admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১০ মে, ২০২০ ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
নাগরিক ভাবনা অ্যাাড. আবু মহিউদ্দিনঃ ঠাকুরগাঁও শহরে যেতে হয়েছিল ঔষধ নিতে। সীমিত আকারে দোকানপাট খোলাও এক সঙ্গে দেখা হলো। কাপড় চোপড়ের দোকানে মহিলাদের ভীড় দেখে বোঝার উপায় খুব কম যে দেশে একটা দুর্যোগ চলছে এবং এই দুর্যোগে ঘরে থাকতে হবে। মনে হয় মিনা বাজার। মহিলারা আবার তাদের অবুঝ সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে এসেছে। ভাব দেখে মনে হলো টাকা এখনই খরচ না করলেই নয়। যদি কাপড়চোপড় শেষ হয়ে যায়। তাহলে ঈদটাই মাটি হবে। ভয়ঙ্কর ব্যপার হলো দোকান মালিকরা এতো পরিমান লোভী যে তারা নিজেদের থেকে নিরাপত্তার কোন ব্যবস্থায়ই করেনি। অনেকে মুখে মাস্কও পরেনি।
সাধারণ ক্রেতারাতো একটু নিয়ম ভাঙ্গার চেষ্টা করবে। একটা কথা বলা যায় বাঙ্গালী জাতির সব কিছু আছে শুধু সময় নাই। কোন কাজে তারা সময় দিতে চায়না। সে দোকানে হোক আর ব্যাংকেই হোক, লাইনে দাঁড়াতে প্রেষ্টিজে লাগে। দোকান মালিকরা আগের মতোই আসন ব্যবস্থা রেখেছে। রাস্তায় অনেক মানুষকে সচেতন দেখা গেলেও মহিলা ক্রেতা এবং দোকান মালিকদের অসতর্কতা সর্বনাশ ডেকে আনতে পারে।
এখানে অকার্যকর চেম্বার রয়েছে, ব্যবস্যায়ী সংগঠন ও অনেক গুলো বাহারী নামে নামে চালু আছে। কিন্তু দোকান মালিকদের উপরে তাদের কোন নিয়ন্ত্রন আছে বলে মনে করার কোন কারণ নাই। জেলা প্রশাসক যদি বাজারে ঘুরে দোকান খোলার অবস্থা দেখতে পারেন, চেম্বার নেতাদেরও তো বাজারে ঘুরে নিজেদের প্রয়োজনে সরকারি নির্দেশনা কার্যকরী করার চেষ্টা করতে দেখা যেতো ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের স্বার্থে। দোকান মালিকদের তরফ থেকে নিরাপত্তার বিষয় নিশ্চিত না হয়ে দোকান এভাবে খোলার মাসুল ঠাকুরগাঁও বাসীকে দিতে হতে পারে।