ জানুয়ারি, ২০২২ ১:৩৬ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে আসতে পারে কঠোর বিধিনিষেধ, ট্যাবলেট টিকার বিকল্প নয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট বা ধরন ওমিক্রন। এ নিয়ে দেশে দেশে কড়াকড়িও চলছে। তবে ওমিক্রন সংক্রমনের দিক থেকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে বাংলাদেশের অবস্থা অনেক ভালো বলেই জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, বিশ্বের কিছু দেশে যেভাবে ওমিক্রন হানা দিয়েছে, সেই তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থা ভালো। বাংলাদেশে ইতোমধ্যে করোনার প্রতিষেধক হিসেবে টিকার পাশাপাশি মুখে খাওয়ার ট্যাবলেট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং সেটা দেশের বাজারে চলে এসেছে। তবে টিকার বিকল্প নয় এই ট্যাবলেট।
করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ ঠেকাতে আবারো কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। মানিকগঞ্জ নার্সিং ইনস্টিটিউটে বুস্টার ডোজ টিকা প্রদান অনুষ্ঠানে শনিবার, ১ জানুয়ারি, বিকেলে স্থানীয় সংবাদ কর্মীদের এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক, প্রশাসন, অধ্যাপক ডা. সামিউল ইসলাম, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর ডা. শামসুল হক, জেলা প্রশাসক আব্দুল লতিফ, ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন লুৎফর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ঠেকাতে দেশবাসীকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, যুক্তরাজ্যে ১ লাখ এবং যুক্তরাষ্ট্রে ৪ লাখ পর্যন্ত ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমিত হয়েছে। আমাদের দেশে এই অবস্থা হোক, সেট আমরা চাই না। তবে দেশকে সুরক্ষিত রাখতে হলে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। মাস্ক অবশ্যই পরতে হবে, কারণ প্রাথমিকভাবে আমাদের সংক্রমণ ঝুঁকি কমাবে এই মাস্ক। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আরো বলেন, যেভাবে সংক্রমণের হার বাড়ছে, তাবে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে আমাদের কঠোরতা অবলম্বন করতে হবে।
তিনি বলেন, ওয়ার্ড পর্যায়ে ইতোমধ্যে করোনার টিকা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা, চলতি জানুয়ারি মাসে অন্তত ৪ কোটি ডোজ টিকা দেওয়া সম্ভব হবে। এ ছাড়া আগামী এপ্রিল থেকে মে বাসের মধ্যেই আমরা সাড়ে ১২ কোটি জনগণকে দ্বিতীয় ডোজ সম্পন্ন করতে পারব বলে আশা করা যায়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে টিকার কোনো অভাব নেই। টিকা কার্যক্রম সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে যাবতীয় ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন করা হয়েছে। চীন থেকে নতুন আরো ৬ কোটি সিরিঞ্জ আমদানি করা হয়েছে টিকা দেওয়ার জন্য। দেশের ৬টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে করোনার মুখে খাওয়ার প্রতিষেধক রেটিনোভি ও নির্মাট্রেলভি বাজারজাতকরণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বাজারজাত শুরু করেছে বেক্সিমকো।