admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
মোঃহারুন-অর-রশিদ বাবু, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ রংপুর ব্যুরো অফিসঃ ফারাক্কা বাঁধ খুলে দেওয়ায় তিস্তার পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রংপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত। পানিবন্দি হয়েছে কয়েক হাজার মানুষ। রংপুরের গঙ্গাচড়া ও পীরগাছা উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল পানির নিচে। লাগাতার বৃষ্টির কারণে ও উজান থেকে বয়ে আসা পানির কারণে পাওটানা এলাকার পুর্ব প্রান্তে ৫নং ছাওলা ইউনিয়ন ও ৬নং তাম্বুলপুর ইউনিয়নের কয়েকশত পরিবার পানি বন্ধি হয়ে অনাহার অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছে।সংকট দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি বন্দি চারিদিকে পানির খারণে খাদ্যের ওভাব চরম আকারে দেখা দিয়েছে। পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে মৌসুমী সব ফসল, নিঃস্ব হয়েছে অত্র এলাকার সকল কৃষক।
অত্র এলাকার সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের অভিযোগ এই বন্যায় আমরা অসহায় হয়ে পরেছি। আমাদের এলাকার কোন নেতা বা মেম্বার চেয়ারম্যান কেউ-ই আমাদের কোন খোঁজ খবর নেয়’নি বা সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেনি পাইনি কোনো সরকারি সাহায্য! নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বৃদ্ধ বলেছেন বাবা হামরা হাকিম চেয়ারম্যানের চেহারাও ভুলি গেছি, ঐযে ভোটের সময় ভোট চাওয়ার তানে য়াইসছিল এরপর আর তাঁক এই এলাকায় দেখনি, অত্র দুই ইউনিয়নের দুই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বন্যার্ত কবলিত এলাকার মানুষের একই অভিযোগ।
পানিতে সব ডুবে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানির পাচ্ছেনা না, তারা আশংকায় ভুগছেন যে কোন মুহুর্তে পানিবাহিত রোগব্যাধি আক্রমণ করতে পারে, দু’একজনের ডায়রিয়া দেখা দিয়েছে, অতিদ্রুত এর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে ডায়রিয়া, কলেরা মহামারী আকার ধারণ করতে পারে।
ছাওলা ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান আবদুল হাকিম এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন মাত্র দু’দিন আগে আমি বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ দিয়ে ঢাকায় এসেছি। তবে স্থানীয় সুত্রে তার বক্তব্যের কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি।
তাম্বুলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবু সর্দারের মুঠোফোনে কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এলাকার মানুষের অভিযোগ সাহায্যের কথা বলা হবে দেখে অপরিচিত নাম্বার কল রিসিভ করেনা। অত্র এলাকার মানুষ মুক্ত কলমকে জানান তাদের প্রায় নামের লিস্ট ও ভোটার আই ডি কার্ডের ফটোকপি চেয়ারম্যান মেম্বারের মাধ্যমে নিয়ে যায় কিন্তু কোনো প্রকার সাহায্য দেয়না।