সোহরাব আলী, পঞ্চগড় প্রতিনিধি || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০২ অপরাহ্ণ
উত্তর জনপদের পঞ্চগড়ের সীমান্ত ঘেরা উপজেলা তেঁতুলিয়ায় এখন পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। ভোরের আলো ফোটার আগেই, ফজরের আযানের পূর্ব থেকেই কাঞ্চনজঙ্ঘার রূপ দেখার আকুলতায় তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো ও রূপসী বাংলা পার্কসহ বিভিন্ন পয়েন্টে জমায়েত হচ্ছেন হাজারো ভ্রমণপিপাসু মানুষ। দেশের টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া— নানা প্রান্ত থেকে ছুটে আসছেন হিমালয়ের তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার দুর্লভ দৃশ্য নিজের চোখে উপভোগ করতে।
তবে আবহাওয়া আর কুয়াশার লুকোচুরিতে সবার ভাগ্য সুপ্রসন্ন হচ্ছে না। ভোরের মিষ্টি রোদে কখনো কাঞ্চনজঙ্ঘার বরফশুভ্র চূড়া স্পষ্ট হয়ে উঠলেও, অনেক সময় ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকছে আকাশ। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা অনেক পর্যটককেই কাঙ্ক্ষিত দৃশ্য না দেখে হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে। এদিকে, হঠাৎ পর্যটকের ঢল নামায় চরম আবাসন সংকটে পড়েছেন দর্শনার্থীরা। তেঁতুলিয়া উপজেলায় পর্যাপ্ত ও মানসম্মত আবাসিক হোটেল বা রিসোর্ট না থাকায় তৈরি হয়েছে তীব্র ভোগান্তি। রুম না পেয়ে অনেক পর্যটককেই কনকনে ঠান্ডার মধ্যে রাত কাটাতে হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে বা গাড়িতে।
স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টরা জানান, উত্তরবঙ্গের পর্যটন সম্ভাবনাময় এ অঞ্চলে আবাসন সুবিধা বাড়ানো না গেলে প্রতি বছরই ভ্রমন পিপাসু মানুষকে এমন বিড়ম্বনায় পড়তে হবে। তবে সব কষ্ট ছাপিয়েও কাঞ্চনজঙ্ঘার এক ঝলক পাওয়ার মোহে প্রতিদিন ভোর হতেই রূপসী তেঁতুলিয়ায় যুক্ত হচ্ছে হাজারো নতুন মুখ।