admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৭ জুলাই, ২০২২ ১০:২৮ অপরাহ্ণ
কুঞ্জ পাল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঈদ উল আযহা উপলক্ষে সরকাকের ভিজিএফ’র চাল বিতরণের ঠাকুরগাঁও জেলায় ৭নং চিলারং ইউনিয়নে ব্যাপক অনিয়ম দেখা গিয়েছে। ভিজিএফ’র চাল ইউনিয়ন পরিষদে না রেখে বাজারের অন্য ঘরে রেখে ছিল চেয়ারম্যান, স্থানীয়রা জানান কিছু মুখ চেনাদের চাল দিলেও বেশিরভাগ মানুষ চাল পাননি। এই ঘটনায় এলাকাবাসি ও হত দরিদ্রদের মাঝে ক্ষোবের সৃষ্টি হয়েছে।
সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায় ৭নং চিলারং ইউনিয়নে ঈদ উপলক্ষে দুঃস্থ্যদের মাঝে চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি হয়েছে। চাল বিতরণে নেওয়া হয়েছে অনিয়ম দুর্নীতির কৌশল। ৭নং চিলারং ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ফজলুর মদদে সরকারি নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে ইউপি সদস্যরা যে যার মত ভিজিএফ এর চাল উওোলন করে তাদের নিজস্ব লোকদের মাঝে বিতরণ করেছে। এই যেন অনিয়মই নিয়মে পরিণত করছেন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফজলু হক।
জানা গেছে ৭ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে ৭নং চিলারং ইউপি চেয়ারম্যান ঈদ উপলক্ষে হতদরিদ্র ও দুস্থদের মাঝে ইউপি খাদ্য গুদাম থেকে সব চাল বিতরণে নিয়ম থাকলেও নামকাওয়াস্তে তা কিছু পরিমাণে বিতরণ করেছন। নাম না প্রকাশের শর্তে একজন সুবিধাভোগি জানান ভিজিএফ চাল পাওয়া জন্য চেয়ারম্যানের কাছে গিয়ে বলাম আমাকে চাল দেন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কষ্টে দিন পার করছি। তারপরও তাঁর মায়া হয়নি।
দেখাযায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চাল না পাওয়া কারণে মাটিতে পরে থাকা চাল কুড়ে নিয়ে যাচ্ছে বাড়িতে আহারের জন্য। আর তিনি জানায় এই কুড়িয়ে নেওয়া চাল দিয়ে ঈদের দিন পরিবারের সদস্যদের মুখে খাওয়ার তুলে দিতে হবে। ঠাকুরগাঁও জেলায় ৭নং চিলারং ইউনিয়নে ঈদ উপলক্ষে হতদরিদ্রদের ভিজিএফ এর চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিক মোবাইলে ছবি ও ভিডিও ধারণ করার সময় চেয়ারম্যান তাঁর লোক দিয়ে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেন।
এবং ভয়ভিতি প্রদর্শণ করেন যেন এই সংবাদ প্রচার না করা হয়। তাৎক্ষনিক সংবাদকর্মী তার সম্পাদককে বিষয়টি জানালে মুক্ত কলমের সম্পাদক ৭নং চিলারং ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ফজলু হককে মোবাইলে ঘটনাটি জানতে চাইলে তিনি স্বীকার করেন। এবং জানান ভুল করে সাংবাদিকের ফোনটি নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন আপনার সংবাদকর্মীকে আমার অফিসে পাঠিয়েদেন আমি তাঁর ফোনটি দিয়ে দিচ্ছি ফোনটি আমার কাছেই আছে। স্থানীয়রা এতে ক্ষবে ফেটে পড়েন এবং বলেন যে তাঁরা অপরাধ করবে সেটা প্রকাশ করা যাবেনা এটা মটেও কাম্যনা।
একজন প্রেস আইডি কার্ড ধারণকারী সংবাদকর্মীর সাথে যদি এমন আচরণ করে তাহলে সাধারণ মানুষদের সাথে কেমন আচরণ করে বুঝে নেন। বিষয়টি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহি অফিসারকে জানালে তিনি জানান আমি বিষয়টি দেখছি যদি কোন প্রকার অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যার তাঁর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।