admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৩০ জানুয়ারি, ২০২১ ৪:১২ অপরাহ্ণ
মোঃ হারুন-অর-রশিদ বাবু, ষ্টাফ রিপোর্টার, মুক্ত কলম রংপুর ব্যুরো অফিসঃ রংপুরে প্রতারণা ও চাঁদাবাজি করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন পিবি আই কর্মকর্তা পরিচয় প্রদানকারী মোঃ জিল্লুর রহমান ওরফে রানা, একাধিক পরিচয় প্রদানকারী রানা কখনো সাংবাদিক কখনো সাংবাদিকদের শিক্ষক, কখনো বিশেষ আইনজীবী কখনো আবার পি বি আই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) এর ডি আই জি র্যাংকের অফিসার। এভাবে নিজেকে জাহির করে অনেকের কাছে প্রতারণা করে হাতিয়ে নিয়েছেন টাকা। সহজে যদি কেউ তার কথামতো কাজ না করে পরে সে তাকে উল্টো কৌশলে গিয়ে হুমকি ধামকি প্রদাণ করেন। সাম্প্রতিক সময়ে তার ক্ষপ্পরে পরেছেন দৈনিক শ্রমিক বার্তা পত্রিকার রংপুর প্রতিনিধি মোঃ মামুন সরকার নামের একজন সংবাদকর্মী।
সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে মানুনের সাথে পরিচয় হয় প্রতারক জিল্লুরের, দুষ্টু লোকের মিষ্টি কথায় অনেক খুশি মনে নিজের অফিসে চায়ের দাওয়াত দেন মামুন, সেই চায়ের সুত্র ধরেই সম্পর্ক গড়িয়ে যায় বন্ধুত্বে আর সেই সম্পর্কের জেরেই জিল্লুর বাগিয়ে নেন এক লক্ষাধিক টাকা, এখানেই শেষ নয় মামুনের যত আত্নীয় স্বজন আছে তাদের অনেকেই চিনতেন প্রতারক জিল্লুর তাদের কাছ থেকেও ক্যাশ এবং বিকাশের মাধ্যমে বাগিয়ে নেন অর্থ। নানান গুনে গুনাননীত প্রতারক জিল্লুর সর্বশেষ মামুনের নিকট দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে ভুক্তভোগী মামুন সেই টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করিলে প্রতারক জিল্লুর মামুনের ব্যবহৃত মোবাইল (নাম্বারে দি লিগ্যাল ভয়েস) অনলাইন নিউজ পোর্টাল এর প্রকাশক, ও এডভোকেট বার কাউন্সিল (রেজিঃ৪৩৩২) তথ্য লিখে তাকে হুমকি প্রদান করেন প্রতারক জিল্লুর রহমান। খবর নিয়ে জানা গেছে প্রতারক জিল্লুর সাতগাড়া মিস্তীপাড়া সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা মোঃ সোলায়মান চৌধুরী’পুত্র।
ছোট বেলা থেকেই সে বেশ চতুর প্রকৃতির তার নামে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে, নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক তার পাড়ার অনেকেই বলেছেন যে আমাদের এলাকার কারও কোনকিছু হলে এমনকি স্বামীস্ত্রীর ঝগড়া লাগলে সেখানেও এই প্রতারক মাথা ঢুকিয়ে টাকার ধান্দা করেন প্রতারক জিল্লুর। তার বাস্তব আয়ের উৎস জানা নেই এলাকার কারোরই, অভিযোগ আছে সে বিভিন্ন মানুষের কাছে তার পরিবারের অন্য সদস্যদের মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে হাতিয়ে নিতো টাকা। গতকাল ২৫শে জানুয়ারী ২০২১ইং সোমবার তাজহাট মেট্রোপলিটন থানায় প্রতারক জিল্লুর ওরফে রানার বিরুদ্ধে, সংবাদ কর্মী মামুন সরকার একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তাজহাট থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আখতারুজ্জামান প্রধান অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অপরাধী যত ক্ষমতাবান হোক অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ হলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।